যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অধীনস্থ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার পর দেশের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে কোপেনহেগেন প্রশাসন।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা ফক্স নিউজ।
দেশের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বার্ষিক ২ বিলয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে’ গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি।
গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) গ্রিনল্যান্ড ও ফারাও দ্বীপের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই বরাদ্দ পাশ করেছে কোপেহেগেন প্রশাসন। আর্কটিক সমুদ্র অঞ্চলের জন্য তিনটি নিরাপত্তা টহল নৌযান কিনতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া দুটি দুরপাল্লার ড্রোন ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির উন্নয়নও এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ জরুরি ছিল জানিয়ে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ট্রোয়েলস লান্ড পোউলসেন বলেন, ‘আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে আমাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা সংকটাপন্ন। বিষয়টি স্বীকার করতেই হবে। এ কারণেই প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নিশ্চিতের বিকল্প নেই।’
এর আগে কয়েকদফা ট্রাম্পের হুমকি সত্ত্বেও গ্রিনল্যান্ড হস্তান্তরে অনাগ্রহ প্রকাশ করে কোপেনহেগেন।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডরিক এরিকসেন বার্লিন, প্যারিস ও ব্রাসেলস প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই সফরে পশ্চিমা রাষ্ট্রজোট ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন।
বহির্বিশ্বের আক্রমণ ঠেকাতে ইউরোপীয় ঐক্যের বিকল্প নেই মন্তব্য করে এরিকসেন বলেন, ‘আমরা অনিশ্চিত একটা পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। সমগ্র ইউরোপ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এখনই সময়।’ সূত্র: ফক্স নিউজ
নাইমুর/