ফরিদপুরের দিপালীসহ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলনে, ‘যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব বাংলাদেশি প্রবাসী আটকে পড়েছে, তাদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতাসহ অন্যান্য সমস্যা বাংলাদেশ সরকার দেখছে। ওইসব দেশে যারা কর্মরত রয়েছেন, তারা যেন আবার ফিরে যেতে পারেন তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টিও আমরা দেখছি।’
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়ায় শামা ওবায়েদের নিজ বাড়িতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রত্যাগত শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও নতুন কর্মসংস্থানের বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ক্ষমতাসীন বিএনপির ম্যানিফেস্টোতেই রয়েছে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। যারা কর্ম হারিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসছেন, তাদের পুনর্বাসনের বিষয়ে চেষ্টা করছি। এছাড়া যারা ফিরে যেতে চান, তাদের বিষয়েও আমরা সচেষ্ট রয়েছি। বিদেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান কীভাবে তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছি।’
ফরিদপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অজয় কুমার করের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার ফজলুল হক টুলু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুলসহ নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারাসহ স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননের বৈরুতের হামরা এলাকায় ইসরাইলি মিসাইলের আঘাতে কফিলের পরিবারের সঙ্গে অবস্থানকালে ফরিদপুরের দিপালী খাতুন নিহত হন। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। দেশে ফিরেছে ৫ জনের মরদেহ। একটি মরদেহের অবস্থা করুণ থাকায় সেখানেই দাফন করা হয়েছে। অন্য দুটি মরদেহ আনার প্রক্রিয়া চলছে।
সঞ্জিব/রিফাত/