ভোটেরদিন ডিজিটাল অ্যাপসের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবেন আনসার সদস্যরা। এছাড়া এবার খাবারের জন্য তাদেরকে কারো কাছে হাত পাততে হবে না, বলে জানান আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশিদ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নোয়াখালী শহিদ ভুলু স্টেডিয়ামে সংসদ নির্বাচনে মোতায়েনকৃত ১১ হাজার আনসার সদস্যদের হাজিরা প্যারেডে তিনি এ কথা বলেন।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশিদ বলেন, ভোটেরদিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার নতুন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন আনসারের মধ্যে দুইজন থাকবেন যারা যেকোনো পরিস্থিতির ছবি তুলে ডিজিটাল অ্যাপসে আপলোড করবেন। সেই ছবি দেখে বাইরে থাকা আনসার সদস্যসহ স্ট্রাইকিং ফোর্সরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতের মতো এবার আনসার সদস্যদের আর খাবার নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না। কারো কাছে হাতও পাততে হবে না। আমারা নিজেদের সদস্যদের জন্য ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন সকালে, দুপুরে ও রাতে ভালো মানের খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশিদ বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ফাস্টলাইন হিসেবে প্রতিকেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য থাকবেন। এর মধ্যে তিনজন অস্ত্রধারী, চারজন নারী সদস্য, দুইজন মোবাইল ক্যামেরায় মনিটরিং সদস্য থাকবেন। এরা প্রতিঘণ্টায় কেন্দ্রের পরিস্থিতি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আপডেট জানাবেন।
সুষ্ঠু ভোটের আশা প্রকাশ করে এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের ঘাটতি রাখা যাবে না। কোনো কিছু অস্বাভাবিক মনে হলেই ঊর্ধ্বতনকে অবহিত করতে হবে। আমরা সবার প্রচেষ্টায় একটি অবাধ সুষ্ঠু সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই।
আনসার ও ভিডিপি নোয়াখালী জেলা কমান্ডেন্ট মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা রেঞ্জের পরিচালক ও রেঞ্জ কমান্ডার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। এ সময় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৭৫টি। এখানে প্রতিকেন্দ্রে ১৩ জন করে মোট ১১ হাজার ৩৭৫ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ইকবাল হোসেন/নাঈম