ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন-সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির

মাদুরোকে অপহরণের নেপথ্যে বিপুল তেলসম্পদ দখলে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
মাদুরোকে অপহরণের নেপথ্যে বিপুল তেলসম্পদ দখলে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র
ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পেট্রোলিয়াম অব ভেনেজুয়েলা। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণের পর দেশটির তেল খাত নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়।

হামলার পর শনিবার এক জনসমাবেশে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পেলে ভেনেজুয়েলার তেলশিল্প অনেক টাকা আয় করতে পারবে। আমরা ভেনেজুয়েলার তেল অবকাঠামো পুনর্গঠন করব, যার খরচ হবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। এই অর্থ সরাসরি আমাদের তেল কোম্পানিগুলোই দেবে। আর আমরা তেল উৎপাদন ও প্রবাহকে ঠিক যেভাবে হওয়া উচিত, সেভাবেই ফিরিয়ে আনব।’ 

ট্রাম্পকে যখন সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন, ভেনেজুয়েলায় রাশিয়া, চীন ও ইরানের স্বার্থ আছে, এখন তাদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করবে? ট্রাম্প বলেন, ‘যেসব দেশ তেল চায়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের কাছে তেল বিক্রি করবে। আমরা তেলের ব্যবসায় আছি। আমরা তাদের কাছে তেল বিক্রি করব।’

মাদুরোকে অপহরণের পর সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই ভেনেজুয়েলায় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোকে পাঠানোর কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত

নতুন করে আলোচনায় আসা ভেনেজুয়েলার তেলশিল্প সম্পর্কে যা জানা দরকার

ভেনেজুয়েলা কত তেল উৎপাদন করে?

পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেকের সদস্য ভেনেজুয়েলা হলেও শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর তুলনায় তাদের উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কম। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক মোট উৎপাদনের ১ শতাংশেরও কম।

২০০০ দশকের শুরুতে ভেনেজুয়েলার দৈনিক তেল উৎপাদন ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি ছিল। তবে বিনিয়োগ হ্রাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক চাপের কারণে বর্তমানে ভেনেজুয়েলা তাদের বেশির ভাগ তেল চীনে রপ্তানি করে।

তুলনামূলকভাবে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ১ কোটি ৩৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে বলে জানিয়েছে এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক ও ওপেকের শীর্ষ উৎপাদক সৌদি আরব দৈনিক আনুমানিক ১ কোটি থেকে ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে, আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ার দৈনিক উৎপাদন ৯৪ লাখ ব্যারেল।

রাইস ইউনিভার্সিটির লাতিন আমেরিকা এনার্জি প্রোগ্রামের পরিচালক ফ্রান্সিসকো জে. মনালদি পূর্বাভাস দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার তেল অবকাঠামো পুনর্গঠন করে দৈনিক উৎপাদন ৪০ লাখ ব্যারেলে তুলতে অন্তত এক দশক সময় লাগবে এবং এতে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে, যা দেশটির অতীতের যেকোনো সময়ের উৎপাদনমাত্রার চেয়েও বেশি। মনালদি বলেন, ‘এই মজুতের পরিমাণের সঙ্গে কেবল মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ও কানাডার মজুতের তুলনা করা যায়।’

ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, প্রমাণিত তেল মজুতের দিক থেকে ভেনেজুয়েলার অবস্থান বিশ্বে শীর্ষে, যা ৩০৩ বিলিয়নের বেশি ব্যারেল, এটি বৈশ্বিক মোট তেল মজুতের প্রায় ১৭ শতাংশ।

ভেনেজুয়েলার তেল মজুত দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সৌদি আরবের ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেলকেও ছাড়িয়ে গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের চেয়ে ছয় গুণেরও বেশি। ভেনেজুয়েলার অধিকাংশ অনাবিষ্কৃত তেল রয়েছে ‘অরিনোকো বেল্ট’ নামে পরিচিত অঞ্চলে যা দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলজুড়ে প্রায় ২১ হাজার বর্গমাইল বিস্তৃত একটি এলাকায়।

ভেনেজুয়েলায় কি ইতোমধ্যেই কোনো মার্কিন তেল কোম্পানি কাজ করছে? 

বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় মাত্র একটি মার্কিন তেল কোম্পানি-শেভরন কাজ করছে। দেশটির মোট তেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশই আসে শেভরনের হাত ধরে। আর কোনো বড় পশ্চিমা কোম্পানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে উৎপাদনে নেই বলে উল্লেখ করেন মনালদি।

এক্সন মোবিল ও কনোকোফিলিপসসহ অন্যান্য মার্কিন জ্বালানি জায়ান্টরা ২০০৬ সাল থেকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের উদ্যোগে বিদেশি বেসরকারি তেল স্বার্থ জাতীয়করণের পর ভেনেজুয়েলা ছেড়ে যায়।

২০০৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভেনেজুয়েলার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন, যার মধ্যে তেল খাতও রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, মাদক পাচার ও সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এর পেছনে কারণ।

সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি পেত্রোলিওস দে ভেনেজুয়েলার সম্পদ জব্দ করে এবং মার্কিন নাগরিকদের ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করতে নিষেধ করে।

সর্বশেষে, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা চারটি কোম্পানি ও তাদের সংশ্লিষ্ট তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

ডিসেম্বরের শুরুতে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া সব নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেল ট্যাংকারের ওপর সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের আহ্বান জানান। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দুটি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজ জব্দ করে।

ভেনেজুয়েলায় সরকার পরিবর্তন হলে তেলের দামে কী প্রভাব পড়তে পারে?

বৈশ্বিক তেলের সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। তবে ভেনেজুয়েলার সীমিত উৎপাদনক্ষমতার কারণে তেলের দামে তাৎক্ষণিক বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। ফ্যাক্টসেটের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেলের লেনদেনে তেলের দাম সামান্য কমেছে।

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, প্রায় ২০ শতাংশ। আগের দুই বছরের পতনও এতে যুক্ত হয়েছে। শুক্রবারের লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ক্রুডের দাম নেমে আসে ব্যারেলপ্রতি ৫৭.৩২ ডলারে, যা জানুয়ারিতে প্রায় ৮০ ডলার ছিল।

এদিকে, বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলো এমন হারে বাড়ছে, যা তেলের দামে লাগাম টানতে সহায়ক—কারণ বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ উদ্বৃত্ত এবং শীর্ষ উৎপাদকদের উৎপাদন সক্ষমতাও যথেষ্ট।

স্বল্পমেয়াদে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ উঠে গেলে তেলের দাম কমতেও পারে বলে মনে করেন মনালদি। তিনি বলেন, ‘অবরোধের আগে ভেনেজুয়েলা প্রায় ৮ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। সেগুলো আবার বাজারে এলে চাপ কমবে।’

তবে দীর্ঘ সময় ধরে ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন কম থাকলে কিছু জ্বালানি খরচে প্রভাব পড়তে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, দেশটি এমন এক ধরনের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা ডিজেল তৈরির জন্য উপযোগী এবং ডিজেল বহু শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

ফলে বৈশ্বিক বাজার থেকে ভেনেজুয়েলার তেলের জোগান কমে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম বাড়তে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতিও ত্বরান্বিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা নিরপেক্ষ থিঙ্ক ট্যাংক আটলান্টিক কাউন্সিলের এক সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ। 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও মাদুরোর অপসারণের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, তার ওপরই এমন বিনিয়োগ নির্ভর করবে বলে সতর্ক করেন মনালদি। তার মতে, মার্কিন জ্বালানি উৎপাদকদের আকৃষ্ট করতে ভেনেজুয়েলাকে বাণিজ্যিক, রাজস্ব ও চুক্তিভিত্তিক প্রণোদনা দিতে হবে।

‘সম্পদের দিক থেকে ভেনেজুয়েলার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই,’ তিনি বলেন। ‘সমস্যাটা রাজনীতির।’

স্বল্পমেয়াদে বিদ্যমান উপস্থিতির কারণে শেভরনই সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে বলে মনে করেন মনালদি। পাশাপাশি কনোকোফিলিপস ও এক্সনের মতো অন্যান্য মার্কিন কোম্পানিও ভেনেজুয়েলায় আবার ব্যবসা শুরু করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সূত্র: সিবিএস নিউজ

মাহফুজ/

 

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ। ফ্রান্সসহ বেশির ভাগ দেশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বা তারও বেশি। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ফ্রান্সে। প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে গত কয়েক দিনে দেশটিতে পানিতে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকের পর জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে তাপপ্রবাহসম্পর্কিত ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই তরুণ।

তিনি বলেন, ‘এরা এই সংকটের প্রথম শিকার।’ প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে দেশজুড়ে জনজীবনে চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফরাসি আবহাওয়া সংস্থা মেটিও-ফ্রান্স জানিয়েছে, সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত রাতটি ছিল ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হওয়া রেকর্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ রাত। গড় তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০১৯ সালের আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তীব্র গরমে ফ্রান্সের বহু শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভেঙেছে। বোর্দো ও পোয়াতিয়েরসহ একাধিক শহরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫৪টি অঞ্চলে রেড হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেকেই অনুমোদনহীন নদী ও জলাশয়ে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া দুই শিশু এবং বয়স্ক কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্ত করা হচ্ছে, যা তাপপ্রবাহ-সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউরোপজুড়ে চলমান এই তাপপ্রবাহ যুক্তরাজ্য ও স্পেনকেও প্রভাবিত করেছে। যুক্তরাজ্যে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। স্পেনের কিছু এলাকায়ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আল-জাজিরা/এসএন

ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। ফলে সেখানে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও চালানো হয়েছে ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং ইসরায়েল বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চালানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশদভাবে খতিয়ে দেখেছে এই কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধ ছাড়াও ২০১৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের নিশানা করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরলীধরন এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছে ও হত্যা করেছে।'

শিশুদের টার্গেট করার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিনি জনগণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

থিওটোনিয়াস/

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল
রাশিয়ার তুপোলেভ তু-১৬০ (Tu-160) বোমারু বিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিক অঞ্চলে বিশেষ টহল দিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ‘তুপোলেভ তু-১৬০’ (Tu-160) স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমানগুলো বেরেন্টস এবং নরওয়েজিয়ান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে এই উড্ডয়ন সম্পন্ন করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই দীর্ঘ মিশনে বোমারু বিমানগুলোর সুরক্ষায় সঙ্গে ছিল ‘মিগ-৩১’ ফাইটার জেট। নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী আর্কটিক অঞ্চলে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরার বিশেষ মহড়াও  সম্পন্ন করেছে বিমানগুলো। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কিছু অংশে বিদেশি যুদ্ধবিমান রুশ বহরটিকে অনুসরণ বা ছায়ার মতো তাড়া করেছিল বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, 'রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সের সমস্ত ফ্লাইট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে পরিচালনা করা হয়েছে।'

বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনা এবং নতুন ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই রাশিয়া ও বেলারুশ তাদের প্রথম যৌথ পারমাণবিক মহড়া সম্পন্ন করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এই পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তবে চলতি মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার ওপর আগে হামলা না হলে তারা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশে আক্রমণ করবেন না।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি নিবন্ধে সতর্ক করে লিখেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সামরিক সহায়তা প্রদান এবং ইউরোপের ক্রমাগত সামরিকীকরণ পরিস্থিতিকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার ফলাফল হবে পুরো পৃথিবীর জন্য মারাত্মক বিপর্যয়কর। সূত্র: আরটি

আজহার/

ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় তিনতলা একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছেে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। 

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনতলা ওই ভবনটিতে একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টার, পোষা প্রাণীর দোকান এবং একটি লাইব্রেরি ছিল। আগুন লাগার সময় ভবনটির দ্বিতীয় তলায় অ্যানিমেশন সেন্টারের ক্লাস চলছিল। হঠাৎ আগুন লেগে চারদিক ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভেতরেই আটকে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন থেকে বাঁচতে অন্তত আটজন শিক্ষার্থী ভবন থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। এছাড়া নিচতলায় থাকা পোষা প্রাণীর দোকানে আগুনে পুড়ে চারটি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজ্যের নগর উন্নয়ন ও জ্বালানিমন্ত্রী এ কে শর্মা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে- ভবনের এসি ডাক্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পর্যাপ্ত জরুরি নির্গমন পথ না থাকায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ভবনের নিরাপত্তা মান লঙ্ঘনের বিষয়টি তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।

ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনীর ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অবহেলার অভিযোগে ভবনের তিন মালিক- রাম কৃষ্ণ উপাধ্যায়, বিরেন্দ্র প্রসাদ শুক্লা এবং তুষার কৃষ্ণ জয়সওয়ালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দায়িত্ব অবহেলার দায়ে চার সরকারি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে রাজ্য সরকার দুই সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে, যাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আলিগড়ে নির্ধারিত সফর সংক্ষিপ্ত করে লখনউয়ে ফিরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রতিটি পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক জানান, উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৩টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু

খাদিজা রুমি/অমিয়/

কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬
প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি-এর এই কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে ২০২৬ সালের ৬ মার্চের কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকা দেখা যাচ্ছে

কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীর একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত  এবং ৬৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ১২ জনই ভারতীয় নাগরিক এবং বাকি একজন পাকিস্তানি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে কাতার কর্তৃপক্ষ ও দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় কাতার এনার্জির 'বারজান লোকাল গ্যাস সাপ্লাই' কারখানায় কাজ শুরু করার সময় একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানা থেকে কোনো ক্ষতিকারক গ্যাস লিক হয়নি এবং পরিবেশ বা জনসাধারণের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

এদিকে ভারতীয় দূতাবাস এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের জরুরি সহায়তা দিতে দূতাবাস কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে কাতার প্রশাসন ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সুত্র: দা হিন্দু

তামান্না রুপা/