ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে ‘ক্লিনিং ডে’ উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির শুরু করেছে সংস্থাটি।
পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ার লক্ষ্যে ডিএসসিসি প্রশাসক কর্তৃক প্রতি মাসের প্রথম শনিবারকে ‘ক্লিনিং ডে’ ঘোষণা করা হয়।
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা শুরু হয়েছে।
শনিবার ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলেই একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। প্রতিটি অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ (আনিক) সরাসরি মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
এতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
বিশেষ করে এই কর্মসূচিতে ডিএসসিসি এলাকার সকল সরকারি ও বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত প্লট মালিকগণ নিজ নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শামিল হয়েছেন।
দক্ষিণ সিটির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মালিবাগ এলাকায় আধুনিক অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য হস্তান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সবাই মিলে কাজ করলে আগামী ছয় মাসেই বদলে যাবে ঢাকা শহর। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। আজ যেভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কারে এগিয়ে এসেছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ঢাকা একটি আধুনিক ও সবুজ নগরীতে পরিণত হবে।
প্রশাসক জানান, প্রতি মাসের প্রথম শনিবার রাজধানীর প্রতিটি বাড়ি, বাজার, আাবসিক এলাকা, মসজিদ ও মার্কেটসহ সব জায়গায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। এছাড়া, সরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে অফিস চলাকালীন যে কোনো একদিন এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবে।
তিনি সকল রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন, স্কাউট, বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের সদস্যদের এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
প্রশাসক এডিস মশার প্রজনন রোধে বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব ও আঙিনায় জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার অনুরোধ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, কলাবাগান ও মালিবাগের মতো পর্যায়ক্রমে পুরো শহরের সব সেকেন্ডারি বর্জ্য হস্তান্তর কেন্দ্রগুলোকে আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত করা হবে।
রাজু/এসএন