ডলারের নিরিখে ধারাবাহিকভাবে পতনের ফলে বুধবার ভারতীয় মুদ্রার দাম কমে দাঁড়ায় ৯০.১১ রুপিতে। এটাই সর্বকালীন রেকর্ড।
সোমবার মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম ছিল ৮৯.৭৩ টাকা। মঙ্গলবার তা দাঁড়ায় ৮৯.৭৫ টাকায়। পরে ০.১ শতাংশ কমে দিনের শেষে নেমে আসে ৮৯.৫৫ টাকায়। কিন্তু বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ফের তা ৯০ পেরিয়ে গেল!
কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এর পেছনে রয়েছে নানা ফ্যাক্টর। যার মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি অন্যতম। এর পাশাপাশি ট্রাম্পের চাপানো শুল্কের চাপও রয়েছে। একদিকে রপ্তানি কমেছে। অন্যদিকে ধাক্কা খেয়েছে উৎপাদন ক্ষেত্র। তৈরি হয়েছে একটা অনিশ্চয়তা। ফলে একদিকে যেমন শক্তিশালী হয়েছে ডলার, অন্যদিকে তেমনই মুখ থুবড়ে পড়েছে রুপি।
আসলে আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই মার্কিন শেয়ার বাজার চাঙ্গা হতে শুরু করে। আর তারই প্রভাবে টাকার দাম পড়তে শুরু করে। ক্রমেই আরও নিম্নমুখী হয়েছে টাকা। এই পরিস্থিতিতে চলছে রাজনৈতিক বিতণ্ডাও। বিরোধীরা এই পতনের পিছনে মোদি সরকারের ‘ব্যর্থতা’ দেখছে।
উল্লেখ্য শুধু রুপি নয়, এশীয় মুদ্রাগুলের অবস্থা সব মিলিয়ে খারাপই। ডলারের সামনে ফিলিপিন্সের পেশো, ভিয়েতনামের ডং, ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াও বেকায়দায় পড়েছে। তবে এরই মধ্যে কিছুটা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে চিনের মুদ্রা, থাইল্যান্ডের ভাট ইত্যাদি। সব মিলিয়ে এশীয় বাজারে এই মুহূর্তে সবচেয়ে চাপে ভারতীয় মুদ্রাই।
সুমন/