প্রশিক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনা করার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর একটি সামুদ্রিক টহল বিমান বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর পোহাং-এর একটি সামরিক ঘাঁটির কাছে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় বিমানটির চারজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।
দেশটির নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, পি-৩ বিমানটি প্রশিক্ষণ মিশনে বিমানঘাঁটি ছেড়ে যাওয়ার প্রায় ছয় মিনিট পর স্থানীয় সময় দুপুর ১:৪৩ (০৪৪৩ GMT) বিধ্বস্ত হয়। তবে বিমান বিধ্বস্তের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।
এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নৌবাহিনীর বিমান বিধ্বস্তে চার আরোহীর সবাই মারা গেছেন। তাদের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তবে বিমান বিধ্বস্তের স্থানে বেসামরি বেসামরিক কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। এই ঘটনায় দেশটির নৌবাহিনী একটি তদন্ত টাস্কফোর্স গঠন করেছে। পাশাপাশি সাময়িকভাবে নৌবাহিনীর বহরে থাকা সব পি-৩ বিমানের উড্ডয়ন-অবতরণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
পোহাংয়ের জরুরি সেবাবিষয়ক কার্যালয় বলেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে একটি বিমান পাহাড়ি এলাকার ভবনের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি মোতায়েন করা হয়। বিধ্বস্তের পরপরই নৌবাহিনীর ওই বিমানে আগুন ধরে যায়।
গত ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেজু এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৮১ আরোহীর মধ্যে মাত্র দু’জন বেঁচে যান। দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান চলাচলের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনাগুলোর একটি ছিল জেজু এয়ারের এই দুর্ঘটনা। সূত্র: রয়টার্স
সুলতানা দিনা/