ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
বুধবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সিইসি জানান, চতুর্থ ধাপে ২৬ জেলার ৬০ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭ হাজার ৮২৫টি কেন্দ্রের মধ্য থেকে ২ হাজার ৮৯ কেন্দ্রের তথ্য পেয়েছি। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ধাপে ভোট পড়েছে ৩৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বিভিন্ন ঘটনায় মোট ২৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ৯ জনকে বিভিন্ন দণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করেছেন। ২১ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। ভৈরব উপজেলায় একটা ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটা ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়েছে, সেটা খুলেও ফেলেছিল দুর্বৃত্তরা। ফলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল।
ভোট নিয়ে আপনি কি সন্তুষ্ট- এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে, এটা নিয়ে আমাদের সন্তুষ্টি। কারণ ছোটখাটো কিছু ঘটনা ছাড়া সব ধাপেই ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিষয়গুলো আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করতে পারব না।’
সিইসি জানান, এই ধাপে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৬০ উপজেলার ৭ হাজার ৮২৫টি কেন্দ্রে ভোট দেন ২ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ভোটার। তিন পদে পাঁচ প্রার্থী বিনা প্রতবদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রকোণার কেন্দুয়াতে একজন প্রিসাইডিং অফিসার নিজেই ব্যালট পেপারে সিল মারছিলেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টোটাল জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে পাঁচটি। ইভিএমে যেখানে ভোট হয়েছে, সেখানে কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভোট শেষে পর্যালোচনা করব, কেমন হলো। এসিড, লেবু দিয়ে অনেকে আঙুল থেকে অমোচনীয় কালি তোলার চেষ্টা করেন। এমনি ওঠে না।’
সিইসি জানান, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা কারণে স্থগিত ২২টি উপজেলায় আগামী ৯ জুন ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এলিস/সালমান/