পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন অভিজ্ঞ ব্যাংকার সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। এর আগে তিনি ঢাকা ব্যাংকে একই পদে কাজ করেছেন। সেই সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যাংকিং খাতের নানা সংকট, উত্তরণের উপায়সহ বিভিন্ন বিষয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মৃত্তিকা সাহা।
খবরের কাগজ: ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু বলুন
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: বর্তমানে একটা ক্রান্তিকাল চলছে। এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছু ব্যাংকের অবস্থা খারাপ। একটি ব্যাংকের অবস্থা খারাপ হলে আরেকটি ব্যাংকে তার প্রভাব পড়বে- এটাই স্বাভাবিক। রাতারাতি এই পরিস্থিতি থেকে বেরোনো যাবে না। আমাদের ব্যাংক খাতের জন্য আশীর্বাদ হচ্ছে, গভর্নর ও অর্থ উপদেষ্টা দুজনেই এই খাতবিষয়ক জ্ঞানী। অর্থ উপদেষ্টা নিজেও একসময় গভর্নর ছিলেন। খেলাপি ঋণের নীতিমালা পরিবর্তন হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে। এটা ভালো হয়েছে; আমাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যেতে হবে। এতদিন আমাদের ব্যালান্স শিট দেখে আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো বলত, খেলাপি ঋণ আরও অনেক বেশি হবে। সে জন্য অনেক কাগজপত্র জমা দিতে হতো। এখন সেই সমস্যা হবে না। নিয়ম পরিবর্তনের ফলে আগের সরকারের যারা ঘনিষ্ঠ ছিল এবং তাদের যারা সহযোগী ছিল, তারা ঋণ খেলাপি হবে। সে জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক আগে থেকেই তা বলে আসছে। তাদের হিসাবে, আমাদের ২৫ শতাংশ ঋণই খেলাপি। আমরা সেদিকেই যাচ্ছি বা পরিস্থিতি তারচেয়ে খারাপ হতে পারে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এক ধরনের শঙ্কা আছে, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। সম্প্রতি এই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু পটপরিবর্তনের পর বেশ কিছুদিন কারখানা বন্ধ ছিল, শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে। এসব কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থায় কিছুটা চিড় ধরেছে। যদি দেখা যায়, সুরক্ষা নেই- তাহলে বিনিয়োগ হবে না। বিনিয়োগকারীরা প্রথমেই দেখবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। আবার এটাও ঠিক, জঞ্জাল রাতারাতি দূর করা যায় না। গত ১৫ বছরে কয়েকটি ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। বাস্তবতা হলো, এখন তা বন্ধ হয়েছে। তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে; রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে তা দেখা যাচ্ছে। বহিঃস্থ খাতের ভারসাম্য অনেকটা ভালো হয়েছে। রপ্তানিও ভালো। বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আমরা ব্যাংক খাতের সংকট উত্তরণের দিকে যাব; সেই সময় পর্যন্ত আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।
খবরের কাগজ: নতুন নিয়ম কার্যকর হলে খেলাপি ঋণ আরও বাড়বে। এতে ব্যাংকগুলোর কী অবস্থা হবে?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: অবস্থা আরও খারাপ হবে। খেলাপি ঋণ বাড়লে ঋণমানে প্রভাব পড়ে। এ ছাড়া আপনার ঋণের টাকা ফেরত আসুক বা না আসুক, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতেই হবে। তখন আরেকজনের কাছ থেকে নিয়ে সেই টাকা ফেরত দিতে হবে। মেয়াদি ঋণ দেওয়া আমাদের কাজ না হলেও দিয়েছি। ফলে সম্পদ ও দায়ের মধ্যে সব সময় এক ধরনের অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। টাকা যেহেতু আসছে না, সেহেতু আমরা চাপে পড়ে যাচ্ছি। তাতে সংকট হচ্ছে। ঋণ খেলাপি হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে মূলধনে। সেই সঙ্গে তারল্য প্রবাহে আরও বড়ধরনের চাপ পড়বে। কারণ ব্যাংক সময়মতো টাকা না পেলেও আমানতকারীকে অবশ্যই চাহিদা অনুযায়ী টাকা সরবরাহ করতে হবে। আর খেলাপি ঋণ বাড়লে প্রভিশনের পরিমাণও বাড়বে, যা মুনাফায় প্রভাব ফেলবে।
খবরের কাগজ: এই মুহূর্তে কি খেলাপি ঋণের নিয়ম বদল করার প্রয়োজন ছিল? নাকি কিছুদিন সময় নেওয়া উচিত ছিল?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: সময় বাড়ানোর বিষয়টি ঠিক নয়। ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে খেলাপি ঋণ নির্ধারণ করতাম। পরে সেখানে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে ছাড় দেওয়ায় কী লাভ হয়েছে! ২০০৯ সালে আমাদের খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। ফলে আলটিমেটলি আমাদের কোনো লাভ তো হয়ইনি বরং ক্ষতি হয়েছে।
খবরের কাগজ: মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বাজারে ভালো ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। একটি ব্যাংক কীভাবে ভালো বা মন্দ হয়।
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে সুশাসন। আমাদের খাতে যত সমস্যা হয়েছে তার মূল কারণ হলো সুশাসনের অভাব; প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, কোথাও সুশাসন ছিল না। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কিছু ব্যাংক ঋণ দিয়েছে। কাকে দিতে হবে বলে দেওয়া হয়েছে, তারা সেটা দিয়েছে। যারা ওই সব ঋণের প্রক্রিয়াকরণ করেছে, তারা এখন ভুক্তভোগী হচ্ছে। অনেকেই হয়তো ইচ্ছা করে করেননি। মালিকের নির্দেশ অমান্য করলে চাকরি ছাড়তে হবে। কিন্তু চাকরি ছাড়া তো মুখের কথা নয়। যেকোনো ব্যাংকের জন্য পরিচালনা পর্ষদের ভূমিকা মুখ্য। তাদের কাজ হচ্ছে নীতিনির্ধারণ ও তা ঠিকঠাক পালিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা। আর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যদের দায়িত্ব হচ্ছে কাজগুলো ঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা। পর্ষদ যেসব নির্দেশ দিয়েছে, সেগুলো ঠিকঠাকমতো বাস্তবায়ন করা। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্ষদের সঙ্গে সমন্বয় করা। এ ক্ষেত্রে দুদিকের দায়িত্ব-কর্তব্য যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলেই একটি ব্যাংক ভালো হতে পারে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে আমরা এই কাজটিই সঠিকভাবে করছি। আমাদের মূল শক্তি হচ্ছে পরিচালনা পর্ষদ। তারা যথাযথভাবে নীতিনির্ধারণ ও তত্ত্বাবধান করছে এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নিয়ম পালন করছে। এখানে কেউ কারও কাজে হস্তক্ষেপ করে না। অর্থাৎ এখানে সর্বোচ্চ সুশাসন বজায় রয়েছে।
খবরের কাগজ: ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা কেমন?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একজন মানুষের মাথায় পচন ধরলে যেমন তা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি আমরা দেখেছি, পত্রপত্রিকায়ও লেখালেখি হয়েছে, আমাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কিছু সমস্যা ছিল। যার প্রমাণ দেখা যায় গভর্নরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায়। এমন ঘটনা হয়তো পৃথিবীর কোনো দেশেই ঘটেনি।
খবরের কাগজ: আপনি তো দীর্ঘদিন ব্যাংকিং পেশায় আছেন, সেই সঙ্গে এবিবির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব ক্ষেত্রে আপনার ভূমিকা কেমন ছিল?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: রাষ্ট্রযন্ত্র যদি বিকল হয়ে যায়, সেখানে আসলে কারোরই তেমন কিছু করার থাকে না। দেশে এতদিন আয়নাঘর ছিল বা অনেক মানুষ হারিয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, হয় আপনাকে আঁতাত করতে হবে, না হয় সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি সংগ্রাম করার পক্ষেই ছিলাম। যে কারণে আমাকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কয়েকবার ফোন করে বলা হয়েছে, আমি যেন সব বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সব কিছু না বলি। আমি আমার জায়গা থেকে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থা কারও কথাই আমলে নেয়নি। কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রেই যে সমস্যা ছিল।
খবরের কাগজ: নতুন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। সেগুলোকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: নতুন গভর্নরকে দেখে আমাদের আশা অনেক বেড়েছে। যেহেতু তিনি একজন বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ, সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন আইএমএফে কাজ করেছেন, তিনি নিজেও একটা থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রধান, সব মিলিয়ে তার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। তিনি এতদিন বাইরে থেকে অনেক কিছু দেখেছেন, এখন নিজেই সেগুলো দেখভাল করছেন। অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে এটা তো ঠিক, তার একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। এটা একটা টিম ওয়ার্ক। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সবাইকে মিলেই সেই কাজটা করতে হবে। এখন পর্যন্ত তিনি যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন, সেগুলোর কিছু প্রভাব ইতোমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে, ব্যালেন্স অব পেমেন্টেও ইতিবাচক বার্তা দেখা যাচ্ছে। তবে যেসব সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে নিশ্চয়ই ব্যাংক খাতেও আবার সুদিন ফিরবে।
খবরের কাগজ: নতুন বছরে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন কোনো সেবা বা পণ্য আসছে কিনা?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: আমরা অনেক বড় ব্যাংক না। তবে ভালো ব্যাংক হিসেবে সব গ্রাহক আমাদের যেভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, এটাই আমাদের বড় অর্জন। আমরা সব সময়ই গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। অন্য অনেক ব্যাংক থেকে আমাদের সেবার মান অনেক ভালো। নতুন বছর আরও উন্নত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ জন্য তরুণ প্রজন্মের আগ্রহের জায়গা থেকে আমরা ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। কারণ তারাই আজকে দেশটাকে নতুন করে বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়েছে। আমরা সেই পরিবেশটা তৈরি করতে চাই, তরুণরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সেবা পাবে। এ জন্য আমরা সম্প্রতি একটা ডিজিটাল ওয়ালেট চালু করেছি, যেখানে এমন কিছু নেই, যা আপনি পাবেন না। এটা পুরোপুরি হয়ে গেলে বড় ঋণের লেনদেন ছাড়া দিনের যাবতীয় সব কাজই এখান থেকেই করতে পারবেন ভোক্তারা। সেই সঙ্গে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণের কাছে কীভাবে এই ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে পৌঁছানো যায়, সেই চেষ্টাও করছি।
খবরের কাগজ: বর্তমান নানামুখী সংকটে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকের আস্থা কমছে। তার ওপর সরকার সঞ্চয়পত্রের সুবিধা বাড়িয়েছে। এতে ব্যাংকের আমানতে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকের আস্থাহীনতা তো এক দিনে তৈরি হয়নি। এখন যেমন প্রকাশ্যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, এতদিন সেগুলো লুক্কায়িত ছিল। যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা এক দিনে ফিরে আসবে না। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে ব্যাংকগুলোকে নিয়ে কাজ করছে, তাতে আশা করা যায়, আগামীতে ভালো কিছু হবে। ভালো কাজ হলেই গ্রাহকের আস্থা ফিরে আসবে। এখনই যার কিছু প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকা আবার ব্যাংকে ফিরছে, আমানতও কিছুটা বেড়েছে। তবে সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাড়ানোর একটা প্রভাব তো অবশ্যই ব্যাংকে পড়বে। ব্যাংকের বাইরে পড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ টাকার একটা অংশ যদি ব্যাংকে ফেরত আসে, সংকট কেটে যাবে।
খবরের কাগজ: এই মাসের শেষ দিকেই মুদ্রানীতি ঘোষণা হবে। সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের মুদ্রানীতি কেমন হওয়া উচিত?
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: এবারের মুদ্রানীতিতে- নীতি সুদহারে হয়তো কোনো পরিবর্তন আসবে না। গভর্নর বলেছেন, আমাদের মূল্যস্ফীতি যদি আর না বাড়ে তাহলে এখন আর তিনি নীতি সুদহার বাড়াবেন না। আর যদি মূল্যস্ফীতি বাড়ে তাহলে হয়তো কিছুটা বাড়াবেন। ডলারের দর নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো দর ঠিক করবে না। ব্যাংকগুলো প্রতিদিন দুবার করে যে দর পাঠাবে সেটার গড়ের ওপর ভিত্তি করেই একটা দর ঠিক করা হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা। সেই লক্ষ্যেই এবারের মুদ্রানীতিও সংকোচনমূলকই করা হবে।