ধর্মনিরপেক্ষ বৃহৎ গণতান্ত্রিক ভারতে হিন্দু মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক বিজেপির জনরায়ে ক্ষমতা প্রাপ্তিকে দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রত্যাবর্তন বলেই গণ্য করা যায়। সঙ্গত কারণেই বলা যায়, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে বাঙালির ঐক্য ১৯৪৭-এ আর দেখা যায়নি। বঙ্গভঙ্গের প্রতিরোধের ধারাবাহিকতার বিপরীতে সাতচল্লিশে ওই বাঙালিরাই সজ্ঞানে বাংলা ভাগ সম্পন্ন করেছিল।...
বঙ্গদেশের বাঙালিমাত্রই ভাষা, সংস্কৃতি, আচার, রুচি, সব ক্ষেত্রেই রয়েছে ঐক্য-মিল। একমাত্র অমিলটি ধর্মীয় ভিন্নতা। বাঙালি জাতি প্রধানত দুই সম্প্রদায়ে আগাগোড়াই বিভক্ত ছিল। দুই সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিরোধ-বিভক্তি সৃষ্টিতে তৎপর ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের শঠতার কূটচালই ভ্রাতৃপ্রতিম দুই সম্প্রদায়ের সম্পর্ক বিনষ্ট এবং পরস্পর পরস্পরের শত্রুতে পরিণত করেছিল। ১৯৪৭-এর দেশভাগের সাম্প্রদায়িক বিভাজনে বাঙালি আর বাঙালি থাকেনি। হিন্দু-মুসলমানে ভাগ হয়ে গিয়েছিল বলেই বাংলাভাগ বিনে বাধায় সম্পন্ন হতে পেরেছিল। বাংলাভাগে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলা দ্বিখণ্ডিতরূপে দুই পৃথক রাষ্ট্রের অধীন হয়ে পড়ে। বাংলাভাগের প্রধান এবং একমাত্র অজুহাতটি ছিল সাম্প্রদায়িকতা। সাম্প্রদায়িকতার গিলোটিনেই দ্বিখণ্ডিতে বাংলাভাগ সম্পন্ন হয়েছিল। বাংলাভাগের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে ব্যক্তিবিশেষ ভূমিকা পালন করলেও; বাংলাভাগ রোধ করা সম্ভব হয়নি। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল, কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ক্ষমতার ভাগাভাগি নিশ্চিত করতেই দেশভাগ অনিবার্য করে তোলে। সাম্প্রদায়িক বিভাজনে ভারতবিভক্তির আদলে বাংলাভাগও নির্মম উপায়ে সম্পন্ন হয়েছিল। বাংলাভাগের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে প্রতিরোধ হয়নি। বাংলাভাগের অপরিণামদর্শী ক্ষতির বিবেচনা দলগতভাবে পর্যন্ত কেউ করেনি। ব্যক্তিবিশেষ করেছিল, কিন্তু বাংলাভাগ প্রতিরোধে অসংগঠিত সেসব উদ্যোগ মোটেও যথেষ্ট ছিল না। ১৯৪৭-এর বাংলাভাগে উচ্ছেদ, বিচ্ছেদ, উৎপাটনের নজিরবিহীন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছিল দুই বাংলাজুড়ে। একমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বাঙালি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায় প্রাণ রক্ষার তাগিদে ভিটেমাটি, সহায়-সম্বল, মাতৃভূমি ত্যাগ করে এপারে-ওপারে চলে যেতে বাধ্য হয়। বাংলাভাগের নির্মম অভিজ্ঞতা যাদের রয়েছে তারা কেউ জীবদ্দশায় মর্মান্তিক সেই স্মৃতি ভুলতে পারেনি। বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি ১৯৪৭-এর বাংলাভাগ। যেটি বিনে বাধায়, বিনে প্রতিরোধে, সজ্ঞানে এবং চরম সাম্প্রদায়িক রক্তাক্ত দাঙ্গায় সম্পন্ন হয়েছিল।
অবিভক্ত বাংলায় পশ্চিমবঙ্গ ছিল উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় এগিয়ে; বিপরীতে পূর্ববাংলা ছিল অনগ্রসর, কৃষিনির্ভর ও নদীকেন্দ্রিক। শিল্পকারখানা না থাকলেও পূর্ববাংলা পাট উৎপাদনে সমৃদ্ধ ছিল এবং পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের কাঁচামাল জোগাত, আর পশ্চিমবঙ্গের পণ্যের বড় বাজার ছিল পূর্ববাংলা। এই বৈষম্যের মূল কারণ ছিল কলকাতাকেন্দ্রিক ঔপনিবেশিক শাসন। ১৭৫৭ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত কলকাতা ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী থাকায় তা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধুনিকতায় উন্নত হয়ে ওঠে, ফলে পূর্ববাংলা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ে এবং দুই অঞ্চলের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য তৈরি হয়।
ইংরেজ আইনজীবী ও সংগীতবিশ্লেষক ফক্স স্ট্যাংওয়েজ ছিলেন রবীন্দ্রনাথের অনুরাগী এবং তাকে লন্ডনে পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ থেকে রবীন্দ্রনাথকে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু তৎকালীন অক্সফোর্ড চ্যান্সেলর লর্ড কার্জন, বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের ভূমিকার কারণে, সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ রদ স্থানীয় ব্রিটিশ শাসকদের জন্য চপেটাঘাততুল্য ছিল। চরম অপমানের প্রতিশোধ স্বরূপ স্থানীয় ব্রিটিশ শাসকরা ১৯১২ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করে। এতে কলকাতার রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক গুরুত্ব হ্রাস পায়। বৃহত্তর ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার রাজধানীর পরিবর্তে কলকাতা প্রাদেশিক রাজধানীতে পরিণত হয়। বঙ্গভঙ্গের হাত ধরেই স্বদেশি আন্দোলন পূর্ববঙ্গে এবং কলকাতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ক্রমেই বিস্তার লাভ করে।
সাম্প্রদায়িকতার দেশভাগের নিষ্ঠুর পরিণতিতে বাংলাও অখণ্ড থাকতে পারেনি। সাম্প্রদায়িকতার নির্মম শিকারে বাংলাভাগও অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। লর্ড কার্জনের পরবর্তী ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর প্রত্যক্ষ মদতে ১৯০৬ সালে ঢাকায় নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত হয় মুসলিম লীগ। মুসলিম লীগ গঠনের অধিবেশনে নবাব সলিমুল্লাহর প্রস্তাব সমূহের মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল। এক, ব্রিটিশ শাসকদের প্রতি ভারতীয় মুসলমানদের বিশ্বস্ততার প্রকাশ। দুই, মুসলিমদের রাজনৈতিক অধিকার-স্বার্থ এবং প্রয়োজন-প্রত্যাশা সংরক্ষণ। তিন, অপরাপর সম্প্রদায়ের প্রতি বিরূপ-বিদ্বেষ উদ্ভবের প্রতিরোধ। অসাম্প্রদায়িক শেষের এ প্রস্তাবের পক্ষে মুসলিম লীগ কখনো অবিচল থাকেনি, বরং বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ায় মুসলিম লীগে তীব্র হতাশার সৃষ্টি হয়। হিন্দু মহাসভা ও মুসলিম লীগের রাজনীতির একমাত্র উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হয়ে ওঠে সাম্প্রদায়িকতা। ভারতীয়দের সাম্প্রদায়িক বিভাজনে বিভক্ত করে, একে-অন্যের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ব্রিটিশ তত্ত্বাবধানে প্রতিক্রিয়াশীল মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল। ব্রিটিশদের ইচ্ছাপূরণে হিন্দু মহাসভা ও মুসলিম লীগই অনুঘটকের ভূমিকা পালনে দেশভাগ চূড়ান্ত করেছিল। জাতীয় কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগের ক্ষমতার ভাগাভাগিতে দেশভাগ সম্পন্ন হয়েছিল রক্তাক্ত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্যদিয়ে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে সংগঠিত উভয় সম্প্রদায়ের বাঙালিরা যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাভাগে তেমনটি ঘটেনি। কেননা তখন বাঙালি আর বাঙালি ছিল না। হিন্দু-মুসলমানে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। ধর্মীয় জাতীয়তার কাছে পরাজিত হয়েছিল ভাষাগত জাতীয়তা। সাম্প্রদায়িকতার ছোবলে হারিয়ে গিয়েছিল বাঙালির প্রতিজ্ঞার মণিবন্ধের রাখিবন্ধন। ভ্রাতৃপ্রতিম দুই সম্প্রদায়ে প্রবল সাম্প্রদায়িকতায় বাঙালি হিন্দু-মুসলিম পরস্পরের চরম শত্রুতুল্য হয়ে উঠেছিল। ধর্মীয় উন্মাদনায় চরম সাম্প্রদায়িকতায় বাঙালি জাতীয়তার পতন ঘটে। সাম্প্রদায়িকতার কাছে পরাজিত হয় জাতীয়তা, মানবতা, মনুষ্যত্বের। বাংলাভাগের পেছনে স্থানীয় রাজনীতিক এবং রাজনীতির ভূমিকাকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। বাংলার রাজনীতিকদের ভুলেই সাম্প্রদায়িকতা এবং বাংলাভাগ চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছে ছিল। কৃষক প্রজা পার্টির শেরেবাংলা ফজলুল হক যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লোভ সংবরণ করতে পারতেন তাহলে মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বাংলায় বিস্তারের অমন সুযোগ সৃষ্টি সম্ভব হতো না। ১৯৩৭ সালের নির্বাচন বাংলাভাগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই নির্বাচনে একক কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ না করার কারণে যৌথ সরকার গঠনের বিকল্প ছিল না। কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগ পরস্পরের শত্রুতুল্য। ওই দুই দলের যৌথ সরকার গঠন তখন ছিল অসম্ভব। কৃষক প্রজা পার্টি কংগ্রেস দলকে যৌথ সরকার গঠনের প্রস্তাব দিলে প্রাদেশিক কংগ্রেস প্রস্তাবে সম্মত হলেও, একমাত্র নেহরুর প্রবল আপত্তি ও বিরোধিতায় সেটি সম্ভব হয়নি। ক্ষমতার মোহে ফজলুল হক যৌথ সরকার গঠনে মুসলিম লীগকে প্রস্তাব দেওয়ামাত্র মুসলিম লীগ সেটি লুফে নেয়। বাংলায় গঠিত হয় কৃষক প্রজা পার্টি এবং মুসলিম লীগের যৌথ সরকার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন ফজলুল হক। নেহরুর এবং কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভুল সিদ্ধান্তে এবং অসাম্প্রদায়িক বাঙালি ফজলুল হকের মুসলিম লীগের সঙ্গে যৌথ সরকার গঠনের কারণেই বাংলায় সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পথ উন্মুক্ত হয়েছিল। বাংলার প্রাদেশিক সরকারে সম্পৃক্ত মুসলিম লীগ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বাতাবরণে পাকিস্তান আন্দোলনের পালে হাওয়া পেয়ে যায়। ফজলুল হকের মুসলিম লীগে যোগদান এবং অসাম্প্রদায়িক কৃষক প্রজা পার্টির বিলুপ্তির পর বাংলা প্রদেশ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির চারণ ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। যা পাকিস্তান দাবির পথকে সুগম করে দেয়। জিন্নাহ কর্তৃক মুসলিম লীগ থেকে প্রত্যাখ্যাত ফজলুল হক তার অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিয়ে বাংলাভাগ ঠেকাতে কার্যত কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেননি। ধর্মীয় বিভাজন তখন তুঙ্গে। হিন্দু-মুসলিম পৃথক দুই সম্প্রদায় তখন পরস্পরের মুখোমুখি। একে অপরের চরম শত্রুরূপে রণ সাজে প্রস্তুত। সেই ভয়ানক সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আর কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। চূড়ান্তে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, উচ্ছেদ, বিচ্ছেদ, উৎপাটনের নজিরবিহীন ১৯৪৭-এর বাংলাভাগ, বাংলার ইতিহাসে কলঙ্কজনক ট্র্যাজেডি রূপে স্থান পেয়েছে। রাজনীতিকদের ক্ষমতালিপ্সার বলি হতে হয়েছে নিরপরাধ দুই সম্প্রদায়ের অসহায় মানুষকে। রাজনীতির পাশা খেলায় অবিভক্ত বাংলা আর অখণ্ডিত থাকেনি। খণ্ডিত রূপে পূর্ব ও পশ্চিম বিভাজনে দুই পৃথক রাষ্ট্রের অধীন হয়ে যায়। বাংলাভাগ অনিবার্য হয়ে পড়েছিল, সেটা ঠেকানোর উপায়-অবলম্বনের শক্তি-সাহস আর কারোই ছিল না।
১৯৪৭-এর বাংলাভাগ পূর্ব ও পশ্চিম দুই বাংলার জন্যই কুফল ব্যতীত সুফল বয়ে আনতে পারেনি। পূর্ববাংলাকে যেমন ১২০০ মাইল দূরত্বের পাকিস্তানি রাষ্ট্রের অধীন হতে হয়েছে। পশ্চিমবাংলাকেও তেমনি বৃহৎ ভারতের অধীন হতে হয়েছে। ভারতের রাজনীতি, অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক ভারতীয় পুঁজিপতি শ্রেণি। যারা কেবল ভারতীয় পরিমণ্ডলেরই বিত্তবান নয়, বিশ্বমানের বিত্তবান। যে কলকাতা বাঙালি শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত-প্রসিদ্ধ ছিল, সেই কলকাতা অতীত ঐতিহ্য একে-একে হারিয়ে ফেলেছে। পশ্চিমবাংলা এখন বৃহৎ ভারতের মর্যাদাহীন প্রদেশমাত্র। প্রয়াত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী কলকাতাকে ভারতের ডাস্টবিন বলেও উপহাস করেছিলেন। ভারতকে মোটেও অসাম্প্রদায়িক দেশরূপে বিবেচনা করা যায় না। সাতচল্লিশের সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতিতত্ত্বের মৃত্যু আজও হয়নি। বারবার সেটি দৃশ্যমান রূপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করা যায়। ধর্মনিরপেক্ষ বৃহৎ গণতান্ত্রিক ভারতে হিন্দু মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক বিজেপির জনরায়ে ক্ষমতা প্রাপ্তিকে দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রত্যাবর্তন বলেই গণ্য করা যায়। সঙ্গত কারণেই বলা যায়, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে বাঙালির ঐক্য ১৯৪৭-এ আর দেখা যায়নি। বঙ্গভঙ্গের প্রতিরোধের ধারাবাহিকতার বিপরীতে সাতচল্লিশে ওই বাঙালিরাই সজ্ঞানে বাংলা ভাগ সম্পন্ন করেছিল।
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, নতুন দিগন্ত
.jpg)
