ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা সিটিতে একের পর এক বিমান হামলা চালিয়েছে। দখলদার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, তার নির্দেশেই এই হামলা পরিচালিত হয়েছে, যদিও কারণ নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে নেতানিয়াহু বরাবরের মতো সব দোষ হামাসের চাপিয়েছেন। তিনি হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন। তবে হামাস তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজার রাফাহ ও খান ইউনুস শহর থেকেও তীব্র গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলায় হতাহতের পরিমাণ এখনো জানা যায় নি।
গাজা সিটির বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক স্থানে আঘাত হানে। একটি মিসাইল আঘাত হানে আল-শিফা হাসপাতালের পেছনে, হাসপাতালের পুনর্নির্মিত ভবনের কাছে।
হামলার পর হাসপাতালজুড়ে রোগী ও চিকিৎসক-নার্সদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিস্ফোরণটিকে “ভয়াবহ” বলে বর্ণনা করেছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০ মিনিট দূরে ছিলাম, তবুও বিস্ফোরণের শব্দ স্পষ্টভাবে শুনেছি।”
গত আধাঘণ্টা ধরে গাজার আকাশে ব্যাপক উড়োজাহাজ ও ড্রোনের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
এই হামলা আসে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দেওয়া সাম্প্রতিক নির্দেশনার পর, যেখানে তিনি গাজায় “শক্তিশালী” আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিলেন।
এই হামলাই প্রথম নয়, মিসরে শান্তিচুক্তির পর কয়েকদফা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
শান্তি চুক্তির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “এই চুক্তি টিকবে’’। কিন্তু ইসরায়েল প্রমাণ করেছে ইসরায়েল ট্রাম্পকে গোনায় ধরে না।
সূত্র: আল জাজিরা
মাহফুজ/