ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন-সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ

১৭ বছর পর ইতিহাসের সুন্দর নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৫, ১২:৩০ এএম
১৭ বছর পর ইতিহাসের সুন্দর নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর ওই ভোটের জন্য দেশের জনগণ প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১১ জুন) লন্ডনের প্রভাবশালী নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউস আয়োজিত সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।

ড. ইউনূস বলেন, ‘১৭ বছর পর আমরা একটি সত্যিকারের নির্বাচন আয়োজনের দ্বারপ্রান্তে। এটি হবে আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেবল একটি নতুন সরকার গঠনের জন্য রক্ত দেয়নি, তারা চেয়েছে একটি নতুন বাংলাদেশ। এই নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে একটি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। আমরা প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক কমিশন গঠন করেছি। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সামনে এগোচ্ছি। এখন আমাদের মূল দায়িত্ব হলো সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা।’

সংলাপে আরেক প্রশ্নের উত্তরে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা এখন অপেক্ষায় আছি ‘জুলাই সনদের’। এই সনদটি পুরো জাতির সামনে জুলাই মাসের সনদ হিসেবে তুলে ধরা হবে।’ 

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ড. ইউনূস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের জন্য বিচারের পর দলটি নিষিদ্ধ হওয়া, না হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য জাতির কাছে ক্ষমা চাননি, যারা গণহত্যা ঘটিয়েছেন এবং এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিচার শেষ হওয়ার আগে আমরা জনগণের নিরাপত্তার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করেছি।’

আগামীতে নির্বাচিত সরকারে থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ড. ইউনূস দুই হাত নেড়ে বলেন নো ওয়ে, নো ওয়ে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের উপদেষ্টা পরিষদের কোনো সদস্যই এমনটা করবেন না। আমাদের দায়িত্ব হলো- বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ভালোভাবে সম্পন্ন করা এবং জনগণকে খুশি করা। নির্বাচন শেষে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। আমরা নির্বাচনটা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে চাই। এটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘যদি নির্বাচনে ভুল হয়, তাহলে এই বিষয়টার আর সমাধান হবে না।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে ড. ইউনূস বলেন, ‘সাত বছর আগে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছে। তাদের অনেকে পাঁচ মাস থেকে শুরু করে ৫ বছর বা ৭ বছর বয়সীও ছিল। তারা সবাই আজ যুবক বা কিশোর। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে তাদের ভরণপোষণ দেবে কারা। তাদের তো থাকার নির্দিষ্ট সময়ও নেই। বিষয়টি নিয়ে তার সরকার গুরুত্বসহকারে কাজ করছে।’ 

চ্যাথাম হাউস সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে পাসপোর্ট প্রাপ্তির সুবিধাসহ তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আগে পাসপোর্টসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ‘মাধ্যম’ প্রয়োজন হতো। যার মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতো। এখন সরকারি বিভিন্ন সেবা অনলাইনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে, যাতে সবাই সহজেই সেবা নিতে পারেন।’

বক্তব্যের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা একটি ভুল সভ্যতার অংশ হয়ে গেছি, আমরা নিজেরাই একটি আত্মবিধ্বংসী সভ্যতা গড়ে তুলেছি। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আমাদের দরকার নতুন করে সভ্যতা গড়ে তোলা। এর জন্য দরকার কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা, বেকারত্ব দূর করা এবং ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়া। এটার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। এটা কোনো শিক্ষা বা জ্ঞানের বিষয় নয়।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, গবেষক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
রোহিঙ্গাসংকট, পাচার হওয়া বাংলাদেশি সম্পদ উদ্ধার, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার লন্ডনের একটি হোটেলে আয়োজিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। ড. ইউনূস রোহিঙ্গাসংকট মোকাবিলায় আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের সক্রিয় সমর্থন কামনা করেন এবং দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর মায়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসনে ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পূর্ববর্তী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। ড. ইউনূস পাচার করা এই অর্থ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’

বৈঠকে জোনাথন পাওয়েল বাংলাদেশের এই সংকটকালে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য অব্যাহত সমর্থনের প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাত, বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার বিষয়েও আলোচনা হয়।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু
বিএনপির সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিয়েছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।

তিনি বলেন, “হাসিনা আবার ফিরে এলে যারা ফেসবুকে প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবন কালো করে ছাড়বে।”

মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

বিরোধী দলের উদ্দেশে রেহানা আক্তার রানু বলেন, বর্তমান সরকারের মাত্র চার মাস হয়েছে। এখনই নতুন আন্দোলন বা বিপ্লবের কথা বলা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন, সরকারকে সহযোগিতা করুন। আল্লাহ না করুক, আবারও যদি দানব হাসিনা ফিরে আসে, যারা ফেসবুকে প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবন কালো করে ছাড়বে।”

একই বক্তব্যে তিনি সম্প্রতি আলোচিত ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গও তুলে ধরে বলেন, সেখানে এমন একটি চেয়ার দেখেছেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতাদের ইলেকট্রিক শক দেওয়া হতো। তার দাবি, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ওই চেয়ারে বসিয়ে একইভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা হোক।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বক্তব্যে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর ছাড় দেওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেলেও বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীরা একবার দাম বাড়ালে পরে আর তা কমাতে চান না। এ কারণে বাজার মনিটরিং আরও জোরদারের দাবি জানান তিনি।

ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের সমালোচনা করে রেহানা রানু বলেন, কিছু ব্যাংকমালিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি গ্রাহকের টাকা লুট করে বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। অথচ সাধারণ গ্রাহকরা নিজেদের টাকা তুলতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন। তিনি লুট হওয়া অর্থ ফেরত দিতে দায়ীদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির দাবি জানান।

এ সময় তিনি ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা এবং সঞ্চয়পত্রে ১০ শতাংশ কর কাটার প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

রানু আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ফেনীতে নিহত ১১ জনের পরিবার এখনও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করছে। নিহতদের স্বজনরা তাকে জানিয়েছেন- পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না, আবার গ্রেপ্তার হলেও আদালত জামিন দিয়ে দিচ্ছে। তারা শুধু হত্যাকাণ্ডের বিচার চান।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে তিনি সরকারি হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের দাবি জানান। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে জনবল সংকট দূর করা, সেখানে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, লালপোল ফ্লাইওভার নির্মাণ, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, গ্যাস সংযোগ চালু, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমানো এবং ফেনীতে দ্রুত ফ্যামিলি কার্ড চালুর দাবি জানান বিএনপির এই সংসদ সদস্য।

এলিস/নাঈম

টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: সংগৃহীত

বিগত সরকারের আমলে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় টিআর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পে বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের কর্মসূচির নামে টিআর, কাবিটা ও কাবিখা বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংসদে দেওয়া তথ্যে মন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও অবকাঠামো সংস্কারের নামে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে টেস্ট রিলিফ (টিআর), কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) এবং কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ বণ্টন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এসব কর্মসূচি মূলত গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহায়তার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়ে থাকে। তবে অতীতে বিভিন্ন এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব ও বরাদ্দ অপব্যবহারের অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে।
মন্ত্রী জানান, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলিস/এসএন

এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেকর্ড ৩০.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো এই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের চতুর্দশ বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্বের তথ্য টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সংসদে দেওয়া তথ্যমতে, একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা বিদায়ি অর্থবছরে ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৫.৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সৌদি আরব থেকে এসেছে ৪.২৬ বিলিয়ন ডলার এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৪.১৭ বিলিয়ন ডলার। এই তিন দেশ থেকেই এসেছে ১৩.১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৩.৪ শতাংশ।

রেমিট্যান্স প্রাপ্তির তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩.১৭ বিলিয়ন ডলার) এবং পঞ্চম স্থানে মালয়েশিয়া (২.৮০ বিলিয়ন ডলার)। উপসাগরীয় অঞ্চলের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন থেকে সম্মিলিতভাবে এসেছে প্রায় ১৩.৬৬ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৪৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালি থেকে এসেছে ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া ফ্রান্স, গ্রিস, জার্মানি ও পর্তুগাল থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালদ্বীপ, মরিশাস, জাপান ও ব্রুনাই থেকেও প্রবাসীরা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন।

এলিস/নাঈম

ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
ছবি: খবরের কাগজ

পরীক্ষায় নকলের কৌশল সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিব, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর দ্রুত কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ফাঁকা রাখলে শিক্ষার্থীরা কোচিংনির্ভর হয়ে পড়তে পারে, তাই ভর্তি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা কাঠামোকে সময়োপযোগী করতে পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস নিয়মিত হালনাগাদ করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর, মূল্যবোধসম্পন্ন এবং বাস্তবজীবনমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

পরীক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের উত্তরপত্র থেকে নমুনা ভিত্তিকভাবে খাতা পুনরায় যাচাই করা হবে বলেও জানান তিনি। এতে নম্বর প্রদানে কোনো ধরনের অসঙ্গতি থাকলে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে বর্তমানে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

সভায় তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য কমিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই মানদণ্ডে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, দায়িত্বশীল ও যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

এসএন/

মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে তিনি সংসদের কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ নেই এবং সংসদীয় কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদকে কার্যকর ও প্রাণবন্ত রাখতে শুরু থেকেই স্পিকার সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, কোনও মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল প্রতিনিধি সংসদ কক্ষে উপস্থিত থাকেন না।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। সেসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সরাসরি শোনা প্রয়োজন। বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা যদি নিয়মিত উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সংসদীয় আলোচনার কার্যকারিতা কমে যায় এবং জবাবদিহিও দুর্বল হয়ে পড়ে।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলার বিষয়েও প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অধিবেশন চলাকালে অনেক সময় কয়েকজন সদস্যকে ছোট ছোট দলে আলাদা আলোচনা করতে দেখা যায়। এতে সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুসরণ করতেও অন্য সদস্যদের অসুবিধা হয়। একদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, অন্যদিকে আলাদা বৈঠকের মতো পরিবেশ তৈরি হওয়া সংসদের শৃঙ্খলা ও ডিসেন্সির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জবাবে স্পিকার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “আমি আবারও তাগিদ দিচ্ছি— কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশনই সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে।”

স্পিকার আরও বলেন, মন্ত্রীদের উচিত যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকা, নিজ নিজ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে ছোট ছোট দলে আলোচনা, আসন ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে কথাবার্তা বলা এবং এমনকি ‘ফ্লোর ক্রসিং’-এর ঘটনাও তার নজরে এসেছে। তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ আসনে বসে কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, সোমবার জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় কয়েকজন মন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকতে পারেননি। পরে পয়েন্ট অব অর্ডার নিষ্পত্তির পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়।

এলিস/নাঈম