চলতি মাসে মুক্তি পেয়েছে হলিউড তারকা এলিজাবেথ ওলসেনের নতুন ছবি ‘ইটার্নিটি’। সম্প্রতি এই ছবির প্রচারের অংশ নিয়ে অভিনেত্রী জীবন, মৃত্যু এবং বার্ধক্য নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ভাবনার কথা জানান। ছবিতে ৩০ বছর বয়সী এক নারী হিসেবে অভিনয় করলেও গল্পে তিনি ৯০ বছর বয়সী এক মহিলার অভিজ্ঞতা ধারণ করেছেন, যা তাকে বয়স বাড়ার সুযোগকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে।
ওলসেন জানান, তিনি সবসময়ই মৃত্যু নিয়ে ভাবেন এবং এই চরিত্র তাকে সেই চিন্তাকে আরও গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে। দাদা-দাদির উপস্থিতি না থাকায় জীবনকে মূল্য দেওয়ার অনুভূতি তার কাছে আরও তীব্র বলে উল্লেখ করেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, কেউই নিশ্চিত হতে পারে না যে বার্ধক্য পর্যন্ত বাঁচার সুযোগ মিলবে কি না, আর সেই অনিশ্চয়তাই তার অভিনয়ে বাস্তবতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এই ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ তারকা বলেন, ‘ইটার্নিটি-র গল্প আমাকে মায়ের পছন্দের পুরোনো সিনেমাগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। অতীত স্মৃতির ছোঁয়া থাকলেও এর চিত্রনাট্য আমার কাছে একই সঙ্গে আধুনিক ও বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ লেগেছে, যা আমাকে প্রকল্পটিতে যুক্ত হতে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।’
সিনেমা হলের গুরুত্ব তুলে ধরে অভিনেত্রী আরও জানান, বড় পর্দায় সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইনস্টাইল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওলসেন বলেন, ‘থিয়েটারে একসঙ্গে সিনেমা দেখা দর্শকদের মধ্যে এক ধরনের অনন্য সংযোগ তৈরি করে। তাই আমি এমন চরিত্র ও গল্পে কাজ করতে চাই, যা বড় পর্দায় দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও অর্থবহ করে তোলে।’
নির্মাতাদের দাবি, ‘ইটার্নিটি’ একটি ফ্যান্টাসিধর্মী রোমান্টিক কমেডি ঘরানার ছবি যেখানে সময়, সম্পর্ক ও মানবিক সংযোগের বিষয়বস্তুকে হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ওলসেন মনে করেন, ছবিটি দর্শকদের একই সঙ্গে কৌতুকপূর্ণ এবং অর্থবহ এক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।
/এমএস