ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: মির্জা ফখরুল গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎ আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা এবং রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি
Nagad desktop

নায়িকার কান ছিঁড়ে নিল ছিনতাইকারী!

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
নায়িকার কান ছিঁড়ে নিল ছিনতাইকারী!
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা রঞ্জিতা। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ঢাকা ৮৬’ সিনেমায় বাপ্পারাজের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক-এর পরিচালনায় এই ছবি দিয়েই আলোচনায় আসেন রঞ্জিতা। এবার এই নায়িকার কান ছিঁড়ে নিল ছিনতাইকারী। শুধু তাই নয়, ছিনতাইকারীদের হামলায় তার কানে সাতটি সেলাই দিতে হয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (১৭ মে) মধ্যরাতে রঞ্জিতার একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে সনি জানান, চিত্রনায়িকা রঞ্জিতা বিএফডিসি থেকে রামপুরার বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন এবং ভীষণভাবে আহত হন। ছিনতাইকারীরা তার ওপর হামলা চালালে কানের লতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত রামপুরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসংগীতে এক অনবদ্য নাম টেইলর সুইফট। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক অর্জন ও রেকর্ড তার দখলে। গায়িকা হিসেবে তিনি গ্র্যামি, বিলবোর্ড, কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ বিশ্বের সেরা সব সম্মাননা পেয়েছেন। এবার গীতিকার হিসেবেও পেলেন বড় স্বীকৃতি। সর্বকনিষ্ঠ নারী গীতিকার হিসেবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মর্যাদাপূর্ণ সংরাইটারস হল অব ফেমে যুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন টেইলর সুইফট। 
গত ১১ জুন নিউইয়র্ক সিটির ম্যারিয়ট মার্কুইস হোটেলে আয়োজিত সংরাইটারস হল অব ফেমের বার্ষিক উৎসবে টেইলর সুইফটকে এই  সম্মাননা জানানো হয়।
বিশ্বজুড়ে গীতিকারদের অবদান ও প্রতিভাকে সম্মান জানাতে ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সংরাইটারস হল অব ফেম। এ সংস্থায় নাম অন্তর্ভুক্তির স্বপ্ন সব গীতিকারেরই থাকে। কমপক্ষে ২০ বছর ধরে গান লিখছেন যারা, তারাই মূলত এ সংস্থার সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। টেইলর সুইফটের প্রথম লেখা গান ‘টিম ম্যাকগ্রা’ প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। ফলে গীতিকার হিসেবে এ বছর দুই দশক পূর্তি হয়েছে তার।
আয়োজনের লালগালিচায় আকর্ষণীয় লুকে হাজির হন টেইলর সুইফট। হলিউড নির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ মঞ্চে এসে তাকে এই সম্মাননা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এরপর প্রায় ২১ মিনিটের দীর্ঘ ও আবেগঘন বক্তব্যে সুইফট তার সংগীতযাত্রা ও পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
এর আগে ১৯৮৩ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে স্টিভি ওয়ান্ডার সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার হিসেবে এই সম্মান পেয়েছিলেন। তবে নারীদের ক্যাটাগরিতে টেইলর সুইফটই এখন সংরাইটারস হল অব ফেমের সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার।
এই সম্মাননার জন্য টেইলর সুইফটের কালজয়ী কিছু গান—যেমন ‘অল টু ওয়েল’ (১০ মিনিটের ভার্সন), ‘ব্ল্যাঙ্ক স্পেস’, ‘অ্যান্টি-হিরো’ ও ‘লাভ স্টোরি’কে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

 

নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী
ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়। স্বামী সুরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণার পরই তাকে নিয়ে রটেছে নানা গুঞ্জন। দিশা পাটানির সঙ্গে মৌনীর ‘অতি ঘনিষ্ঠতা’র জন্যই নাকি ভেঙে গেছে তাদের সংসার। প্রথমে এ খবর ছড়ায়, সুরজই নাকি সম্পর্কে প্রতারণা করেছেন। তাদের সম্পর্ক নিয়ে চলা অনবরত কাটাছেঁড়া হওয়ায় কান-এ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেই মৌনী বলেন, ‘লোকজন তো কথা বলবেই। লোকজনের কথা বলাই কাজ। কথা বলতে দিন ওদের।’
এবার মৌনী নিজেকে ‘সমকামী’ বলে কটাক্ষের জবাব দিয়েছেন। কিছুদিন আগে ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়েছিলেন মৌনী। সেখানে গিয়ে দিশার জন্য বার্তা দেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে যান তিনি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, তাকে নিয়ে ঘটে চলা গুঞ্জন সম্পর্কে তিনি অবগত কি না! তাতে মৌনি বলেন, ‘ওহ! আমি সমকামী কি না, সেই গুঞ্জন তো?’ অভিনেত্রী জানান, তার জীবনের সব কঠিন পর্যায়ে তিনি তার পরিবার ও বন্ধুদের পেয়েছেন এবং তিনি সৌভাগ্যবান এমন বন্ধুদের পেয়ে।
পাশাপাশি মৌনী বলেন, ‘আমার জীবনে আসাধারণ কিছু বান্ধবী আছেন। আমি আমার বান্ধবীদের বড্ড ভালোবাসি। জীবনে এমন নারী থাকা খুব জরুরি— যারা আপনাকে উৎসাহিত করেন। তাই আমার বান্ধবীরা সেরা।’
মৌনী আরও বলেন, ‘আজকের দিনে মেয়েদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। আপনাকে মানসিক এবং আর্থিকভাবে স্বাধীন হতে হবে।’
অনেকের মতে, মৌনী ও দিশার সম্পর্ক নাকি বন্ধুত্বের থেকেও গভীর। সেটাই নাকি অভিনেত্রীর বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলেছে। যদিও মাঝে দিশার সঙ্গে পঞ্জাবি গায়ক তলবিন্দরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। তার পরও দিশাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেট নাগরিকরা। এর পরে ময়দানে নামেন মৌনীর স্বামী। তিনি সাফ বলে দেন, ‘আমাদের সম্পর্ক ভাঙার পর এখন কিছু বন্ধুর নাম টানা হচ্ছে। কিন্তু তাদের সঙ্গে আমাদের বিচ্ছেদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয়
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা আর বেঙ্গল টাইগারের উপস্থিতি দেখে চমকে গেছেন বিশ্ববাসী। বিশ্বকাপের আসরে বাংলাদেশ ফুটবল দল না খেললেও ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ঠিকই বাংলাদেশের পরিচয় তুলেছেন এক তরুণ তারকা। তার নাম সঞ্জয় দেব। তাকে নিয়েই চলছে আলোচনা।
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজনে কানাডার টরন্টোর বিএমও স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গায়ক, সংগীত পরিচালক ও ডিজে সঞ্জয় দেব তার পরিবেশনা দিয়ে হৃদয় জয় করেছেন দর্শকদের। শুধু পরিবেশনা নয়; বরং পোশাকের মাধ্যমেও বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরে আলোচনায় এসেছেন এই তরুণ তুর্কি।
গত শুক্রবার টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডা ও বসনিয়া ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী আয়োজনে নোরা ফাতেহি ও ফরাসি পপতারকা ভেজিড্রিমের সঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করেন সঞ্জয়। বিশ্বকাপের এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি যেমন দর্শকদের নজর কাড়ে, তেমনি আলোচনার জন্ম দেয় তার পোশাকে ফুটে ওঠা বাংলাদেশের প্রতীকগুলো।
সঞ্জয়ের পোশাকের ডান হাতার অংশে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং জাতীয় পতাকার প্রতীক। পারফরম্যান্স চলাকালে একাধিকবার নিজের স্লিভের দিকে আঙুল নির্দেশ করে এসব প্রতীক বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরেন এই তারকা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ জন্য চলছে সঞ্জয়কে নিয়ে বন্দনা। তার দেশপ্রেমের এই বিষয়গুলো এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের গর্বের প্রতিনিধিত্ব হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে দেশের জাতীয় পরিচয় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্জয়, নোরা ফাতেহি ও ভেজিড্রিমের পাশাপাশি পারফর্ম করেন বিশ্বখ্যাত কানাডিয়ান শিল্পী মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট ও আলেসিয়া কারা। এ ছাড়া মঞ্চে গান পরিবেশন করেন জেসি রেয়েজ, ফিলিস্তিনি গায়িকা এলিয়ানা ও উইলিয়াম প্রিন্স।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফিফার উদ্যোগে নির্মিত নতুন গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন সঞ্জয় দেব, নোরা ফাতেহি ও ভেজিড্রিম।
সঞ্জয় দেবের জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। বাবা সন্তোষ দেব ও মা মিতা দেবের সঙ্গে প্রায় দুই যুগ আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানেই সংগীতচর্চার মধ্য দিয়ে নিজেকে তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের অনেক শিল্পীর জন্য তিনি গান তৈরি করেছেন। কাজ করেছেন বলিউডেও।

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে
অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে আয়োজন করে ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’।

বাংলা লোকসংগীতের ইতিহাসে এমন কিছু গান আছে, যা শুধু সুরের মাধুর্যেই নয়, মানুষের আত্মঅন্বেষণের পথেও সঙ্গী হয়ে ওঠে। মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজার গান সেই বিরল উত্তরাধিকারেরই অংশ। তাঁর গান ভালোবাসা, বৈরাগ্য, আত্মচেতনা ও জীবনের গভীর সত্যকে নতুনভাবে অনুভব করতে শেখায়।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত আলোকি কনভেনশন সেন্টারে। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজা চৌধুরীকে, যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তাঁর শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’

একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

নতুন তিন সিনেমায় নিশো

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
নতুন তিন সিনেমায় নিশো
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় তারকা আফরান নিশো। একসময় ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয় করলেও এখন বড়পর্দাতেই সব ব্যস্ততা তার। ২০২৩ সালে রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় নিশোর অভিষেক হয়। তিন বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার। তিনটি সিনেমার পরিচালক ভিন্ন হলেও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত আছে আলফা আইয়ের নাম।
সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল জানিয়েছেন, নিশোর সঙ্গে নতুন আরও তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এ ছাড়া আরও একটি সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এখন পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া তিন সিনেমাতে নিশোকে দুঃখী ও প্রতারিত মানুষের গল্পের চরিত্রে দেখা গেছে। এবার নায়কসুলভ চরিত্র নিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির হবেন এক সময়ের ছোটপর্দার এই বড় তারকা। 
প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘দর্শকের দৃষ্টিকোণ থেকে নিশোকে সব সিনেমায় স্ট্রাগলিং চরিত্রে দেখা গেছে। তারা নিশোকে পর্দায় নায়ক অবতারে দেখতে চান। নিশোর সঙ্গে আমাদের যে তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে, তার প্রতিটিতে নিশোকে দর্শক যেভাবে দেখতে চায়, সেভাবেই দেখা যাবে।’
তবে তিনটি সিনেমা নিশ্চিত হলেও এখনো সিনেমা ও পরিচালকের নাম জানাননি শাহরিয়ার শাকিল। 
এ বছরের শুরুতে আলফা আই জানিয়েছিল, ভিকি জাহেদের পরিচালনায় দেখা যাবে নিশোকে। তার সঙ্গে ভাবা হচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরীকে। সিনেমার নাম ‘পুলসিরাত’। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও শাহরিয়ার শাকিল জানালেন, তিন সিনেমার একটিতে নিশোর সঙ্গে দেখা যেতে পারে মেহজাবীনকে। 
এ ছাড়া নির্মাতা রায়হান রাফীর একাধিক প্রজেক্ট ও জাহিদ প্রীতমের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কাজ করছেন তারা। কয়েক দিন আগে ফেসবুকে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার দৃশ্য থেকে শাকিব খান, আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদের ছবি শেয়ার করে রায়হান রাফী ফিল্ম ইউনিভার্সে স্বাগত জানান রাফী। এর পর গুঞ্জন শুরু হয়, নিশোকে নিয়ে ‘তাণ্ডব ২’ শুরু করছেন নির্মাতা। নিশোও ফেসবুক স্টোরিতে তাণ্ডব ২ সিনেমার ইঙ্গিত দেন।