যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শনিবার (১০ জানুয়ারি) ইরান ইস্যু নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে এক মার্কিন কর্মকর্তা। যদিও এই ফোনালাপের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি।
এর আগে অ্যাক্সিওস জানায়, রুবিও ও নেতানিয়াহুর আলোচনায় গাজা পরিস্থিতি, সিরিয়া ইস্যু এবং ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উঠে আসে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করাতে বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালায়। এতে দুই শতাধিক মানুষ নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার রাতে সবচেয়ে তীব্র আন্দোলন হওয়ার পর গত শুক্রবার রাতেও রাস্তায় নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ।
এছাড়া শনিবারও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। তবে গতকাল শুক্রবার রাতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচার গুলির ঘটনা ঘটেছে। বিবিসি তিনটি হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষ উপচে পড়ার খবর জানায়।
আরেক খবরে জানা গেছে, বিক্ষোভরত জনতাকে ‘মোহারেব’ (আল্লাহর শত্রু) হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকার। বিক্ষোভে যারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন, তাদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
ইরানের সংবিধানের ১৮৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী কিংবা সংগঠন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করে— তাহলে ওই গোষ্ঠীর বা সংগঠনের সব সদস্যকে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু বলে ঘোষণা করে। ইরানের সংবিধানে আল্লাহর শত্রুদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
সুলতানা দিনা/