ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের

আল-জাজিরা বিশ্লেষণ ভূখণ্ড দখলের লক্ষ্যে সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলা!

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৪৬ এএম
আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৪৬ এএম
ভূখণ্ড দখলের লক্ষ্যে সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলা!
আসাদ সরকারের পতনের পর থেকেই সিরিয়াকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল সিরিয়ার বেশকিছু অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে। এরই মধ্যে এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে দামেস্ক। তারা বলছে, এটি তাদের সার্বভৌমত্বের ন্যক্কারজনক লঙ্ঘন। কিন্তু কেন এ হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল?

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, সিরিয়ার জন্য ‘ভবিষ্যৎ হুঁশিয়ারি’ হিসেবে এ হামলাগুলো চালাচ্ছে তারা। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল শারার প্রচলিত ডাকনাম ‘জোলানি’ ব্যবহার করে কাটজ তাকে বলেছেন, আপনি যদি সিরিয়ার ওপর দিয়ে শত্রুভাবাপন্ন বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেন এবং ইসরায়েলি নিরাপত্তা স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলেন, তা হলে আপনাকে চড়া মূল্য দিতে হবে। তবে শত্রুভাবাপন্ন বাহিনী বলতে কাটজ কী বুঝিয়েছেন তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

ঠিক কোথায় কোথায় হামলা হচ্ছে 

সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, ইসরায়েলি অভিযানে ২ এপ্রিল হামা বিমান ঘাঁটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েক ডজন আহতও হয়েছে। ইসরায়েল মধ্য সিরিয়ার পালমিরার কাছে টি৪ বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। এটি ছিল দেশটির সবচেয়ে বড় ও কৌশলগত বিমান ঘাঁটি। 

টি৪-এর সঙ্গে দামেস্ক ও হোমসের সড়ক সংযোগ রয়েছে। এ কারণে এটি রসদসংক্রান্ত সুবিধাও পায়। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, তুরস্ক ওই ঘাঁটিতে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিমান স্থাপনে আগ্রহী ছিল।   

গত বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল সিরিয়ার দক্ষিণের প্রদেশ দেরার নাওয়া অঞ্চলে গোলাবর্ষণ করেছে। সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ বলছে, এতে ৯ জন মারা গেছে এবং অনেকে আহত হয়েছে।
  
ইসরায়েল ও সিরিয়ার সম্পর্ক কেমন

সিরিয়া ও ইসরায়েলের কখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সম্পর্ক ছিল না। বাশার আল-আসাদ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর আল শারা নিশ্চিত করেন যে তার বা তার সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে লড়াইয়ের ইচ্ছা নেই এবং তারা সিরিয়াকে বাইরের কোনো শক্তির আক্রমণ চালানোর স্থল হতে দেবে না।

আল শারা সিরিয়ায় ইসরায়েলের আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে অধিকৃত গোলান মালভূমি ছাড়িয়ে ইসরায়েলি বাহিনী যে সীমানা সম্প্রসারণ করছে, সেটিরও নিন্দা করেছেন তিনি।

অন্যদিকে ইসরায়েলের নেতৃস্থানীয়রা সিরিয়ার নতুন সরকারকে দেখছে ‘ইদলিবের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে, যারা জোরপূর্বক দামেস্ক দখল করেছে।

সিরিয়ার কাছে আসলে কী চায় ইসরায়েল

ইসরায়েল নিজের কর্মকাণ্ডের সাফাইয়ে বলছে যে পুরোটাই তারা করছে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অস্বাভাবিক কিছু চাহিদা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আল-জাজিরা।  

ফেব্রুয়ারির শেষে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা এইচটিএস গোষ্ঠী বা সিরিয়ার নতুন সামরিক বাহিনীকে দামেস্কের দক্ষিণে প্রবেশ করতে দেব না।’

সিরিয়ার সীমান্তে একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল দখল করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ছাড়া আসাদ সিরিয়া ছেড়ে পালানোর সঙ্গে সঙ্গে ইয়ারমৌক নদীর গতিপথ ও আল ওয়াহেদা ড্যাম– এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পানিসম্পদ ইসরায়েল দখলে নিয়েছে। 

নেতানিয়াহু এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে তারা সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান করবেন। সিরিয়ার লেখক রবিন ইয়াসিন কাসসাব জানান, তিনি অবাক হননি যে ইসরায়েল আরও ভূখণ্ড দখল করতে চায়। কাসসাব বলেন, ইসরায়েল সুযোগসন্ধানী, তারা সব সময়ই চায় দায়হীনভাবে কিছু করে ফেলতে। যদি তারা দায়হীনভাবে আরও ভূখণ্ড নিতে পারে, তারা আরও ভূখণ্ড নিয়ে যাবে।’    

ইসরায়েলের কী অন্য উদ্দেশ্য আছে

ইসরায়েল সিরিয়ায় তুরস্কের প্রভাব কমাতে আগ্রহী। অন্তত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আলোচনায় উপস্থিত সূত্ররা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তাই জানিয়েছেন। 

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানিয়েছিল যে তাদের স্বার্থে হলেও যাতে রাশিয়া নিজেদের ঘাঁটি সিরিয়ায় রাখে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বিস্মিত করেছিল।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সারের অভিযোগ, আঙ্কারা ‘নেতিবাচক প্রভাব’। তিনি বলেন, ‘তারা (তুরস্ক) নিজেদেরকে সিরিয়ার সুরক্ষাদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বোচ্চটা করছে।

তুরস্ক সিরিয়ার আক্রমণ নিয়ে কী বলছে?

গত বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলকে অবশ্যই সিরিয়া থেকে সরে যেতে হবে। মন্ত্রণালয়টি আরও বলেছে, ‘পুরো এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসরায়েলকে অবশ্যই প্রথমে সম্প্রসারণ নীতি বাদ দিতে হবে, অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করতে হবে এবং সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় বাধা দেওয়া থামাতে হবে।’

বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে লড়ার সময় সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সমর্থনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল তুরস্ক। বর্তমানে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তাদের দৃঢ় যোগাযোগ রয়েছে।

সিরিয়া কী করতে পারে?

সিরিয়া মাত্রই ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধ পার করেছে। বর্তমানে দেশটি বাহ্যিক ও আর্থিকভাবে বেশ দুর্বল। আল শারার হাতেও খুব অল্পসংখ্যক পরিচিত ব্যক্তি রয়েছে, যাদের কাছে তিনি সহায়তা চাইতে পারেন। 

এ প্রসঙ্গে কাসসাব বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সরকারের যোদ্ধারা লড়াই করছে না। সিরিয়ার শহরগুলোর স্থানীয় জনসাধারণ নিজেদের প্রতিরক্ষায় লড়াই করছে। তিনি আরও বলেন, হোমস ও হামার স্থানীয়রা ইসরায়েলকে পিছু হটানোর জন্য চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি গণমাধ্যম এই স্থানীয়দের এইচটিএসের যোদ্ধা বলে প্রচার করছে। এর আগে দক্ষিণ সিরিয়ায় হামলা চালাতেও তারা একই কাজ করেছিল। 

কাসসাব আরও বলেন, ‘এটি ভয়াবহ যে আন্তর্জাতিক কমিউনিটি ইসরায়েলকে দমানোর জন্য কিছুই করছে না।’ সূত্র: আল-জাজিরা

তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার
ছবি: সংগৃহীত

এবার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের আট শীর্ষ নেতাকে বহিষ্কার করেছেন দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, জাভেদ আহমেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন, অরূপ বিশ্বাস এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তী। দলবিরোধী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিখিল ভারত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রথমে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই শোকজের উত্তর পাওয়ার আগেই কালবিলম্ব না করে দুপুরে তাদের দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়। দলের বিরুদ্ধে গোপন বৈঠক ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এই চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া এক গভীর সাংগঠনিক ফাটল। গত সোমবার কলকাতার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। ২০২২ সালে সর্বশেষ কমিটি গঠনের পর নতুন কমিটি না হওয়াকে কেন্দ্র করেই এই সাংগঠনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই বৈঠকে দলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার অন্তত ৭০ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত ভোটে ৩০ সদস্যের একটি নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। 

বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে প্রবীণ নেতা ও হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে তাদের নতুন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছে। নতুন এই কমিটিতে সহ-সভাপতি বা ভাইস চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পেয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথীন ঘোষ এবং সাবিনা ইয়াসমিন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান ও সন্দীপন সাহাকে। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আখরুজ্জামান আনসারিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

ওই বৈঠক ও কমিটি গঠন করায় ক্ষুব্ধ হন মমতা। তিনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলানোর কারণে তার ঘনিষ্ঠ ৮ নেতাকে গতকাল বহিষ্কার করেন। বহিষ্কৃত এই আটজন সিনিয়র নেতা ও বিধায়ক ইতোমধ্যেই বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রতের ‘আসল’ তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ও দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নিজের দিকে টেনে নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আগামী দিনে এই তালিকায় আরও নতুন নাম যুক্ত হতে পারে। তিনি জেলা সভাপতি ও জেলা কমিটি গঠনেরও ঘোষণা দেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও তারা অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তারা চান ‘দিদি’ মেন্টর বা অভিভাবকের ভূমিকা পালন করুন এবং তাদের পথ দেখান। 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি

হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে রেকর্ড ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। এ তথ্য প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।

এই অর্জনকে ‘সর্বকালীন রেকর্ড’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প লিখেন, ‘তেলের দাম হু হু করে কমছে এবং বিশ্ব এখন অনেক বেশি নিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে!’ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হওয়াকে নিজের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছেন ট্রাম্প।


তবে ট্রাম্পের দেয়া এই পরিসংখ্যান এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। গত কয়েক মাসের যুদ্ধের কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল।

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ। ফ্রান্সসহ বেশির ভাগ দেশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বা তারও বেশি। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ফ্রান্সে। প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে গত কয়েক দিনে দেশটিতে পানিতে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকের পর জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে তাপপ্রবাহসম্পর্কিত ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই তরুণ।

তিনি বলেন, ‘এরা এই সংকটের প্রথম শিকার।’ প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে দেশজুড়ে জনজীবনে চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফরাসি আবহাওয়া সংস্থা মেটিও-ফ্রান্স জানিয়েছে, সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত রাতটি ছিল ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হওয়া রেকর্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ রাত। গড় তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০১৯ সালের আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তীব্র গরমে ফ্রান্সের বহু শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভেঙেছে। বোর্দো ও পোয়াতিয়েরসহ একাধিক শহরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫৪টি অঞ্চলে রেড হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেকেই অনুমোদনহীন নদী ও জলাশয়ে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া দুই শিশু এবং বয়স্ক কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্ত করা হচ্ছে, যা তাপপ্রবাহ-সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউরোপজুড়ে চলমান এই তাপপ্রবাহ যুক্তরাজ্য ও স্পেনকেও প্রভাবিত করেছে। যুক্তরাজ্যে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। স্পেনের কিছু এলাকায়ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আল-জাজিরা/এসএন

ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। ফলে সেখানে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও চালানো হয়েছে ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং ইসরায়েল বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চালানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশদভাবে খতিয়ে দেখেছে এই কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধ ছাড়াও ২০১৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের নিশানা করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরলীধরন এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছে ও হত্যা করেছে।'

শিশুদের টার্গেট করার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিনি জনগণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

থিওটোনিয়াস/

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল
রাশিয়ার তুপোলেভ তু-১৬০ (Tu-160) বোমারু বিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিক অঞ্চলে বিশেষ টহল দিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ‘তুপোলেভ তু-১৬০’ (Tu-160) স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমানগুলো বেরেন্টস এবং নরওয়েজিয়ান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে এই উড্ডয়ন সম্পন্ন করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই দীর্ঘ মিশনে বোমারু বিমানগুলোর সুরক্ষায় সঙ্গে ছিল ‘মিগ-৩১’ ফাইটার জেট। নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী আর্কটিক অঞ্চলে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরার বিশেষ মহড়াও  সম্পন্ন করেছে বিমানগুলো। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কিছু অংশে বিদেশি যুদ্ধবিমান রুশ বহরটিকে অনুসরণ বা ছায়ার মতো তাড়া করেছিল বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, 'রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সের সমস্ত ফ্লাইট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে পরিচালনা করা হয়েছে।'

বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনা এবং নতুন ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই রাশিয়া ও বেলারুশ তাদের প্রথম যৌথ পারমাণবিক মহড়া সম্পন্ন করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এই পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তবে চলতি মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার ওপর আগে হামলা না হলে তারা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশে আক্রমণ করবেন না।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি নিবন্ধে সতর্ক করে লিখেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সামরিক সহায়তা প্রদান এবং ইউরোপের ক্রমাগত সামরিকীকরণ পরিস্থিতিকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার ফলাফল হবে পুরো পৃথিবীর জন্য মারাত্মক বিপর্যয়কর। সূত্র: আরটি

আজহার/