কিংবদন্তি হলিউড নির্মাতা মার্টিন স্করসেজির পরর্বতী সিনেমা ‘হোয়াট হ্যাপেনস অ্যাট নাইট’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। পিটার ক্যামেরনের ভৌতিক গল্পনির্ভর উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হবে। ছবিতে লরেন্সসহ কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আরও থাকছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। এর মাধ্যমে একই সিনেমায় তিনজন অস্কারজয়ী শিল্পী একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন। কেননা ২০০৭ সালে ‘দ্য ডিপার্টেড’ ছবির সেরা পরিচালক হিসেবে অস্কার জেতেন স্করসেজি।
ডেডলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ছবিটির শুটিং শুরু হবে। অ্যাপল অরিজিনাল ফিল্মস যৌথভাবে স্টুডিওক্যানালের সঙ্গে ছবিটি প্রযোজনার জন্য আলোচনা করছে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘ক্লোজার’ ও ‘দ্য ক্রিটিক’-এর মতো কাজের জন্য পরিচিত প্যাট্রিক মারবার। সবকিছু ঠিক থাকলে এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সপ্তমবারের মতো একসঙ্গে কাজ করবেন স্করসেজি ও ডিক্যাপ্রিও। এর আগে ‘দ্য অ্যাভিয়েটর’, ‘দ্য ডিপার্টেড’ ও ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন তারা। তবে জেনিফার লরেন্সের জন্য এটি হবে স্করসেজির পরিচালনায় করা প্রথম কাজ।
গল্পের প্রেক্ষাপটে দেখা যাবে একটি প্রত্যন্ত, তুষারাচ্ছন্ন ইউরোপীয় শহর। সেখানে এক আমেরিকান দম্পতি একটি শিশু দত্তক নিতে আসে। কিন্তু ধীরে ধীরে তারা এক রহস্যময় ও অস্থির পরিবেশে জড়িয়ে পড়ে। তারা সেখানে এমন একটি হোটেলে অবস্থান করে যেটি প্রায় জনশূন্য। সেখানেই এক জাঁকজমকপূর্ণ গায়ক, দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীসহ নানা অদ্ভুত চরিত্রের লোকদের মুখোমুখি হন তারা। এক পর্যায়ে এই দম্পতি কেবল তাদের চারপাশের ঘটনাগুলোই নয়, বরং নিজেদের জীবন ও সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। এই ছবির আবহ অনেকটা ‘শাটার আইল্যান্ড’-এর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
স্করসেজির জন্য এটি হবে কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন (২০২৩)-এর পর তার ২৭তম সিনেমা।
এদিকে ডিক্যাপ্রিও বর্তমানে ড্যামিয়েন শ্যাজেলের ইভেল নাইভেলের বায়োপিক ও পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। অন্যদিকে লরেন্সকে সম্প্রতি রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ‘ডাই, মাই লাভ’ ছবিতে দেখা গেছে। ছবিটি ইতোমধ্যে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।
/এমএস