ব্যাংকিং খাতকে উজ্জীবিত করার অন্যতম শর্ত স্থিতিশীল সরকার। প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান এমনটিই মনে করেন। তার মতে, ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে পরিচালনা পর্ষদকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ডা. আরিফুর রহমান প্রিমিয়ার ব্যাংককে একটি মানবিক ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খবরের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার মৃত্তিকা সাহা।
খবরের কাগজ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের আপনি একজন অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক ছিলেন। এই ব্যাংকের শুরুর গল্পটি জানতে চাই।
আরিফুর রহমান: ১৯৭৭ সালের শেষের দিকে আমি বিদেশ চলে যাই। প্রথমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) একটি মেডিকেল গ্রুপ, প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে (যা জামিয়াত হেলাল আহমদ ফালাস্তিন নামে পরিচিত) আমি কাজ করতাম। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনি এজেন্টের অনুরোধে ১২ জন ডাক্তার পাঠিয়েছিলেন, আমি ছিলাম তাদের মধ্যে একজন। ফিলিস্তিনে এক বছর থাকার পর আমরা সৌদি আরবে চলে যাই এবং সে দেশের ন্যাশনাল মিলিটারিতে ডাক্তার হিসেবে যোগদান করি। সেখানে থেকে আমি ম্যানপাওয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। আমি দেখি যে পাকিস্তানিসহ অন্য এজেন্সিগুলো দুবাই ও সৌদি আরবে অশিক্ষিত গরিব বাঙালিদের প্রতারণা করছে। আমি নিজে সাংবাদিকতা থেকে আসা মানুষ- দৈনিক বাংলায় আমি মেডিকেল রিপোর্টার হিসেবে কাজ করতাম। অনুসন্ধানী কাজের প্রতি আগ্রহ থেকেই এই প্রতারণাগুলো আমার চোখে লাগে। এই গরিব স্বদেশি মানুষদের রক্ষার জন্য এবং প্রতারণা বন্ধ করার মানসিকতা থেকেই আমি এই ব্যবসায় যুক্ত হই। জনশক্তি ব্যবসা করে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হওয়ার পরই আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার উদ্যোগ নিই। ১৯৯৯ সালে আমরা গড়ে তুলি আমাদের স্বপ্নের ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক। ব্যাংকটির মূলধন জোগানের শুরুতে আমি বড় ভূমিকা রেখেছিলাম।
খবরের কাগজ: আপনি কেন প্রিমিয়ার ব্যাংক ছেড়ে দিয়েছিলেন?
আরিফুর রহমান: ২০০৮ সালের পর আমি ব্যাংকটি সম্পূর্ণরূপে ছেড়ে দিই। এর পেছনে ব্যক্তিগত কিছু কারণ ছিল। তবে ওই সময় আমি দূর থেকে ব্যাংকের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের কথা শুনতাম। আমার একজন ব্যবসায়িক পার্টনার ঋণখেলাপি হয়ে গেলে সংকট শুরু হয়। আমি নিজে খেলাপি না হলেও আমার পরিচালক পদে এর প্রভাব পড়েছিল। বন্ধু ইকবালের পরামর্শে আমি এই শর্তে পরিচালক পদ ছেড়ে দিই যে এক মাস পর আমি আবার ফিরে আসতে পারব, কিন্তু পরে ইকবাল আমাকে আর সুযোগ দেয়নি।
খবরের কাগজ: ২০০৮ সালে ব্যাংকের অবস্থা কেমন ছিল?
আরিফুর রহমান: তখন ব্যাংকের পারফরম্যান্স ভালোই ছিল। আমরা নিয়মিত ডিভিডেন্ড পেতাম, ক্যামেল রেটিংয়ে ১৪তম অবস্থানে ছিলাম। পরিচালনা পর্ষদ ভালো কাজ করছিল। কিন্তু পরে শুনি, হিসাব-নিকাশে অনিয়ম হয়েছে, যা এখন তদন্তাধীন।
খবরের কাগজ: দীর্ঘ সময় পর আপনি কীভাবে এবং কেন আবার ব্যাংকের পরিচালনায় ফিরে এলেন?
আরিফুর রহমান: আমি ব্যাংকটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের একজন এবং প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলাম। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক আগের পর্ষদকে পরিবর্তন করে দেয়। একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংকের মতোই পরিণতি হতে যাচ্ছিল প্রিমিয়ার ব্যাংকেরও। তখন আমি স্যারদের কাছে অনুরোধ করে ফিরে আসি। বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে খোঁজখবর নিয়ে আমাকে পরিচালক বানানো যায় বলে সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আমার নেতৃত্বে ব্যাংক চালানোর নির্দেশনা দেন।
খবরের কাগজ: বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে আপনি কেমন মনে করেন?
আরিফুর রহমান: বর্তমান পর্ষদে একজন সুপার জিনিয়াস ব্যাংকার, একজন সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ, একজন অডিটর, দুজন সিরিয়াস ব্যাংকার, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং আমি- এই ছয়জন আছি। তারা প্রত্যেকেই উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন এবং অভিজ্ঞ। আমি মনে করি, বাংলাদেশের সেরা স্বতন্ত্র পরিচালকদের একটি সমন্বয় উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
খবরের কাগজ: প্রিমিয়ার ব্যাংকে বর্তমানে কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কাজ চলছে?
আরিফুর রহমান: প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম নিয়ে আমার কাছে যেসব তথ্য আছে, তার চেয়ে অনেক বেশি তথ্য আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে। অনিয়মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; ২৮৭ কোটি টাকার উত্তোলন এবং তার আগে ২১টি অ্যাকাউন্ট করা। আরও রয়েছে, বিএফআইইউর নির্দেশ অমান্য করে চেয়ারম্যানের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন। এ ছাড়া মেইনটেন্যান্স খরচ, প্রিন্টিং ইস্যু, ক্যালেন্ডার ইস্যুসহ অনেক অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে অভ্যন্তরীণ ও ফরেনসিক অডিট করছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একাধিক (তৃতীয় পক্ষ) অডিট ফার্মও কাজ করছে। গত দুই বছরের লেনদেন বিশেষভাবে যাচাই করা হচ্ছে।
খবরের কাগজ: এসব অনিয়ম হওয়ার মূল কারণ কী বলে আপনি মনে করেন?
আরিফুর রহমান: এই অনিয়মগুলো একজন স্বেচ্ছাচারী শাসকের (সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবাল) হুকুমের ফল। এর ফলে ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা বাধ্য হয়ে অনেক কিছু করেছেন। তবে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সরাসরি কোনো আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, এমন কোনো তথ্য বা অভিযোগ আমি পাইনি। যদিও তিনি বাধ্য হয়ে কিছু কাগজে সই করেছেন বা অনুমতি দিয়েছেন। এটিও অবশ্যই অপরাধ। এ ছাড়া যেসব অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে, সেসব বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ অডিট চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী থার্ড পার্টিকে দিয়ে ফরেনসিক অডিটও করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিএফআইইউ ও দুদকও কাজ করছে। সব তদন্তকাজ শেষ হলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খবরের কাগজ: বাংলাদেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাত নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
আরিফুর রহমান: প্রথমত দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। বিগত সরকারসহ আগের সরকারের সময়েও দেখেছি, কাউকে খুশি করার জন্য ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হতো। একসময় ব্যাংক লাইসেন্স পাওয়া ছিল রাজনৈতিক আশীর্বাদের মতো ব্যাপার। এত ব্যাংক থাকার কারণে দেশের অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। এতে খাতটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যাংকেই অনিয়ম হয়েছে। আবার অনেক বড় ব্যবসায়ী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত দেননি। আমার মতে, মূল সমস্যা আস্থা ও জবাবদিহির ঘাটতি। টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে অথচ দেশের ব্যাংকে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। স্থিতিশীল সরকার ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিই এখন সবচেয়ে জরুরি। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং ব্যাংকিং খাতকে উজ্জীবিত করতে প্রথম শর্ত হলো একটি স্থিতিশীল সরকার (স্ট্যাবল গভর্মেন্ট) নিশ্চিত করা। দেশি-বিদেশি অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগের জন্য তৈরি হয়ে বসে আছেন। নির্বাচিত সরকার এলেই তারা বিনিয়োগ শুরু করবেন। বিনিয়োগ বাড়লে ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়াবে। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের ঘাটতি আছে। ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই পরিচালনা পর্ষদকে স্বচ্ছ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারিগর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। তাহলেই পুরো ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত হবে। যদি একজন পরিচালকের মধ্যেও এ বিষয়ে ঘাটতি দেখা দেয়, তখনই সে ম্যানেজমেন্টের ওপর প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকের সুশাসনের ভিত নষ্ট করে দিতে পারে। তাই আমি মনে করি, পরিচালনা পর্ষদ যদি সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে ম্যানেজমেন্টও সঠিকভাবেই কাজ করবে।
খবরের কাগজ: প্রিমিয়ার ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করতে আপনি কী কৌশল অবলম্বন করছেন?
আরিফুর রহমান: আমি পরিচালনা পর্ষদ এবং ম্যানেজমেন্টের মধ্যে সম্পূর্ণ সমন্বয় (খাপে খাপ) নিশ্চিত করতে চাই। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য ভয়, ভালোবাসা আর আশা- এই তিনটি জিনিস ব্যবহার করতে চাই। অর্থাৎ কর্মকর্তাদের মধ্যে ভালো কাজ করতে না পারার ভয় থাকতে হবে, ভালো কাজ করলে তার পুরস্কার হিসেবে ভালোবাসা দিয়ে তার পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তাকে আশ্বস্ত করতে হবে প্রতিষ্ঠান কেবল তার কর্মস্থল নয়, তার যেকোনো বিপদে-আপদে ভরসাস্থল হিসেবে সব সময়ই পাশে আছে।
খবরের কাগজ: ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ লাগামহীনভাবে বাড়ছে। প্রিমিয়ার ব্যাংকেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। নিজের ব্যাংকসহ পুরো ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য আপনার পরামর্শ কী?
আরিফুর রহমান: খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য প্রথমত একজন গ্রাহকের আগ্রহ এবং আর্থিক চরিত্র ভালোভাবে চিহ্নিত করা দরকার। যারা বিদেশে টাকা পাচার করছে বা ইচ্ছা করে খেলাপি হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, প্রয়োজনে জেলে ঢোকানো উচিত। অন্যদিকে যার আগ্রহ আছে, কিন্তু সমস্যার কারণে এনপিএল গ্রুপের মধ্যে পড়ে গেছেন, তাকে সাহায্য করে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া উচিত। একক নীতি নয়, দ্বিমুখী বাস্তববাদী নীতি প্রয়োজন।
গত জুন শেষে আমাদের খেলাপি ঋণ ২৩ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল। দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মধ্যে আমরা সেটি কমিয়ে ১৫ শতাংশে নিয়ে এসেছি। আশা করছি সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি ৫ শতাংশে নামানো সম্ভব হবে। খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য আমরা থার্ড পার্টি বা রিকভারি পার্টি (বিচ্ছু বাহিনী) ব্যবহার করছি, যারা লাইসেন্স নিয়ে খেলাপিদের বাড়ির সামনে গিয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ডিস্টার্ব করে এবং এটি ভালো কাজে আসছে। সেই সঙ্গে যারা পরিস্থিতির কারণে খেলাপি হয়ে পড়েছে, তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি এবং কীভাবে তাদের খেলাপি থেকে মুক্ত করে ব্যবসা-বাণিজ্য আবার সচল করা যায়, সে বিষয়ে তাদের পরামর্শ নিচ্ছি। প্রয়োজনে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছি।
খবরের কাগজ: আপনি তো দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন, সেখান থেকে প্রিমিয়ার ব্যাংকে নতুন বিনিয়োগ আসছে কি?
আরিফুর রহমান: সম্ভাবনা আছে। এরই মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। এতে ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা আরও জোরালো হবে।
খবরের কাগজ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় (ইকবাল সেন্টার) ছাড়ার বিষয়ে যে আলোচনা চলছে, তার কারণ কী?
আরিফুর রহমান: বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আমাদের বলা হয়েছে, এই ভবনের ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি- অন্য ভবনের তুলনায় প্রায় সাত-আট গুণ বেশি, ৫৬০ টাকা প্রতি বর্গফুট। এ ছাড়া চুক্তির মাধ্যমে মালিকরা আগেই ৩০০ কোটি টাকা অ্যাডভান্স নিয়ে রেখেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক খরচ কমানোর নির্দেশ দেওয়ার পর মালিকরা হয়রানি শুরু করেন (যেমন কারেন্ট/দরজা বন্ধের হুমকি)। ভবনটিতে ফায়ার এক্সিট না থাকায় এটি অত্যন্ত অনিরাপদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে এবং নিজেদের নিরাপত্তা জোরদারে কম দামে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য খোঁজ করা হচ্ছে, তবে এটি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।
খবরের কাগজ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের গ্রাহকদের উদ্দেশে আপনার বার্তা কী?
আরিফুর রহমান: গ্রাহকদের উদ্দেশে আমার বার্তা হলো, তারা যেন এই ব্যাংকটিকে ‘নিজের মাটির ঘট মনে করেন’। গ্রাহকদের টাকা এখানে শতভাগ সুরক্ষিত। আমরা চাই, এটি একটি ‘পারিবারিক এবং মানবিক ব্যাংক’ হিসেবে কাজ করুক, যা পরিবারের মুরব্বির মতো গ্রাহকের বিপদের সময় আর্থিক প্রয়োজনে এগিয়ে আসবে।