একটি চক্র পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা চর থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে অবলীলায়। এতে নদীভাঙনের শিকার হয়ে যারা বাস্তুহারা হয়েছিলেন তাদের ভিটে জেগে উঠলেও তারা এখন তা ফেরত পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। তাছাড়া পদ্মা সেতুর ১৪ ও ১৭ নম্বর পিলারের কাছে চরের মাটি বেহাত হওয়ায় সেতুও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এদিকে কোস্টগার্ড-সংলগ্ন হওয়ার পরও তারা কর্ণপাত করছে না। দেখেও না দেখার ভান করছে। অপরদিকে কাঁঠালবাড়ী ফাঁড়ি এবং পদ্মার ফাঁড়িকে মাসোহারা দিয়েই এ চক্রটি ছয়টি বড় বড় ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে নিচ্ছে। চক্রটি ফাঁড়ি পুলিশের পাশাপাশি নদীতে সশস্ত্র অবস্থায় তাদের নিজস্ব লোক নিয়োজিত রেখেছে। প্রশাসনের কেউ অভিযানে এলেই তারা আগাম সংকেত পেয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কেউ মুখ খুললে তাদের আর রক্ষা থাকছে না। বিগত দিনে প্রশাসন কিছু ড্রেজার ভাঙচুর চালাতে পারলেও এখন তারা নির্দ্বিধায় মাটি লুটের মহোৎসব চালাচ্ছে। কেউ অভিযোগ করতে গেলে এক ফাঁড়ি অপর ফাঁড়িকে দোষারোপ করছে এবং তাদের থানার আওতায় নয় বলে কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে। চক্রটি প্রশাসনের সবাইকে ম্যানেজ করেই মূলত এহেন অপকর্ম দিব্যি চালিয়ে যেতে পারছে। তাই ভিটেবাড়িহারা প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে এবং ভবিষ্যতে পদ্মা সেতুর ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসককে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]