চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে স্বাস্থ্যখাত সংস্কারে ৫ দাবি আদায়ে চলমান অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক কাউন্সিলের আহ্বানে এ কর্মসূচি শুরু করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও।
জানা গেছে, ‘গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ৯০তম বারের মত হাইকোর্ট রায় পেছানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে নাট্যমঞ্চের রঙ্গশালায় পরিণত করা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইর্ন্টান চিকিৎসকরা জানান, সারা দেশের সব মেডিকেল কলেজের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে পূর্ণাঙ্গ রায় ও ৫ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য চমেক হাসপাতালে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো জসিম উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি। কিন্তু শিক্ষকরা সবাই ক্যাম্পাসে এসেছে। ক্লাসে ছাত্র না থাকায় শিক্ষকরাও অলস সময় কাটিয়েছে। ছাত্ররা না এলে কিভাবে ক্লাস চলবে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবায় কোন প্রভাব পড়েনি। কারণ হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমাণ ডাক্তার নার্স রয়েছে। ডাক্তারদের মাধ্যমে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। চমেক হাসপাতালে ১৮০ জন ইন্টার্ন ডাক্তার রয়েছে। তারা কাজে যোগ দেননি।
ইন্টার্ন চিকিৎসক মোহাম্মদ সাকিব জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আন্দোলন চলছে। রবিবার থেকে চলছে কমপ্লিট শার্টডাউন। সোমবার চমেকের শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন। ক্লাস বর্জন করে এ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
মেহেদী/