ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরানো অন্যতম চ্যালেঞ্জ প্যারাগুয়ে বনাম তুরস্ক ম্যাচে যে কারনে মিগুয়েল আলমিরনকে লাল কার্ড দেখানো হলো অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা জিতলেই নকআউটে জার্মানি গতির রাজা জর্ডান মরোক্কোর রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম গোল প্যারাগুয়ের ব্রাজিল ম্যাচের চেয়েও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো খেলেছে মরক্কো: ওয়াহবি হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলের রাফিনহা ৯ বছরেও খোলেনি রোহিঙ্গাদের ফেরার পথ বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে সাগরিকায় ক্রিকেটের উন্মাদনা শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যালের বর্ণিল উদ্বোধন ইসমাইল সাইবারিকে ছাড়িয়ে এবার ৬৪ সেকেন্ডে দ্রুততম গোল গ্যালারজারের দূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার অবস্থান কত? ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফায় আলজেরিয়ার অভিযোগ সিরিজ বাঁচাতে পারল না বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া জয়ী ৭ রানে নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ফেসবুকে কান্না করা সেই নয়ন পেলেন ছাত্রদলে পদ নামফলকে নিজের নাম থাকলে উদ্বোধন করব না: এমপি মমিনুল ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল কুমিল্লায় চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টা যুবদল কর্মীর পাকিস্তান সম্মান ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে: শেহবাজ শরিফ ২০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছেন যিনি ২০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল

নির্বাচন ও জনগণের প্রত্যাশা

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
নির্বাচন ও জনগণের প্রত্যাশা

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার অর্পণ করে। তাই প্রতিটি নির্বাচনের সঙ্গে জনগণের নানা প্রত্যাশা জড়িত থাকে। প্রথমত, জনগণের প্রধান প্রত্যাশা হলো সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। তারা চায় কোনো প্রকার প্রভাব, কারচুপি বা সহিংসতা ছাড়া ভোট দেওয়ার সুযোগ। ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ভোটের ফলাফল সঠিকভাবে প্রকাশ করা জনগণের মৌলিক দাবি। দ্বিতীয়ত, জনগণ আশা করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণমুখী হবেন। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে মুক্ত একটি নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তৃতীয়ত, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আশা করে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও দারিদ্র্য বিমোচনের মতো মৌলিক সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান তারা নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা করে। পাশাপাশি তাদের এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে, সমাজে ধনী-গরিব বলে বিচারের ক্ষেত্রে বৈষম্য করবে না। প্রত্যেক সাহায্যপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। এ ছাড়া জনগণ চায় নির্বাচিত সরকার জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিক এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিক হোক। নির্বাচনের আগে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়াই জনগণের আস্থার মূল ভিত্তি।

রাকিব ইসলাম আকাশ 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
সদস্য, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি রাইটার্স সোসাইটি
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]

মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব মন্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের অহংকার-অহমিকা এবং দম্ভ গড়ে উঠেছিল জনগণের ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাই এখনই বলে রাখা ভালো, জনগণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রীরা কখনই কথা বলবেন না আগে জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তারা কী চায়, তাদের জন্য কতটুকু করতে পারবেন সেটা বুঝিয়ে বলবেন মন্ত্রীদের একজন প্রকৃত জনদরদি নেতা, যিনি সততা, সরলতা, ভালোবাসা আদর্শ নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকারের যোগ্যতা থাকতে হবে জনস্বার্থ জনকল্যাণের প্রশ্নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে

মন্ত্রীদের সাহসী, সংগ্রামী আপসহীন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনসেবা চালিয়ে যেতে হবে কারণ মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের অনেক চাহিদা-আবদার থাকতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় মন্ত্রীরা ভোটের আগে তার এলাকায় জনগণকে যে ধরনের আশ্বাস কাজের গতির স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তা ধীরে ধীরে পালন করার চেষ্টার কোনো অবহেলা করবেন না

মনে রাখবেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু নির্বাচনের সময় হওয়া উচিত, কিন্তু বছরের বাকি সময় দলমতনির্বিশেষে সবার উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে মন্ত্রী হলেই যে আপনি দেশের অভিভাবক হয়েছেন সেটা না ভেবে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন, এতে অনেক ফল পাওয়া যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

[email protected]

 

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]

সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রতিবারের মতো এবারও সারা বিশ্ব ভুগছে বিশ্বকাপ জ্বরে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। শহর থেকে মফস্বল কিংবা গ্রাম প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছড়িয়েছে এ উন্মাদনা। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো, জার্সি কেনা আর প্রীতি ম্যাচগুলোর আয়োজনই জানিয়ে দিচ্ছে বাঙালিদের ফুটবলপ্রীতি। তবে এরই মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাগুলো চোখে পড়ছে সংবাদমাধ্যমের বদৌলতে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জুন বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল সমর্থকদের আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের সমর্থকরা। এতে প্রায় অর্ধ শত মানুষ আহত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে অতি আবেগী না হয়ে পারস্পরিক সমঝোতাই পারে এরূপ সংঘর্ষ এড়াতে। এ আসরের আটচল্লিশটি পতাকার রঙের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে যাক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে।

মারিয়া হাসান
শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

কত আর বৈষম্য? সন্তানের চাকরি না পাওয়ার হাহাকার ও আমাদের প্রাপ্তি কী? চারদিকে এত মানুষের চাকরি হচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি নানা নিয়োগের খবর আসছে; অথচ বিবিএ এবং এমবিএ পাস করার পরও আমার সন্তানের কপালে একটি চাকরি জুটছে না। একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণের এই বেকারত্ব মেনে নেওয়া কতটা কঠিন, তা কেবল একজন ভুক্তভোগী মা-বাবাই জানেন। প্রশ্ন জাগে–এ বৈষম্যের শেষ কোথায়? আর কতকাল আমাদের এ যন্ত্রণা দেখতে হবে?

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, মেধা আন্দোলন ও কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল দেশের তরুণ সমাজ। তখন বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়েছিলাম, হয়তো এবার সব ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটবে। কিন্তু আজ যখন আমার মেধাবী সন্তান দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি পায় না, তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। আজ হতাশ হয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়–তাহলে কি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনগুলো মিথ্যা ছিল? মেধার মূল্যায়নের কথা বলে কি তবে একটি সরকারকে হটিয়ে আরেকটা সরকার বসানোর খেলা চলছিল? যদি আমার সন্তানের মতো যোগ্য ও শিক্ষিত তরুণরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিতই থাকে, তবে সেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বা জুলাই বিপ্লবকে আমরা কী বলব? এটা কি শুধুই কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল? আমরা আর কোনো আশ্বাস শুনতে চাই না। আমরা চাই প্রত্যেক তরুণের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হোক। বৈষম্যের এই বেড়াজাল ভেঙে প্রত্যেক শিক্ষিত তরুণ যেন নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ পায়–এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর কতকাল রক্ত ঝরিয়ে ও আন্দোলন করে অধিকার আদায় করতে হবে? এ দেশের মেধাবীরা আর কোনো বৈষম্য দেখতে চায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]