ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
Nagad desktop

বিজয় দিবসের নাটকে মৌ

প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম
বিজয় দিবসের নাটকে মৌ

খ্যাতিমান মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। অভিনয়ে নিয়মিত নন তিনি। তবে অভিনয়ে নিয়মিত না হলেও মাঝে মাঝে বিশেষ দিবস কিংবা মনের মতো গল্প ও চরিত্র পেলে অভিনয় করেন এই তারকা। এই ধারাবাহিকতায় এবার বিজয় দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি নাটকে দেখা যাবে তাকে। নাটকটির নাম ‘ডাক্তার বাড়ি’। ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প অবলম্বনে নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন রাজু আলীম। নাটকটি নির্মাণ করেছেন অরুণ চৌধুরী। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে নাটকটি প্রচারিত হবে।

২০১২ সাল থেকে প্রতিবছর বিজয় দিবস উপলক্ষে ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প অবলম্বনে নাটক নির্মাণ করে আসছেন অরুণ চৌধুরী। 
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা একটি বাড়ি থেকে কীভাবে সহায়তা পেয়েছিলেন, সেটাই তুলে ধরা হয়েছে নাটকের গল্পে। এতে দেখা যাবে, গ্রামের এক ডাক্তারের মেয়ে মল্লিকা তার বাবাকে না জানিয়ে দুই মুক্তিযোদ্ধাকে আশ্রয় দেয়। একসময় দুষ্কৃতকারীরা ডাক্তারকে হুমকি দেয় বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বের করে দিতে। ভয় পেয়ে যায় তিনি। কিন্তু মল্লিকা তার বাবাকে একটা দিন অপেক্ষার জন্য বলেন। এরপর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। নাটকটিতে মল্লিকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। তার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নরেশ ভুঁইয়া। মুক্তিযোদ্ধার চরিত্রে দেখা যাবে আহসান হাবিব নাসিমকে। 

নতুন এই নাটকটি নিয়ে মৌ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের কাজ অনেক কম করা হয়েছে আমার। খুব ভালো লেগেছে এত সুন্দর একটি গল্পে অভিনয় করতে পেরে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি চরিত্রটি ধারণ করতে আমার বিশ্বাস নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে।’
নির্মাতা অরুণ চৌধুরী বলেন, ‘এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি বাড়ির গল্প। গল্প অনুযায়ী পর্দায় সেই সময়ের আবহ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ৮ থেকে ১০ ডিসেম্বর ঢাকার নবাবগঞ্জের একটি পুরোনো বাড়িতে নাটকটির শুটিং করেছি। দর্শকের ভালো লাগলেই আমাদের চেষ্টা সার্থক হবে।’

এদিকে সম্প্রতি প্রথমরারের মতো মৌ অভিনয় করেছেন একটি ওয়েব ফিল্মে। কাজী আনোয়ার হোসেনের ‘আর্তনাদ’ উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মাণ করেছেন আকা রেজা গালিব। প্রাথমিকভাবে ওয়েব ফিল্মটির নাম রাখা হয়েছে ‘গহিন অতল’। এতে এক মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌ। পুরো গল্প গড়ে উঠেছে তাকে ঘিরে।  এটি মুক্তির অপেক্ষায় আছে। গল্পে দেখা যাবে, ঘটনাক্রমে এক রাতে মৌ খুন করেন তার মেয়ের গোপন প্রেমিককে। এই ঘটনা গোপন করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন তিনি।

/রোদসী 

আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া
ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা জয়া আসহান। বাংলাদেশের এই অভিনেত্রী সমানতালে কলকাতার সিনেমাতেও অভিনয় করেন। পশ্চিমবঙ্গেও তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী রয়েছে। এবার আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে রুপালি পর্দায় আসছেন জয়া আহসান। এই খবরটি নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
২০২৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল জয়া অভিনীত কলকাতার সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’। এর প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলী ও জয়া আহসান। সুমনের (কৌশিক) অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে তার সাবেক স্ত্রী শুভ্রা (চূর্ণী) ও বর্তমান স্ত্রী মেঘনার (জয়া) দেখা হওয়া এবং টানাপোড়েনের গল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল অর্ধাঙ্গিনী সিনেমাটি। সাধারণ দর্শক থেকে সমালোচক–সবার কাছে সমাদৃত হয় সিনেমাটি। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও সফলতা পায় সিনেমাটি। এই সিনেমার গানও দুই বাংলার শ্রোতা-দর্শকদের মন জয় করে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছে এই সিনেমার সিক্যুয়েল। এর নাম ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।
গত বছরের জুনে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার শুটিং শুরু করেছিলেন জয়া আহসান। এক বছর পর নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী জানালেন, সিনেমাটি দর্শকের সামনে আসতে আর মাত্র এক মাস বাকি। আগামী ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি।
নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী গণমাধ্যমকে জানান, প্রথম পর্বের গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, তার বছর দুয়েক পর একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে আবার মুখোমুখি হয় সুমন, শুভ্রা ও মেঘনা। এবারও জয়ার সঙ্গে আছেন কৌশিক সেন ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। এ তিনজনের সঙ্গে নতুন পর্বে যুক্ত হয়েছেন ইন্দ্রাশিস রায়।
নির্মাতা বলেন, ‘তিনটি চরিত্রের অনেক না জানা কথা এবার সামনে আসবে। মেঘনার সন্তান টিকলি এখন একটু বড় হয়েছে। কিন্তু সে জানে না, সুমনের সন্তান সে নয়। সেই সত্য আরও স্পস্ট হবে এবার। মূলত বাচ্চাটিকে কেন্দ্র করেই ক্রাইসিস তৈরি হয়। সেই জায়গায় দুই অর্ধাঙ্গিনীর রাস্তা আবার মিলে যায়।’
সিনেমাটি সম্পর্কে জয়া আহসান বলেন, ‘অর্ধাঙ্গিনীতে ভীষণ পরিণত একটা গল্প ছিল। সেই সিনেমার সিক্যুয়েলের অংশ হতে পারা খুব আনন্দের। আগের সিনেমাটি দর্শক আপন করে নিয়েছিলেন। সিক্যুয়েল নিয়েও তাদের অনেক প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার চেয়ে বাড়তি কিছু ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের চ্যালেঞ্জ। আশা  করি এটিও দর্শকদের মন জয় করবে।’
সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা মনে করছেন সেটা পূরণ করতে পারবে গল্প, অভিনয়, নির্মাণ ও গানের মাধ্যমে।

 

টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসংগীতে এক অনবদ্য নাম টেইলর সুইফট। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক অর্জন ও রেকর্ড তার দখলে। গায়িকা হিসেবে তিনি গ্র্যামি, বিলবোর্ড, কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ বিশ্বের সেরা সব সম্মাননা পেয়েছেন। এবার গীতিকার হিসেবেও পেলেন বড় স্বীকৃতি। সর্বকনিষ্ঠ নারী গীতিকার হিসেবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মর্যাদাপূর্ণ সংরাইটারস হল অব ফেমে যুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন টেইলর সুইফট। 
গত ১১ জুন নিউইয়র্ক সিটির ম্যারিয়ট মার্কুইস হোটেলে আয়োজিত সংরাইটারস হল অব ফেমের বার্ষিক উৎসবে টেইলর সুইফটকে এই  সম্মাননা জানানো হয়।
বিশ্বজুড়ে গীতিকারদের অবদান ও প্রতিভাকে সম্মান জানাতে ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সংরাইটারস হল অব ফেম। এ সংস্থায় নাম অন্তর্ভুক্তির স্বপ্ন সব গীতিকারেরই থাকে। কমপক্ষে ২০ বছর ধরে গান লিখছেন যারা, তারাই মূলত এ সংস্থার সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। টেইলর সুইফটের প্রথম লেখা গান ‘টিম ম্যাকগ্রা’ প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। ফলে গীতিকার হিসেবে এ বছর দুই দশক পূর্তি হয়েছে তার।
আয়োজনের লালগালিচায় আকর্ষণীয় লুকে হাজির হন টেইলর সুইফট। হলিউড নির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ মঞ্চে এসে তাকে এই সম্মাননা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এরপর প্রায় ২১ মিনিটের দীর্ঘ ও আবেগঘন বক্তব্যে সুইফট তার সংগীতযাত্রা ও পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
এর আগে ১৯৮৩ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে স্টিভি ওয়ান্ডার সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার হিসেবে এই সম্মান পেয়েছিলেন। তবে নারীদের ক্যাটাগরিতে টেইলর সুইফটই এখন সংরাইটারস হল অব ফেমের সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার।
এই সম্মাননার জন্য টেইলর সুইফটের কালজয়ী কিছু গান—যেমন ‘অল টু ওয়েল’ (১০ মিনিটের ভার্সন), ‘ব্ল্যাঙ্ক স্পেস’, ‘অ্যান্টি-হিরো’ ও ‘লাভ স্টোরি’কে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

 

নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী
ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়। স্বামী সুরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণার পরই তাকে নিয়ে রটেছে নানা গুঞ্জন। দিশা পাটানির সঙ্গে মৌনীর ‘অতি ঘনিষ্ঠতা’র জন্যই নাকি ভেঙে গেছে তাদের সংসার। প্রথমে এ খবর ছড়ায়, সুরজই নাকি সম্পর্কে প্রতারণা করেছেন। তাদের সম্পর্ক নিয়ে চলা অনবরত কাটাছেঁড়া হওয়ায় কান-এ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেই মৌনী বলেন, ‘লোকজন তো কথা বলবেই। লোকজনের কথা বলাই কাজ। কথা বলতে দিন ওদের।’
এবার মৌনী নিজেকে ‘সমকামী’ বলে কটাক্ষের জবাব দিয়েছেন। কিছুদিন আগে ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়েছিলেন মৌনী। সেখানে গিয়ে দিশার জন্য বার্তা দেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে যান তিনি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, তাকে নিয়ে ঘটে চলা গুঞ্জন সম্পর্কে তিনি অবগত কি না! তাতে মৌনি বলেন, ‘ওহ! আমি সমকামী কি না, সেই গুঞ্জন তো?’ অভিনেত্রী জানান, তার জীবনের সব কঠিন পর্যায়ে তিনি তার পরিবার ও বন্ধুদের পেয়েছেন এবং তিনি সৌভাগ্যবান এমন বন্ধুদের পেয়ে।
পাশাপাশি মৌনী বলেন, ‘আমার জীবনে আসাধারণ কিছু বান্ধবী আছেন। আমি আমার বান্ধবীদের বড্ড ভালোবাসি। জীবনে এমন নারী থাকা খুব জরুরি— যারা আপনাকে উৎসাহিত করেন। তাই আমার বান্ধবীরা সেরা।’
মৌনী আরও বলেন, ‘আজকের দিনে মেয়েদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। আপনাকে মানসিক এবং আর্থিকভাবে স্বাধীন হতে হবে।’
অনেকের মতে, মৌনী ও দিশার সম্পর্ক নাকি বন্ধুত্বের থেকেও গভীর। সেটাই নাকি অভিনেত্রীর বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলেছে। যদিও মাঝে দিশার সঙ্গে পঞ্জাবি গায়ক তলবিন্দরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। তার পরও দিশাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেট নাগরিকরা। এর পরে ময়দানে নামেন মৌনীর স্বামী। তিনি সাফ বলে দেন, ‘আমাদের সম্পর্ক ভাঙার পর এখন কিছু বন্ধুর নাম টানা হচ্ছে। কিন্তু তাদের সঙ্গে আমাদের বিচ্ছেদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয়
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা আর বেঙ্গল টাইগারের উপস্থিতি দেখে চমকে গেছেন বিশ্ববাসী। বিশ্বকাপের আসরে বাংলাদেশ ফুটবল দল না খেললেও ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ঠিকই বাংলাদেশের পরিচয় তুলেছেন এক তরুণ তারকা। তার নাম সঞ্জয় দেব। তাকে নিয়েই চলছে আলোচনা।
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজনে কানাডার টরন্টোর বিএমও স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গায়ক, সংগীত পরিচালক ও ডিজে সঞ্জয় দেব তার পরিবেশনা দিয়ে হৃদয় জয় করেছেন দর্শকদের। শুধু পরিবেশনা নয়; বরং পোশাকের মাধ্যমেও বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরে আলোচনায় এসেছেন এই তরুণ তুর্কি।
গত শুক্রবার টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডা ও বসনিয়া ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী আয়োজনে নোরা ফাতেহি ও ফরাসি পপতারকা ভেজিড্রিমের সঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করেন সঞ্জয়। বিশ্বকাপের এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি যেমন দর্শকদের নজর কাড়ে, তেমনি আলোচনার জন্ম দেয় তার পোশাকে ফুটে ওঠা বাংলাদেশের প্রতীকগুলো।
সঞ্জয়ের পোশাকের ডান হাতার অংশে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং জাতীয় পতাকার প্রতীক। পারফরম্যান্স চলাকালে একাধিকবার নিজের স্লিভের দিকে আঙুল নির্দেশ করে এসব প্রতীক বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরেন এই তারকা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ জন্য চলছে সঞ্জয়কে নিয়ে বন্দনা। তার দেশপ্রেমের এই বিষয়গুলো এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের গর্বের প্রতিনিধিত্ব হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে দেশের জাতীয় পরিচয় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্জয়, নোরা ফাতেহি ও ভেজিড্রিমের পাশাপাশি পারফর্ম করেন বিশ্বখ্যাত কানাডিয়ান শিল্পী মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট ও আলেসিয়া কারা। এ ছাড়া মঞ্চে গান পরিবেশন করেন জেসি রেয়েজ, ফিলিস্তিনি গায়িকা এলিয়ানা ও উইলিয়াম প্রিন্স।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফিফার উদ্যোগে নির্মিত নতুন গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন সঞ্জয় দেব, নোরা ফাতেহি ও ভেজিড্রিম।
সঞ্জয় দেবের জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। বাবা সন্তোষ দেব ও মা মিতা দেবের সঙ্গে প্রায় দুই যুগ আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানেই সংগীতচর্চার মধ্য দিয়ে নিজেকে তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের অনেক শিল্পীর জন্য তিনি গান তৈরি করেছেন। কাজ করেছেন বলিউডেও।

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে
অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে আয়োজন করে ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’।

বাংলা লোকসংগীতের ইতিহাসে এমন কিছু গান আছে, যা শুধু সুরের মাধুর্যেই নয়, মানুষের আত্মঅন্বেষণের পথেও সঙ্গী হয়ে ওঠে। মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজার গান সেই বিরল উত্তরাধিকারেরই অংশ। তাঁর গান ভালোবাসা, বৈরাগ্য, আত্মচেতনা ও জীবনের গভীর সত্যকে নতুনভাবে অনুভব করতে শেখায়।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত আলোকি কনভেনশন সেন্টারে। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজা চৌধুরীকে, যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তাঁর শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’

একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।