ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নেপালের সঙ্গে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ফরাসি প্রেসিডেন্টের পাঠানো গোপন বার্তার স্ক্রিনশট অনলাইনে প্রকাশ করলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
ফরাসি প্রেসিডেন্টের পাঠানো গোপন বার্তার স্ক্রিনশট অনলাইনে প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
বার্তায় ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, “আমার বন্ধু, সিরিয়া নিয়ে আমরা পুরোপুরি একমত। ইরান ইস্যুতেও আমরা দারুণ কিছু করতে পারি। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডে আপনি কী করতে চাইছেন, আমি তা বুঝতে পারছি না।”

গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় অনড় অবস্থান বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের চাগোস দ্বীপপুঞ্জসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সমালোচনার পাশাপাশি ট্রাম্প অনলাইনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাঠানো একটি ব্যক্তিগত টেক্সট বার্তার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছেন। ওই বার্তায় ম্যাক্রোঁ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মতবিরোধ নিয়ে আলোচনা করতে আগামী বৃহস্পতিবার বিকেলে প্যারিসে জি–৭ বৈঠকের আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

বার্তায় ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, “আমার বন্ধু, সিরিয়া নিয়ে আমরা পুরোপুরি একমত। ইরান ইস্যুতেও আমরা দারুণ কিছু করতে পারি। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডে আপনি কী করতে চাইছেন, আমি তা বুঝতে পারছি না।”

রয়টার্সের বরাতে ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, বার্তাটি সত্য।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে ট্রাম্প হুমকি দেন, ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, গাজায় চালু হওয়া তার তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগে ম্যাক্রোঁকে যুক্ত করতে চাপ সৃষ্টি করতেই এই হুমকি দেন ট্রাম্প। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগের আওতা অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এই উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করতে চান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “সে কি সত্যিই তা বলেছে? ঠিক আছে, কেউই তাকে চায় না, কারণ খুব শিগগিরই সে ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি তার মদ আর শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাবো, তখন সে যোগ দেবে—তবে যোগ না দিলেও আমার কিছু যায় আসে না।”

২০২৭ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে ম্যাক্রোঁকে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে হবে। এ প্রসঙ্গে আজ মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বক্তব্যে ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকিকে “অগ্রহণযোগ্য” এবং “অকার্যকর” বলে মন্তব্য করেছে। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। ছবি: সংগৃহীহ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে পুশইন সমস্যা সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

বুধবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্টিফেন ডুজারিকের কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে শত শত শিশু ও নারীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছে। নারীরা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

জবাবে জাতিসংঘ মহসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘দেখুন, আমি মনে করি বিষয়টি দুই দেশের সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। এতে মানুষের মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান থাকতে হবে।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। কয়েক মাস পরই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এর আগে শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের অবস্থানের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত হবে কি না, এমন প্রশ্নও করা হয় মহাসচিবের মুখপাত্রকে।

জবাবে ডুজারিক বলেন, ‘সাধারণ পরিষদের সভাপতির ভূমিকা হলো সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করা। তাই মহাসচিব এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতির মধ্যে যে যোগাযোগ হবে, তা সাধারণ পরিষদ-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই হবে। আর রোহিঙ্গাবিষয়ক কাজ চলতে থাকবে।’

এসএন/

আরেক ধাক্কা খেলেন মমতা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
আরেক ধাক্কা খেলেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই আপাতত বহাল থাকছেন বলে রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিচারপতি কৃষ্ণা রাও তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেন।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, ‘আবেদনকারীর পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ জারির মতো কোনো প্রাথমিক ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন আবেদন খারিজ করা হলো।’

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বিরোধী পক্ষকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। তার জবাব আবেদনকারীকে পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ জুলাই। ফলে সেই সময় পর্যন্ত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পালন করবেন।

রায় প্রকাশের পর মুখ খুলেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়ক সন্দীপন সাহা। 

তার দাবি, ‘আদালতের এই রায়ে আমাদের নৈতিক জয় হয়েছে। আমাদের বিধায়কের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।’

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃার হওয়ার পরও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। 

প্রশ্ন ওঠে, বহিষ্কৃত একজন বিধায়ককে কীভাবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো?

বুধবার মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট এই বিষয়েই একাধিক প্রশ্ন তোলে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে আদালত জানিয়ে দেয়, ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু দলের বিদ্রোহী শিবির সেই সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকার করে। 

প্রথমে ৫৮ জন এবং পরে ৬৫ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি তুলে তারা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেন। সেই সংক্রান্ত চিঠি গ্রহণ করেন স্পিকার।

এই প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন তোলেন আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রথম চিঠিটিকে কেন গুরুত্ব দেওয়া হলো না এবং কেন পরবর্তী চিঠিটি গ্রহণ করা হলো।

আদালতে জানানো হয়, বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ পেয়েছিলেন স্পিকার। 

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এমন পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানি করা উচিত ছিল। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

বিচারপতি আরও প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কি স্পিকার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি দলীয় অবস্থানও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন? 

তার মন্তব্য, ‘বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল কি না, সেই প্রশ্নে আমি যাচ্ছি না। তবে যিনি প্রথম আবেদন করেছিলেন, তাকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা সঙ্গত, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি মানা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগে ৭৮ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি করা হয়েছিল। সেই দাবির সত্যতা কতটা যাচাই করা হয়েছে? যদি স্পিকার ১ জুন বহিষ্কারের চিঠি পেয়ে থাকেন, তাহলে বহিষ্কৃত একজন ব্যক্তিকেই কীভাবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো?’

বুধবার আদালত রায় সংরক্ষণ করেছিল। বৃহস্পতিবার সেই রায় ঘোষণা করে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদে বহাল থাকবেন। সূত্র: আজতক

কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
মো. ইস্তিনাব মাহী। ছবি: সংগৃহীত

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর প্রদেশের সেন্ট জনস শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. ইস্তিনাব মাহী (২৩) নামে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় গত শুক্রবার রাত ১টা ৩২ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাহির বাড়ি চট্টগ্রামে। তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডায় অবস্থান করছিলেন।

নিহত মাহি চট্টগ্রামের মো. মহিব উল্লাহ ও পারভিন আক্তার দম্পতির সন্তান। ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এবং ২০২১ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি কানাডার মেমোরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব নিউফাউন্ডল্যান্ড-এর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় পুলিশ সংস্থা রয়্যাল নিউফাউন্ডল্যান্ড কনস্ট্যাবুলারি (আরএনসি) জানায়, চার আরোহী নিয়ে একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে সড়কের পাশের কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত চারজনকে হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহীকে মৃত ঘোষণা করেন। গাড়িতে থাকা অন্য তিন আরোহী আহত হলেও তারা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং চিকিৎসাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মাহীর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কমিউনিটি নেতারা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন।

অন্তরা/

সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে
ছবি: সংগৃহীত

গত দুই সপ্তাহে ভারতের রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় এসেছে, যা দেশটিকে এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক পথের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বড় রাজনৈতিক উত্থান এবং মহারাষ্ট্রে ক্রমশ দানা বাঁধতে থাকা আরেকটি রাজনৈতিক পরিবর্তন।

এপ্রিলে নারী সংরক্ষণ প্যাকেজের অংশ হিসেবে সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত একটি সংবিধান সংশোধনী বিল বিরোধী দলগুলোর চাপে আটকে গিয়েছিল। লোকসভায় ৫৪ ভোটের ব্যবধানে বিলটি পাস হতে ব্যর্থ হয়। তবে বিলটি পুনরায় উত্থাপন করা হলে তা এবার পাস হয়ে যেতে পারে।

৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর দলটি ভাঙনের মুখে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২০ জন দলত্যাগ করে তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে নিজেদের একীভূত করেছেন। এই বিদ্রোহী সাংসদদের অন্তর্ভুক্তি দলটিকে সংসদে সরাসরি উপস্থিতি দেবে এবং এনডিএর জন্য একটি শক্তিশালী মিত্রে পরিণত করবে।

মহারাষ্ট্রেও উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) একই ধরনের সংকটে রয়েছে। দলটির ৯ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ছয়জন দলত্যাগের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন এবং তারা একনাথ শিন্দের নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় যোগ দিতে পারেন।

এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবে এনডিএ, যারা বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের জন্য এটি অপরিহার্য।

লোকসভার ৫৪৩টি আসনের দুই-তৃতীয়াংশ হলো ৩৬২টি আসন। তবে বর্তমানে তিনটি আসন শূন্য থাকায় কার্যত প্রয়োজনীয় সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬০।

বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিচ্ছিন্ন অংশসহ এনডিএর লোকসভায় ৩১৮ জন সাংসদ রয়েছে। বিরোধী শিবিরের সাংসদ সংখ্যা ১৮৪ এবং নির্দলীয় রয়েছেন ৩৮ জন। ফলে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের জন্য সরকারের আরও ৪২ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন হবে। তবে সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, বিল পাসের ক্ষেত্রে ‘উপস্থিত ও ভোটদানকারী’ সদস্যদের সংখ্যাই চূড়ান্তভাবে বিবেচিত হয়।

দলীয় সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে বিজেপি ভারত জোটের অন্যান্য ছোট দলগুলোর দিকে নজর রাখছে। বিজেপির কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, দলটি ভারত জোটভুক্ত কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে, যার মধ্যে মহারাষ্ট্রভিত্তিক একটি দলও রয়েছে।

রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৬৪ জন সদস্যের সমর্থন। যদিও রাজ্যসভার সর্বোচ্চ অনুমোদিত সদস্যসংখ্যা ২৫০, বর্তমানে সদস্য রয়েছেন ২৪৫ জন।

রাজ্যসভায় এনডিএর সদস্যসংখ্যা ১৫০। ডিএমকের আটজন সদস্যের সমর্থন পেলে এই সংখ্যা বেড়ে ১৫৮-তে পৌঁছাবে, তখন প্রয়োজন হবে মাত্র আরও ছয়জন সদস্যের সমর্থন। তৃণমূল কংগ্রেসের তিনজন সদস্যের পদত্যাগের পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচন এবং কয়েকটি ছোট দলের সমর্থন পেলে এনডিএ সেই কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় পৌঁছাতে সক্ষম হতে পারে।

একবার সেই লক্ষ্য অর্জিত হলে নারী সংরক্ষণ ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিলটি আবার সংসদে উত্থাপিত হতে পারে। এমনকি আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া বর্ষাকালীন অধিবেশনেই এ উদ্যোগ দেখা যেতে পারে।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিই বস’

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:০৫ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৩২ এএম
জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিই বস’
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জি৭ সম্মেলনে ইউক্রেনকে সমর্থন জানিয়ে বিশ্বনেতাদের বলেছেন, ‘আমিই বস’।

বুধবার (১৭ জুন) ট্রাম্প এবং জি৭ এর অন্যান্য নেতারা ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের উন্নতির বিষয়টি স্বীকার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতি দেন।

১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেঁ রিসোর্টে অনুষ্ঠিত জি৭ এর শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্পের এই মন্তব্যটি মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় কিয়েভের ক্রমবর্ধমান দর কষাকষির ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পকে বলেন, ইউক্রেনের পাল্টা লড়াই ফলপ্রসূ হচ্ছে এবং কোনো শান্তিচুক্তির শর্ত নির্ধারণ করার মতো অবস্থানে রাশিয়া নেই।

ট্রাম্প বলেন, এ যুদ্ধে ইউক্রেনের চেয়ে রাশিয়া বেশি সৈন্য হারাচ্ছে এবং মস্কো এই সংঘাতের ‘আক্রমণাত্মক’ পক্ষ।

২০২৫ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলন ইউক্রেন বিষয়ে কোনো যৌথ অবস্থান ছাড়াই শেষ হয়েছিল। এবার ভার্সাই প্রাসাদে এক জমকালো নৈশভোজের আগে ম্যাক্রোঁ ও ট্রাম্প উভয়েই জি৭ শীর্ষ সম্মেলনকে সফল বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি অধিবেশনে নিজের আসনে বসতে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, জি৭ প্রধান ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি ‘আমিই বস’ মন্তব্যটি করেন।

থিওটোনিয়াস/