ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজধানীর প্রান্তিক গ্রামে ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী
Nagad desktop

‘তিন মাসে ‌‌১৩৩ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’, উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
‘তিন মাসে ‌‌১৩৩ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’, উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপর গত তিন মাসে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অব্যাহত থাকার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে মোট ১৩৩টি। এর মধ্যে হত্যার ঘটনা ২৫টি, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ৪টি, মন্দিরে হামলা ও লুটপাট ৩৫টি এবং পাহাড়- সমতলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিসত্তার ওপর হামলাসহ অন্যান্য ঘটনা ৬৯টি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে মোট ৪৬টি সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন জাতিসত্তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে হত্যা ১১টি, ধর্ষণ ১টি, মন্দিরে হামলা ৯টি, বিভিন্ন জাতিসত্তার ওপর হামলা ১টি, হামলা, ডাকাতি, ভাঙচুর, হুমকি, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ১৫টি, ভূমি দখল ৩টি, চাঁদাবাজি ১টি এবং অন্যান্য ৫টি।

ফেব্রুয়ারিতে ৫০টি ঘটনায় হত্যা ৮টি, ধর্ষণ ১টি, মন্দিরে হামলা ১৫টি, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ১টি, হামলা, ডাকাতি, ভাঙচুর, হুমকি, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ১৭টি, ভূমি দখল ৬টি, অপহরণ ১টি এবং অন্যান্য ১টি বলে উল্লেখ করা হয়।

মার্চ মাসে ৩৭টি ঘটনায় হত্যা ৬টি, ধর্ষণ বা যৌন হয়রানি ২টি, মন্দিরে হামলা ১১টি, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা ১টি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ১টি, হামলা, ডাকাতি, ভাঙচুর, হুমকি, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ৭টি, ভূমি দখল ৪টি এবং অন্যান্য ৫টি ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে৷ 

ঐক্য পরিষদ বলেছে, 'বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর এ ধরনের হামলা কমবে বলে আশা করেছিল সংগঠনটি। কিন্তু ঘটনাগুলো অব্যাহত থাকায় সংখ্যালঘুদের মধ্যে উদ্বেগ ও শঙ্কা বিরাজ করছে।'

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
চকরিয়ায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে জনগণের ভোট নেওয়ার রাজনীতি আর সফল হবে না। যারা মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে প্রলোভন ও বিভ্রান্তির রাজনীতি করে, তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না বলে বলছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “তারা জনগণকে ঠকিয়ে ভোট নিতে চেয়েছিল। টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভোট নিতে চেয়েছিল। তারা জনগণের বন্ধু না। দেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন। তারা বুঝতে শিখেছে কে দেশের জন্য কাজ করে আর কে নিজেদের স্বার্থে রাজনীতি করে।”

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী বাজেটে ৪৫ লাখ পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এর মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে সরকারি সহায়তা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

যোগাযোগ খাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

বাজেট নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “যারা বাজেটের বিরোধিতা করছে, তারা বাংলাদেশের মানুষের বন্ধু হতে পারে না। এই বাজেট জনকল্যাণ ও উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ের ৩০ ও ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। বেকারত্ব দূরীকরণ, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

তারেকুর রহমান/এসএন

প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রযুক্তি খাতে দক্ষ তরুণরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। 

তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রোগ্রামিং ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কোনো বিকল্প নেই।’

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে ‘জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মের প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছে। এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী কৌশলের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে হবে। আমাদের তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতা বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।’

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে তাদের যুক্ত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি উদ্ভাবন শুরু হয় একটি ছোট প্রশ্ন থেকে। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে নতুন কিছু করার সাহস অর্জন করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের তরুণরা প্রোগ্রামিং, রোবটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটিতে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) বাস্তবায়নে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় এ বছর কুইজ ও প্রোগ্রামিং মিলিয়ে ১৭ হাজার ৮৩৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। এর মধ্যে আঞ্চলিক ধাপ পেরিয়ে ৮৩২ জন জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়। বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬’-এর বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এ টি এম জিয়াউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। 

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী
সোনারগাঁও উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার’ ভবনের উদ্বোধনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: খবরের কাগজ

দেশের শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সোনারগাঁওয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও শিক্ষানীতির আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও উৎসব ভাতার প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও বিকাশের লক্ষ্যে নবনির্মিত ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার’ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও শিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটমুক্ত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এসএসসি পরীক্ষা এগিয়ে আনা হয়েছে। সিলেবাস শেষ হওয়ার পরপরই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে ১৮ বছরের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি জানান, ২০২৭ সালে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন এবং ২০২৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রমে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হবে। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। আগামী জুলাই থেকে সারাদেশে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষাকে আনন্দময় ও সৃজনশীল করতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সোনারগাঁওয়ের শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বন্দরে স্থাপনের পরিকল্পনা থাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এখন সোনারগাঁওয়ে নির্মিত হবে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান সোনারগাঁওয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১০০ বিঘা জমি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শিক্ষানীতির আলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবই বিতরণে আর কোনো বিলম্ব হবে না। পরীক্ষা শেষে ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছে দেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা হবে।

সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান এমপি, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ভূঁইয়া মাসুম, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ফিতা কাটা ও দোয়ার মাধ্যমে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার’ ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতিভা প্রদর্শনী উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

মো: ইমরান হোসেন/এসএন

জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও তাপপ্রবাহের মতো বহুমাত্রিক ঝুঁকি মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক ও পরিকল্পিত উন্নয়নই একমাত্র পথ। 

বিশ্ব পরিবেশ দিবস- ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর প্ল্যানার্স টাওয়ারে ‘জলবায়ু-সহনশীল এবং পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিআইপি’র সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহাম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় এতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) ড. নুরুন নাহার এবং বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের যুগ্মপ্রধান (ডেল্টা অনুবিভাগ) ড. এস এম যোবায়দুল কবির বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারের স্বাগত বক্তব্যে বিআইপি’র সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. ফারহানা আহমেদ বলেন, জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। জাতীয় পর্যায়ের নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিকল্পনাবিদদের জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

শিল্পাঞ্চলের বায়ুদূষণ মোকাবিলায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন পরিকল্পনাবিদ নাঈমা ইসলাম মিম। তিনি তার গবেষণাপত্রে ‘লাইকেন’ ব্যবহারের ওপর আলোকপাত করে বলেন, এটি বাতাস থেকে সীসা ও তামার মতো ভারী ধাতু শোষণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শিল্পকারখানার দূষণ নিয়ন্ত্রণে এটি একটি পরিবেশবান্ধব ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধান হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জলবায়ু কর্মসূচি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. শিবলী সাদিক বলেন, প্রচলিত সম্ভাব্যতা যাচাই বা অর্থনৈতিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা বা ‘ইমপ্লিমেন্টাবিলিটি’ যাচাই করা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত না করলে বড় ধরনের প্রকল্পগুলো টেকসই হয় না বলে তিনি মত দেন।

পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও গবেষণা ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ ড. হাসীব মুহাম্মদ ইরফানুল্লাহ বলেন, পরিকল্পনার প্রতিটি ধাপে জীববৈচিত্র্যকে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পরিকল্পনাবিদদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্মপ্রধান ড. এস এম যোবায়দুল কবির বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য সামাজিক, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক এই তিন স্তম্ভের সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দক্ষ পরিকল্পনাবিদের অভাব থাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অভিবাসন বাড়ছে, যা পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুন নাহার বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে যথাযথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার অভাব প্রায়শই বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি করে। এ সমস্যা সমাধানে একটি মানসম্মত নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিটি পর্যায়ে পরিকল্পনাবিদদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিআইপি’র সভাপতি ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়নের মূল ভিত্তিই হলো পরিবেশ সংরক্ষণ।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গত ২০ বছরে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে প্রায় এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, এসব মাদক কারবারিকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং এ বিষয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে নগরীর একটি হোটেলে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় আয়োজিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, এক সময় সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক বন্ধন ও নিরাপত্তার কারণে রাজশাহী বিশ্বের অন্যতম সুখী শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু গত ২০ বছরে মাদক ও কিছু অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে সেই পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসা করে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং নারী ও শিশু নির্যাতনকারীরা জাতির শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, শিশুদের সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব শুধু রাষ্ট্রের নয়, পরিবারেরও। পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমিন নেলী এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদ।

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন এবং নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম মাহমুদুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শারমিন আক্তার এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সেমিনারে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও এনজিও প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, দ্রুত বিচার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এনায়েত করিম/এসএন