ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গোল করেই রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসালেন এমবাপ্পে বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বোগডানোভিচ জন্মদিনের আগের রাতে ঝলমলে মেসি রাউন্ড ৩২-এ আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কে? আর্জেন্টিনার ৫ গোলের ৫টিই মেসির পাঁচ বছর পর আবারও আইসিসির মাসসেরা মুশফিক বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচে গোলের কীর্তিতে নাম লেখালেন মেসি মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা গ্যালারির সবচেয়ে ব্যতিক্রমী মুখটি এবার বিশ্বকাপে মেসির রেকর্ড গড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে আর্জেন্টিনা ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি অপ্রত্যাশিত এক রেকর্ড মেসির পেনাল্টি মিস করলেন মেসি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দশমিকের হিসাবে আটকে আছে তামাক কর, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার দক্ষিণ এশীয় শিশু সুরক্ষা সম্মেলনে যোগ দিতে কলম্বো পৌঁছেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেনা মোতায়েন সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে পরিবর্তন মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলায় প্রধান শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৮ গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩৪ নেতাকর্মী আটক সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে আসল র‍্যাবের হাতে নকল র‍্যাব সদস্য গ্রেপ্তার সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত সুরে সুরে শেষ হলো বিশ্ব সংগীত দিবসের বর্ণিল আয়োজন টাইব্রেকারে জামালপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মাগুরা প্রকৃত মুমিন নিজেকে কীভাবে সামলে নেয়? সহিংসতা এড়াতে গোপালগঞ্জেও পৌঁছেছে সেনাবাহিনী

বিশ্লেষণ পাকিস্তান ও তালেবান সম্পর্ক পুনর্গঠন সহজ হবে না যেসব কারণে

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:১৪ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৫৮ পিএম
পাকিস্তান ও তালেবান সম্পর্ক পুনর্গঠন সহজ হবে না যেসব কারণে
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সম্পর্কের সাম্প্রতিক অবনতি—যা এখন কার্যত মুখোমুখি সংঘাতে রূপ নিয়েছে—তা কয়েক বছর আগেও কল্পনা করা কঠিন ছিল। কারণ ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান যখন কাবুলে ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখন ইসলামাবাদের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্ব তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিল।

পাকিস্তানের ধারণা ছিল, তালেবান সরকার পাকিস্তান-সমর্থক হবে এবং দেশটির নিরাপত্তার জন্য একপ্রকার ঢাল হিসেবে কাজ করবে। শেষ পর্যন্ত, আফগান তালেবান আন্দোলনকে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করে এসেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

দ্বিমুখী নীতি ও সম্পর্কের ভাঙন
২০০১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত পাকিস্তান এক ধরনের পরস্পরবিরোধী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপকে সমর্থন করে এবং আফগানিস্তানে মার্কিনপন্থী সরকারগুলোকে স্বীকৃতি দেয়; অন্যদিকে, গোপনে তালেবান পুনরুত্থানকে সহায়তা করে, এমনকি তাদের আশ্রয় দেয় পাকিস্তানের ভেতরে।

কিন্তু সেই সম্পর্ক এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানি বিমানবাহিনী কাবুলে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

দুই পক্ষের পারস্পরিক প্রত্যাশা ও পরস্পরের সক্ষমতাকে অবমূল্যায়নের কারণে পুরনো বন্ধুত্ব পুনর্গঠন এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

দুই দেশের জন্য কী ঝুঁকি তৈরি হয়েছে
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই দেশটির আফগাননীতি নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখে। ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, এমনকি বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সেনাবাহিনী সবসময় প্রভাবশালী ছিল।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর নজিরবিহীন হামলার ঢল নেমেছে। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসেই নিহতের সংখ্যা ২,৪০০ ছাড়িয়েছে, যা গত বছরের ১২ মাসের মোট সংখ্যার কাছাকাছি।

পাকিস্তান এসব হামলার অধিকাংশের জন্য দায়ী করছে পাকিস্তানি তালেবান বা টিটিপি-কে (Tehreek-e-Taliban Pakistan), যাদের নেতৃত্ব বর্তমানে আফগানিস্তানে অবস্থান করছে। টিটিপি সদস্যদের বেশিরভাগই পাকিস্তানের আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতীয় অঞ্চল থেকে আগত।

ইসলামাবাদের আশা ছিল, কাবুলে তালেবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে টিটিপি নেতারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাবে। কিছু যোদ্ধা ফিরে এলেও সহিংসতা কমেনি। টিটিপি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ইসলামি আইন বাস্তবায়ন ও পূর্বের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে।

দেশের ভেতরে এই সহিংসতা এখন পাকিস্তানের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি দেশটি অর্থনৈতিক স্থবিরতা, ভারতের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা—বিশেষত গত মে মাসের সংঘাত—রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো বহুমাত্রিক সঙ্কটে জর্জরিত।

পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের বাহিনীর সংঘর্ষে আহত এক ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য সীমান্তবর্তী পাকিস্তানি শহর চামানের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয়রা। ছবিটি ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের

তালেবানের অবস্থান
আফগান তালেবান নেতৃত্বের দাবি, টিটিপি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা এবং সেটি ইসলামাবাদকেই সমাধান করতে হবে। ২০২২ সালে তালেবান সরকার টিটিপি ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে কাবুলে আলোচনার মধ্যস্থতা করেছিল। প্রাথমিক অগ্রগতি দেখা দিলেও, কিছুদিনের মধ্যেই সেই আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দেয়।

তালেবান সরকার এখনো আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন ও নিষেধাজ্ঞার মুখে। চার বছর পার হলেও কেবল রাশিয়াই তাদের সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে চীন, ভারত ও ইরানসহ বেশ কিছু দেশ কাবুলে তালেবান প্রতিনিধিদের স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

দেশটির অর্থনীতি প্রায় ভেঙে পড়েছে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার মতো জনসেবা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার লড়াই করছে। খাদ্যসংকট ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখে জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলোর তহবিলও কমে গেছে। পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এই সঙ্কট আরও বাড়িয়ে তুলবে।

পুরনো সম্পর্ক কি ফিরবে?
দুই পক্ষই আপাতত নিজেদের অবস্থানে অনড়। যদিও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কেউই দুর্বল দেখাতে রাজি নয়।

একসময় উদযাপন করা সেই তালেবান সরকারকে এখন পাকিস্তানের সরকারি বিবৃতিতে “শাসনব্যবস্থা” (regime) বলা হচ্ছে। ইসলামাবাদ কাবুলে “অন্তর্ভুক্তিমূলক” সরকার গঠনের আহ্বান জানাচ্ছে এবং সতর্ক করছে, টিটিপি দমন না করলে আফগান ভূখণ্ডে হামলা অব্যাহত থাকবে।

পাকিস্তানের সামরিক শক্তি, উন্নত প্রযুক্তি ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব তালেবানের চেয়ে অনেক বেশি। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ এবং একাধিক ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে।

১৯৮০-এর দশক থেকে পাকিস্তান লাখ লাখ আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। তাদের অনেকেই পাকিস্তানের শহরে শিক্ষিত হয়ে জীবিকা গড়ে তুলেছে। ইসলামাবাদের মতে, এই ঐতিহাসিক সহায়তার কারণে আফগানদের পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। তাই শরণার্থীদের দেশে ফেরত পাঠানো এখন পাকিস্তানের কূটনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানি নেতাদের দৃষ্টিতে, তাদের দেশ একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র—যার বিশ্বজুড়ে মিত্র রয়েছে—তাই যে কোনো আফগান সরকার, বিশেষ করে পাকিস্তান-সমর্থিত তালেবান, ইসলামাবাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে বলে তারা মনে করে।

অন্যদিকে, তালেবান নিজেদের দেখে বিদেশি দখলদার শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী যোদ্ধা হিসেবে। তাই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সংঘাতকেও তারা তুচ্ছ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করে।

তথ্যযুদ্ধ ও উত্তেজনা
তালেবান মুখপাত্ররা পাকিস্তানের বর্ণনাকে পাল্টা আক্রমণ করছেন। তারা দাবি করেছেন, পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী উপজাতীয় এলাকায় আইএস (ISIL) যোদ্ধারা সক্রিয়, এবং সেনাবাহিনীর কিছু অংশ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল।

তবে ভৌগোলিকভাবে স্থলবেষ্টিত দেশ আফগানিস্তান বাণিজ্যের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল। সীমান্ত বন্ধ থাকায় দুই দেশের ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তালেবানের হাতে আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার বা উন্নত অস্ত্র নেই—তাই পাকিস্তানি ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ঠেকানোর ক্ষমতাও সীমিত।

উত্তেজনা প্রশমনের পথ
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের টিটিপি-বিরোধী অভিযানের সঙ্গে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের যোগসূত্র টানছে। ইসলামাবাদের দাবি, টিটিপি-কে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা সমর্থন দিচ্ছে—যদিও এর কোনো প্রমাণ নেই। পাকিস্তানের আশা, তালেবান টিটিপি থেকে দূরত্ব বজায় রাখবে এবং ইসলামাবাদের পাশে থাকবে।

কিন্তু টিটিপি ও আফগান তালেবান একই আদর্শে বিশ্বাসী, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সামাজিক বন্ধন তাদের এক করেছে। টিটিপি’র বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তালেবান অভ্যন্তরীণ বিভাজনের মুখে পড়বে, যা ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ (আইএসকেপি)-এর মতো জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

যদিও সামরিক দিক থেকে পাকিস্তান শক্তিশালী, তবু তালেবানেরও কিছু কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। যদি কান্দাহারভিত্তিক সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুনজাদা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফতোয়া দেন, তা ইসলামাবাদের জন্য বড় সংকটে পরিণত হবে। কারণ, টিটিপি ইতোমধ্যে তাঁর প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছে, এবং পাকিস্তানের বহু মাদ্রাসা ছাত্র ও ধর্মীয় নেতা তাঁকে ধর্মীয়ভাবে সম্মান করেন।

একই সঙ্গে পাকিস্তানের ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোও তালেবানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে যেতে চাইবে না। অন্যদিকে, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা বাড়লে আফগান জনগণের মধ্যে বিদ্যমান অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও তালেবান সরকারের প্রতি সমর্থন বেড়ে যেতে পারে।

সমাধানের পথ
অতিরিক্ত সংঘাত এড়াতে ও সংলাপ পুনরায় শুরু করতে এখন প্রয়োজন এমন এক নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর, যিনি দুই পক্ষেরই আস্থা অর্জন করতে পারেন। এই ভূমিকার জন্য উপযুক্ত হতে পারে কাতার ও সৌদি আরবের মতো মুসলিম দেশগুলো।

এরই মধ্যে এর ইতিবাচক প্রমাণও দেখা গেছে। গত সপ্তাহে ভারতের নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাক্কি জানিয়েছেন, কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা বন্ধ করেছে।

তবে এর আগে প্রয়োজন সত্যিকারের শান্তিচেতা নেতৃত্ব—উভয় দেশের পক্ষ থেকেই।

যখন পাকিস্তান ও আফগান কর্মকর্তারা একে অপরকে হুমকি দিচ্ছেন এবং সীমান্তে বারবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে, তখনও তারা জানে—যুদ্ধ তাদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে।

তবে সেটি এই অর্থে নয় যে, দুই দেশের সম্পর্ক শিগগিরই আগের উষ্ণতায় ফিরে আসবে বা ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা নেই।

ভূগোল ও ইতিহাস আফগানিস্তান ও পাকিস্তানকে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল করে রেখেছে—এই বাস্তবতাকে কাজে লাগাতে হবে।

দশকের পর দশক ধরে ব্যর্থ নীতির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে। আফগান নেতাদের উচিত পাকিস্তানের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা, আর পাকিস্তানকে প্রয়োজন আফগানিস্তানের প্রতি এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি, যা ভারতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার রঙে রঞ্জিত নয়।

বিশ্ব আরেকটি আফগানিস্তান-পাকিস্তান যুদ্ধ চায় না। কারণ যুদ্ধ কখনো শান্তির চেয়ে ভালো ফল বয়ে আনে না। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

 

পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম
অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশটিতে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এক দশকের মধ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

মাত্র গত সপ্তাহে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার পার্লামেন্টে ফেরা বার্নহ্যামকে স্টারমারের উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েস স্ট্রিটিংও তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) ডাউনিং স্ট্রিটের ১০ নম্বর বাসভবনের সামনে আবেগঘন ভাষণে পদত্যাগের ঘোষণা দেন স্টারমার। কণ্ঠ ভারী হয়ে আসা ভাষণে তিনি স্বীকার করেন, দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর তিনি লেবার পার্টির সংসদ সদস্যদের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি জানান, নতুন লেবার নেতা এবং সেই সূত্রে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পথ সুগম করতে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান রাজা তৃতীয় চার্লসকে তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।

স্টারমার বলেন, ‘নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব এবং সুশৃঙ্খলভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’

এ সময় স্ত্রী ভিক্টোরিয়া ও দুই সন্তানকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে কনজারভেটিভ পার্টিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ১৪ বছর পর লেবার পার্টিকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়েছিলেন স্টারমার। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার সরকার একের পর এক নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন, মন্ত্রীদের পদত্যাগ এবং জনসমর্থন হ্রাসের কারণে চাপে পড়ে।

লেবারের আস্থাহীনতা

লেবার পার্টির সংসদ সদস্যদের একাংশ মনে করেন, অভিবাসনবিরোধী ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকের উত্থান ঠেকাতে স্টারমার আর সক্ষম নন। জাতীয় জনমত জরিপগুলোতেও দলটি এগিয়ে রয়েছে।

মে মাসে স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে লেবারের ভরাডুবির পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। গত সপ্তাহে বার্নহ্যামের উপনির্বাচনে জয় সেই চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।

যদিও স্টারমার আগে বলেছিলেন তিনি যেকোনো নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন, তবে বার্নহ্যামের জয়ের পর দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী তাকে জানান যে তার সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

স্টারমার বলেন, ‘আমার দল এখন নিজেকে প্রশ্ন করছে, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি কি সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি?’

‘আমার সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং সেটি আমি সাদরে গ্রহণ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, সবসময় আমার প্রিয় দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েই নিয়েছি। আর সে কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

সেপ্টেম্বরে নতুন নেতা

স্টারমার জানান, তিনি লেবারের জাতীয় নির্বাহী কমিটিকে (এনইসি) নতুন নেতা নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলেছেন। আগামী ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন গ্রহণ শুরু হবে।

তার ভাষ্য, ‘এর ফলে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ শেষে সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব নিতে পারবেন।’

ভাষণ শেষে স্ত্রীকে আলিঙ্গন করেন স্টারমার। এ সময় ব্রেক্সিটবিরোধী এক কর্মী কাছাকাছি একটি সড়ক থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংগীত ‘ওড টু জয়’ বাজিয়ে তার বক্তব্যে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করেন।

এদিকে এক্সে দেওয়া পোস্টে বার্নহ্যাম বলেন, ‘এই পরিবর্তন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীলভাবে সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। আমি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করব।’

অল্প সময়ের মধ্যেই সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং ঘোষণা দেন, তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না; বরং বার্নহ্যামকে সমর্থন করবেন।

স্ট্রিটিং বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বার্নহ্যামের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অস্তিত্বের এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার সক্ষমতা বার্নহ্যামের রয়েছে।’

‘পরিবর্তনের শেষ সুযোগ’

গত সপ্তাহে উপনির্বাচনে জয়ের পর বার্নহ্যাম বলেছিলেন, লেবারের সামনে এটি ‘পরিবর্তনের শেষ সুযোগ’।

৫৬ বছর বয়সী বার্নহ্যাম লেবারের বিশাল সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে থাকলেও, তার জনপ্রতিনিধিত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ ইতোমধ্যে আগাম সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বার্নহ্যাম ২০০০-এর দশকে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি গ্রেটার ম্যানচেস্টরের মেয়র ছিলেন।

সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তিনি সহজেই রিফর্ম ইউকের প্রার্থীকে পরাজিত করেন। তবে লেবারের ‘সফট-লেফট’ ঘরানার এ নেতা ক্ষমতায় এলে কী ধরনের নীতি অনুসরণ করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি। এতে দলের কিছু সংসদ সদস্যের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি অর্থমন্ত্রী র‌্যাচেল রিভসকে সরিয়ে দিতে পারেন, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদকে বহাল রাখতে পারেন। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে আবারও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসার দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

সোমবার (২২ জুন) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা দেশের দায়িত্ব নেবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে গত ১০ বছরের মধ্যে সপ্তম নেতা পেতে যাচ্ছে ব্রিটেন।

ব্রিটিশ রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার। তবে দলের ভেতর থেকে তীব্র চাপের মুখে অবশেষে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে স্টারমার বলেন, ’এটা স্পষ্ট যে, আমার দল পরিবর্তন চাইছে। আমার সংসদীয় দল এখন প্রশ্ন তুলছে যে- পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি কি না। আমি আমার সহকর্মীদের সেই বার্তা বুঝতে পেরেছি এবং সানন্দে তা গ্রহণ করছি।’

থিওটোনিয়াস/

ক্যারিবীয় সাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ২

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
ক্যারিবীয় সাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ২
প্রতীকী ছবি।

ক্যারিবীয় সাগরে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারীদের একটি নৌযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলায় দুই জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (২১ জুন) মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম)  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, নৌযানটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের পরিচিত মাদক পাচার রুট দিয়ে চলছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘সাউদার্ন স্পিয়ার’-এর অধীনে ক্যারিবিয়ান সাগরে এই অভিযান চালানো হয়।

সাউথকম জানিয়েছে, তারা ‘ছয় জন পুরুষ সদস্য সম্পর্কে মার্কিন কোস্ট গার্ডকে অবহিত করেছে। তবে তাদের উদ্ধার বা বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

হামলার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নৌযানটি পানিতে চলার সময় একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বিস্ফোরিত হয়ে আগুনে পুড়ে যায়।

গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন অভিযান শুরু করার পর থেকে সর্বশেষ এই হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা অন্তত ২০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘সাউদার্ন স্পিয়ার’ অভিযান শুরু করে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন যে লাতিন আমেরিকা থেকে পরিচালিত মাদক কার্টেলগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটন কার্যত যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে।

তবে এমন হামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমান/

সাইপ্রাসে উদ্ধার মরদেহটি নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রের হতে পারে

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০২:১১ পিএম
সাইপ্রাসে উদ্ধার মরদেহটি নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রের হতে পারে
ছবি: সংগৃহীত

সাইপ্রাসের লার্নাকায় এক তরুণের মরদেহ উদ্ধারের পর ২২ বছর বয়সি একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকা এক বাংলাদেশি ছাত্রের।

রবিবার (২১ জুন) সংবাদমাধ্যম সাইপ্রাস মেইল জানায়, ঘটনাস্থলে পাওয়া ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বাংলাদেশি ছাত্রের বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ২২ বছর বয়সি এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি অপহরণের পাশাপাশি অপহৃতকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এ ছাড়াও গ্রেপ্তার তরুণকে তাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নিয়ে যায়, যেখানে তারা মরদেহ এবং একটি ছুরি খুঁজে পায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির দাবি, এই ছুরি দিয়েই হত্যা করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, গত ১২ জুন ২২ বছর বয়সি বাংলাদেশি ছাত্র শাহরিয়ার আহমেদ ইমন ওরোক্লিনির বাড়ি থেকে স্থানীয় কারখানায় কাজে যাওয়ার সময় লার্নাকা থেকে অপহৃত হন। 

এর আগে শাহরিয়ার এক বন্ধুকে নিজের অবস্থান জানিয়ে একটি বার্তা পাঠান। এছাড়া সাহায্যের জন্য তার বাবাকেও বার্তা পাঠান। এর পরই তার মােবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এরপর ছাত্রের বাবা কয়েকটি ফোন থেকে কল পান, যেসব কলে অজ্ঞাত ব্যক্তি তার ছেলের মুক্তির বিনিময়ে অর্থ দাবি করেন।

পুলিশ জানায়, মামলাটির তদন্ত চলছে।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর
ছবি: সংগৃহীত

একাধিক ড্রোন প্রতিহত করার পর, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর চারটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ভোরে পুনরায় বিমানবন্দরগুলো চালু করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২২ জুন) মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, শহরের দিকে আসা মোট ৫৯টি ড্রোনকে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইউক্রেনের শহরগুলোতে রুশ হামলার জবাবে কিয়েভ রাশিয়ার ভেতরে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে জানা যায়, তবে এসব ড্রোন ইউক্রেন থেকে এসেছে কি না, সে বিষয়ে সোবিয়ানিন স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আমান/