শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, ক্রীড়া জাতির মানদণ্ড। নেশা ও মাদকমুক্ত সমাজ হলো সেই মেরুদণ্ডের মজ্জা। যদি মেরুদণ্ডের মজ্জা শুকিয়ে যায়, দূষিত হয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায় কিংবা ভঙ্গুর অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাহলে সেই মেরুদণ্ড তো সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না কিংবা দাঁড়াতে পারলেও তা দিয়ে কোনো কাজ হয় না। এরকম মেরুদণ্ডের ওপর ভর করে আশাব্যঞ্জক কোনো কিছু হতে পারে না। আমাদের দেশের উদীয়মান তরুণ শিক্ষিত সমাজ হোক কিংবা অশিক্ষিত তরুণ সমাজ হোক—তাদের অনেকেই ক্রমান্বয়ে নেশা ও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আমাদের সমাজে সভ্যতার অগ্রগতি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সমাজে জুয়া, নেশা ও মাদক ব্যবহার আশানুরূপ না কমে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। মাদক, নেশা ও জুয়া—সামাজিক ক্যান্সার নামে এই রোগ যদি বাড়তে থাকে, তাহলে সমাজটা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাবে যা নিরাময় করা খুবই দুরূহ হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে সমাজ থেকে এ ব্যাধিটি নির্মূল-এর ব্যাপারে সতর্ক হওয়া দরকার। আমরা হয়তো সমগ্র দেশে একসঙ্গে সামাজিক এই অপরাধটি নির্মূল করতে পারব না ঠিক, কিন্তু আমরা স্ব-স্ব উপজেলায় যে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমাদের সমাজকে আমরা মাদকমুক্ত সমাজ ও দেশ গড়তে পারব, সেটাই হলো বিবেচ্য বিষয়। সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের উপরই একটি দায়িত্ব রয়েছে। আমরা তা একটু মনে করে যথাযথ পদক্ষেপ নিলেই একটি মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিতে সক্ষম হব। যদি সে দায়িত্বগুলো ঘূর্ণায়মান চক্রের মতো হয়। যেমন—
অভিভাবকের-শিক্ষার্থীর- শিক্ষকের-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের- স্থানীয় লোকদের-স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের- ব্যবসায়ীদের-পুলিশ বিভাগের-প্রশাসনের- রাজনৈতিক দলের- সাংবাদিক ও মিডিয়ার দায়িত্ব এবং নতুন আইন প্রণয়ন করা।
অভিভাবকের দায়িত্ব
পরিবারের প্রধান হিসেবে অভিভাবক যিনি রয়েছেন, তার উচিত সন্তানের চলাচলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা। পরিবার প্রধান-সহ অন্যান্য সবাইকে ছেলে-মেয়েদের প্রতি যে সব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হলো: মাদকে আসক্ত কোনো ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সখ্যতা আছে কি না। নিয়মিত বিদ্যালয়ে যায় কি না। অতিরিক্ত সময়গুলো সে কোন পরিবেশে ব্যয় করে। তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখা।
শিক্ষার্থীর দায়িত্ব
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাকে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে তা হলো— মাদকে আসক্ত কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে মেশা যাবে না। তবে ভালো পথে, সুস্থ পথে, সুস্থ জীবনে নিয়ে আসার জন্য তার সঙ্গে মেশা যেতে পারে। মাদক ও ইভটিজিং-কে ‘না’ বলার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। নিজেকে সতর্ক রাখতে হবে।
শিক্ষকের দায়িত্ব
‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’ আর এর নাবিকের দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষকরা। আর সেখানে শিক্ষার্থী নামের যাত্রীরা যদি বিপথগামী হয় কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামক তরী থেকে হোঁচট খেয়ে পানিতে নিমজ্জিত হয়, সেক্ষেত্রে নাবিকের দায়িত্ব পালনরত শিক্ষক কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না। হ্যাঁ এ কথা সত্যি যে, নাবিকের নির্দেশনা, সতর্কতা অমান্য করে অগ্রাহ্য করে কোনো যাত্রী নামের শিক্ষার্থী যদি সাগরে ঝাঁপ দেয়, তখন নাবিকের দেখে দেখে চেয়ে থাকা এবং দীর্ঘশ্বাস ছাড়া আর কীই বা করার থাকে! একজন শিক্ষক হিসেবে একজন শিক্ষার্থীর প্রতি যে সব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হলো: শিক্ষার্থীর চলাফেরার গতিবিধি। শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রতি সতর্ক দৃষ্টি। সেরকম কিছু মনে হলে শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে, বিদ্যালয় প্রধানের সঙ্গে পরামর্শ করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে হতে পারে— শিক্ষার্থীকে নিরুৎসাহিত করা। শিক্ষার্থীকে বোঝানো। সতর্ক করা। সর্বশেষ বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সমন্বয় করে নেশা ও জুয়ামুক্ত কমিটি গঠন করে প্রতি মাসে না হলেও ত্রৈমাসিক অন্তর কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা, বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক পুরস্কারে ভূষিত করা এবং কাজের অগ্রগতি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অভিভাবকের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা।
স্থানীয় লোকদের দায়িত্ব
সমাজে জনপ্রতিনিধি ছাড়াও স্থানীয় সুনাগরিকের কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে সমাজের প্রতি, কারণ আমরা সমাজে বসবাস করব কিন্তু সমাজের প্রতি কোনো দায়িত্ব পালন করব না এমনটা হতে পারে না। সমাজের সবাইকে নিজস্ব পরিবারের মতোই মনে করতে হবে। এজন্য তাঁদেরকে সচেতন হতে হবে। যাতে করে সমাজের কোনো লোক যেন মাদকাসক্ত না হয়। কোনো কারণে হয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট মাদক সেবনকারীর পরিবারকে সতর্ক করে দিতে হবে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব
সমাজে মাদক, নেশা কিংবা ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং সমাজ থেকে নির্মূল করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেক গুরুদায়িত্ব রয়েছে। তাঁদেরকে এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর হতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় সমাজে যারা এ সব অসামাজিক কার্যক্রমে জড়িত, তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মৌন দৃষ্টিতে হোক কিংবা তাঁদের ব্যক্তিগত স্বার্থে হোক মাদকাসক্ত, নেশা ও জুয়ায় আসক্তদের ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা প্রয়োগ করতে দেখা যায় না। এমনকি অনেক সময় এদেরকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আশে-পাশে কিংবা তাঁদের সঙ্গে ভালো একটা সখ্যতা দেখা যায়, যার ফলে অপরাধীরা নিজেকে একটু শক্তিশালী মনে করে এবং প্রভাব খাটিয়ে সমাজে মাদক, নেশা ও জুয়ার সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। এদের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, যেমন— সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলা। যারা এ জাতীয় অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাঁদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় কিংবা মদদ না দেওয়া। স্থানীয়ভাবে তাঁদের ব্যাপারে জনমত তৈরি করে তাঁদেরকে সামাজিকভাবে কঠোর শাসনের মধ্যে রাখা। প্রয়োজনে তাঁদেরকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদক, নেশা, জুয়া এবং ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে একটি কার্যপ্রণালী তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করা।
ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব
মহান সৃষ্টিকর্তা ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। ব্যবসা এটি একটি সেবামূলক মহৎ কাজ। সেক্ষেত্রে অবশ্যই একজন ব্যবসায়ীকে মনে রাখতে হবে যে আমি এমন ব্যবসা করব না যার দ্বারা আমার মতো অন্য একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের অনাগত নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি সুশীল সমাজ। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এই অঙ্গীকার করা উচিত যে, আমি নেশা জাতীয় পণ্য এবং মাদক দ্রব্য পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ কোনোভাবেই এ জাতীয় ব্যবসা করব না। কারণ সমাজের কাছে তার এ দায়বদ্ধতা রয়েছে।
পুলিশ বিভাগের দায়িত্ব
বাংলার আপামর জনতার রক্ষক, মানুষের জান-মাল, ইজ্জত ও মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখার অতন্দ্র প্রহরী হলেন দেশের পুলিশ বিভাগ। একটি সমাজ কতখানি অপরাধমুক্ত হবে তার সঠিক মানদণ্ড নিরূপণ করে পুলিশ বিভাগের উপর। একটি সমাজকে কাচের আয়নার মতো স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করতে পারে পুলিশ বিভাগ, ‘যদি তারা তা করতে চায়’। তবে অবশ্য এ ক্ষেত্রে তাঁদেরকে থাকতে হবে রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশমুক্ত। সেক্ষেত্রে প্রকাশ্যে বিড়ি-সিগারেট পানকারীর ব্যাপারে যে আইন প্রচলিত আছে তা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তাছাড়া আরও যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে তা হলো: মাদকের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তাঁদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। সেক্ষেত্রে একজন মানুষ হিসেবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মাদকাসক্ত ব্যক্তি সে যেই হোক, সবাইকে আইনের দৃষ্টিতে সমান দেখতে হবে। সমাজে অনেক ভদ্রবেশী মানুষ আছে যারা মাদকে আসক্ত, তাঁদের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ত্রৈমাসিক অন্তর-অন্তর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক নিয়ে পুলিশ বিভাগের সভা-সেমিনারের আয়োজন করা। বিভিন্ন পয়েন্টে জুয়া, মাদক ও ইভটিজিং এর উপর মোবাইল টিম গঠন করে যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সন্দেহভাজন বিভিন্ন স্পট এবং দোকান তল্লাশি করা। বিভিন্ন জায়গায় নির্জন ও পরিত্যক্ত ভবন-আবাসন তল্লাশি করা।
প্রশাসনের দায়িত্ব
একটি এলাকার প্রশাসনের উপর নির্ভর করে ওই এলাকার সার্বিক আইন বাস্তবায়ন। কেননা যদি প্রশাসন মনে করে, ‘আমার এলাকা আমি মাদক ও নেশামুক্ত সমাজ গড়ে তুলব, একটি ইভটিজিং মুক্ত সমাজ উপহার দিব’, সেই মোতাবেক যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে তা হলো: রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিদের, পুলিশ বিভাগের প্রতিনিধিদের, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিবর্গের, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং মসজিদের ইমামদেরকে নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে সমাজকে মাদকমুক্ত সমাজ ঘোষণা করে সেই মোতাবেক কার্যপ্রণালী তৈরি করে তা বাস্তবায়নে নির্দেশ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ত্রৈমাসিক সভার অগ্রগতি মূল্যায়ন করে সেই মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব
রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগণই রাষ্ট্র পরিচালনার চাবি-কাঠি। সেক্ষেত্রে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের এই অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া সময়ের দাবি যে, আমরা আমাদের দেশ, জাতি, সমাজ, পরিবার, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, বিশ্বমানব কল্যাণ ও ধর্মীয় অনুশাসন পালনের স্বার্থে একটি মাদক ও নেশামুক্ত সমাজ এবং দেশ গড়ে তুলব। আর এটা করতে পারলে দেশের সর্বত্র অপরাধের মাত্রা (৩০-৪০)% কমে আসবে। আমাদের নতুন একটি স্লোগান হওয়া দরকার: ‘মাদকমুক্ত দেশ চাই, নেশামুক্ত সমাজ চাই, নিরাপদে চলতে চাই’। আমাদের এ কথা বিশ্বাস রাখতে হবে যে, শুধু অল্প মূল্যের মাদক দ্রব্যই মাদক নয়, সেটা হতে পারে বেশি মূল্যেরও। সমাজের যারা উচ্চবিত্ত কিংবা উচ্চ মধ্যবিত্ত তাঁদেরকে সজাগ ও সতর্ক হতে হবে। আমাদের দেশের সবাই রাজনৈতিক দলের এই অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া দরকার যে, মাদক ও নেশা জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি দলের কর্মী কিংবা নেতৃত্ব পদ পাবে না। মাদকের সঙ্গে পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষভাবে যারা জড়িত তাঁদেরকে স্থানীয় সরকার থেকে আরম্ভ করে কোনো জনপ্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব অর্পণ করা যাবে না। মনে রাখতে হবে যে, ‘সাপের কাছে ব্যাঙ যেমন নিরাপদ নয়, মাদকাসক্ত ব্যক্তির কাছে তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং সমাজের নাগরিকরা নিরাপদ নয়’।
মিডিয়া ও সাংবাদিকদের দায়িত্ব
সমাজ সংস্কারক, পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংশোধন, অন্যায়-দুর্নীতি, অপরাধ দূরীকরণ, সমাজ ও দেশের সার্বজনীন অবস্থার পরিবর্তনের কর্ণধার ও যোদ্ধা হলো মিডিয়া তথা সাংবাদিকবৃন্দ। তারা হলেন সমাজের বিবেক। সমাজ ও দেশকে স্থিতিশীল কিংবা অস্থিতিশীল, সমাজ ও দেশে অপরাধ-অপরাধী শনাক্তকরণ এবং নির্মূলকরণে তাঁদের ভূমিকা হলো অতন্দ্র প্রহরীর মতো। কলমের অস্ত্র থেকে পৃথিবীতে কোনো শক্তিধর অস্ত্র এখনো তৈরি হয়নি আর তারাই হলেন এই অস্ত্রের মালিক। বিবেচ্য বিষয় হলো তারা কীভাবে তা প্রয়োগ করবেন? আর এর উপর নির্ভর করে আমাদের সমাজের এবং দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন। অপরাধের উৎস খুঁজে বের করে তা সমাজ ও দেশের মানুষের সম্মুখে তুলে ধরার গুরু দায়িত্ব মিডিয়া তথা সাংবাদিকবৃন্দের। আর এরা এদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে পারলে সমাজ-সংসার থেকে মাদক, নেশা ও ইভটিজিংসহ অনেক অপরাধই নির্মূল ও সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব।
নতুন আইন প্রণয়ন করা
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বাস্তব সমস্যা নিরূপণের জন্য প্রয়োজনে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন, পরিমার্জন কিংবা পরিবর্ধন করা যেতে পারে।
লেখক: মোহাম্মদ আবদুল জাহের আকন
সিনিয়র শিক্ষক সরকারি সংহতি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হিজলা, বরিশাল এবং বরিশাল জেলা শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ - ২০২৩ খ্রি.