সীমান্ত নিয়ে আবারও সামরিক সংঘাতে জড়াতে পারে চীন ও ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে উঠে এসেছে এ তথ্য।
সোমবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ওই মূল্যায়ন প্রকাশ করা হয়েছে ডিরেক্টর অব ইন্টিলিজেন্স কমিটির (ডিএনআই) দপ্তর থেকে।
ডিএনআই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তারা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবেও ভূমিকা রাখে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘চীন ও ভারতের বিতর্কিত সীমান্ত তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বাধা সৃষ্টি করবে। ২০২০ সালের পর দুই পক্ষ সীমান্তে কোনো বড় ধরনের সংঘাতে না জড়ালেও তারা সেখানে ব্যাপক পরিমাণে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে যেকোনো ভুল তথ্যের কারণে সশস্ত্র সংঘাত দেখা দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
মূল্যায়নে আরও বলা হয়েছে, চীন নিজ ভূখণ্ডের বাইরে একাধিক দেশে সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলতে চাইছে। এ রকম দেশের তালিকায় আছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের নাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত শক্তি প্রদর্শন ও বিদেশে চীনের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যেই এ কাজ করছে তারা।
ডিএনআইয়ের প্রতিবেদনে চীনের সামরিক সক্ষমতা সম্প্রসারণ পরিকল্পনা, তাদের আগ্রাসী সাইবার কর্মকাণ্ড ও ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চীনের প্রভাব বিস্তারের মতো বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক সমস্যাও ঠাঁই পেয়েছে এতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দুই দেশই লাদাখ সীমান্ত এলাকায় প্রায় ৫০ হাজার করে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। ভারত আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া সম্ভব নয়। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস