ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রিটেনে ১০ বছরে ৬ প্রধানমন্ত্রী, কেন বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা? আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচ ঘিরে বেরোবির স্মারক মাঠে উৎসবের আমেজ রাজধানী ও গাজীপুরে আ.লীগের ৪৪ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ‘মেসির মতো আর কেউ আসবে না’ বরিশালে অর্থনৈতিক ইউনিট বেড়েছে, পিছিয়ে কর্মসংস্থানে সেনেগালকে হারিয়ে নক আউট পর্বে নরওয়ে ২৩ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সহযোগিতার নতুন দিগন্তে ঢাকা-কুয়ালালামপুর আমাদের স্যার শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন ২৩ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রস্তাবিত বাজেটে তরুণদের জন্য সবকিছুই থাকছে ডালাসের গর্জনে টিএসসিতে উল্লাস ইসলামী ব্যাংকে বায়তুল মালের নামে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় ২৩ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপে মেসির ১৮ গোল: কোন দলের বিপক্ষে কত দেখে নিন যে কারণে বন্ধ ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচ এমবাপ্পের গোলে ইরাকের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে ফ্রান্স গোল করেই রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসালেন এমবাপ্পে বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বোগডানোভিচ জন্মদিনের আগের রাতে ঝলমলে মেসি রাউন্ড ৩২-এ আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কে? আর্জেন্টিনার ৫ গোলের ৫টিই মেসির পাঁচ বছর পর আবারও আইসিসির মাসসেরা মুশফিক বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচে গোলের কীর্তিতে নাম লেখালেন মেসি মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা গ্যালারির সবচেয়ে ব্যতিক্রমী মুখটি এবার বিশ্বকাপে মেসির রেকর্ড গড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে আর্জেন্টিনা ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি

বইয়ের সৃজনশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা জরুরি

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩৭ পিএম
বইয়ের সৃজনশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা জরুরি
মাকতাবাতুল ইসলামের স্বত্বাধিকারী আহমাদ গালিবের ছবি। সংগৃহীত

আহমাদ গালিব মাকতাবাতুল ইসলামের স্বত্বাধিকারী। কওমি মাদরাসার পাঠ্যবই, অনুবাদ, ইতিহাস, পরকাল ভাবনা ইত্যাদি বিষয়ের বই প্রকাশ করে বেশ সুনাম করেছেন তিনি। ইসলামি প্রকাশনাশিল্পে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তার প্রকাশক হওয়ার গল্প, মানসম্মত বই প্রকাশে ভূমিকা, পাঠকদের জন্য বইমেলায় চমক, ইসলামি বইয়ের জাগরণের ক্ষেত্রে করণীয় ও তরুণ লেখক-প্রকাশকদের সম্পর্কে কথা বলেছেন খবরের কাগজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রায়হান রাশেদ

খবরের কাগজ: আপনি প্রকাশক হলেন কেন? 
আহমাদ গালিব: লেখালেখি, বই পাঠ, বই কেনা ছোটবেলা থেকেই নেশার মতো ছিল। বইয়ের প্রতি ভালোবাসার জায়গা থেকেই ক্রমে প্রকাশক হয়ে উঠেছি। 

খবরের কাগজ: মানসম্মত বই প্রকাশে আপনাদের ভূমিকা কেমন?
আহমাদ গালিব: মাকতাবাতুল ইসলাম মানসম্পন্ন বই প্রকাশের ক্ষেত্রে অগ্রপথিক দাবি করার মতো একটি প্রতিষ্ঠান। শুরু থেকেই এই প্রতিষ্ঠানের স্লোগান হলো ‘সেরা মুদ্রণ ও প্রকাশনার অগ্রপথিক’। এই স্লোগানটি শুধু মুখের ভাষা আর লেখায় সীমিত না রেখে মাকতাবাতুল ইসলাম কাজেও পরিণত করে দেখিয়েছে। ইসলামি প্রকাশনায় আমরাই সর্বপ্রথম সাদা কাগজকে ভিন্ন কালার করে ব্যবহার শুরু করি, যা সাদা কাগজের চেয়ে অধিক দৃষ্টিনন্দন।

খবরের কাগজ: এবারের মেলায় আপনারা কোন ধরনের বই বেশি আনছেন? পাঠকদের জন্য কী চমক থাকছে।
আহমাদ গালিব: ইতিহাস, পরকাল ভাবনা, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। 

খবরের কাগজ: ইসলামি বইয়ের জাগরণের ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?
আহমাদ গালিব: ইসলামি বইয়ের জাগরণের ক্ষেত্রে আমি মনে করি, বই প্রদর্শনী কিংবা বইয়ের মেলা আয়োজন বেশ ফলপ্রসূ হবে। এই মেলা যদি প্রতিটি স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা যায়, তাহলে ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের মধ্যে ইসলামি বইয়ের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। 

খবরের কাগজ: তরুণ লেখক-প্রকাশকদের জন্য আপনার অভিজ্ঞতালব্ধ পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।
আহমাদ গালিব: তরুণ লেখকদের প্রতি পরামর্শ থাকবে, আপনারা বাংলা ভাষাটাকে নিজেদের ভেতরে আরও বেশি করে ধারণ করুন। বাংলা ভাষার রীতি-নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন এবং প্রতিনিয়ত চর্চা অব্যাহত রাখুন। প্রকাশকরা শুধু টাকার দিকে না তাকিয়ে সৃজনশীলতা ও বিষয়বস্তুর বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করুন।

২৩ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০০ এএম
২৩ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুন, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুনর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুনর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার ঢাকা পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০৩ মিনিট

আসর

.৩৯ মিনিট

 

মাগরিব

.৫১ মিনিট

এশা

.০৮ মিনিট

 

ফজর (২১ জুন)

.৪৪ মিনিট

 

 বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: মিনিট

সিলেট: মিনিট

যোগ

খুলনা: মিনিট

রাজশাহী: মিনিট

রংপুর: মিনিট

বরিশাল: মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রকৃত মুমিন নিজেকে কীভাবে সামলে নেয়?

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
প্রকৃত মুমিন নিজেকে কীভাবে সামলে নেয়?
ছবি: সংগৃহীত

কোনো বড় দুর্ঘটনা বা কষ্টের খবর শোনার ঠিক প্রথম কয়েক সেকেন্ড আপনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান? আপনার সেই তাৎক্ষণিক আচরণই বলে দেবে আপনি আসলেই পরকালের পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য কি না!

মানুষের জীবনে সুখের পাশাপাশি দুঃখ, কষ্ট বা বিপদ আসা এক অনিবার্য বাস্তবতা কিন্তু এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মানুষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা নিয়ে ইসলামের রয়েছে এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা সম্প্রতি মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য আত্মিক সহনশীলতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে প্রিয় নবিজি (রাসুল)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে

বিখ্যাত সাহাবি হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত এক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (রাসুল) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রকৃত ধৈর্য হলো কষ্টের প্রথমাবস্থায় বা প্রথম ধাক্কাতেই’ (বুখরি)

এই বাণীর পটভূমি বিশ্লেষণ করলে এক গভীর মানবিক সত্য উন্মোচিত হয় সাধারণত যেকোনো বড় বিপদ, স্বজন হারানো বা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হলে মানুষ শুরুতে চিৎকার, কান্নাকাটি বা ভাগ্যের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেলে এর পর দিন, মাস বা বছর কেটে গেলে সময়ের নিয়মে ক্ষতের তীব্রতা কমে আসে এবং মানুষ বাধ্য হয়েই শান্ত হয় কিন্তু হাদিসের গভীর দর্শন অনুযায়ী, সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি মেনে নেওয়াকে প্রকৃতসবরবা ধৈর্য বলা হয় না

আসল পরীক্ষাটি হয় ঠিক সেই মুহূর্তে, যখন কষ্টের খবরটি প্রথম কান বা বুকে এসে আঘাত করে সেই প্রথম মুহূর্তটিতে যে ব্যক্তি নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থেকে নিজের মুখ মনকে সংযত রাখে, ইসলাম তাকেই প্রকৃত ধৈর্যশীল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়

এই হাদিসটি আমাদের প্রচলিত জীবনবোধে একটি সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয় এটি শেখায় যে, ধৈর্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি অভ্যাসের নাম নয়, বরং এটি হলো আকস্মিক বিপদে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার একটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত আধুনিক মনোবিজ্ঞানও বলছে, যেকোনো ট্রমার প্রথম কয়েক মুহূর্তের মানসিক প্রতিক্রিয়া মানুষের পরবর্তী সুস্থতার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে, যার সমাধান ইসলাম বহু আগেই দিয়ে রেখেছে

 লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

যার শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:০০ পিএম
যার শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম
ছবি: সংগৃহীত

আজকের এই আধুনিক যুগে হাজারও মতবাদ, দর্শন আর মনগড়া জীবনরীতির ভিড়ে মানুষ প্রায়ই সঠিক পথের দিশা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু আধ্যাত্মিক ও সামাজিক মুক্তির আসল চাবিকাঠি কোথায়? হযরত জাবের (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, নিশ্চয়ই শ্রেষ্ঠ বাণী হলো আল্লাহর কিতাব এবং শ্রেষ্ঠ হেদায়াত বা আদর্শ হলো মুহাম্মাদ (সা.)-এর হেদায়াত। তিনি সতর্ক করেন, দ্বীনের মধ্যে যেকোনো নতুন সৃষ্টি বা মনগড়া উদ্ভাবনই হলো নিকৃষ্টতম কাজ, যা মানুষকে নিশ্চিত পথভ্রষ্টতার দিকে নিয়ে যায় এবং যার শেষ পরিণতি জাহান্নাম (মুসলিম, ১৪১; সুনানে নাসাঈ, ১৫৭৮)।

সমাজে কিছু মানুষের মানসিকতা ও কাজ স্রষ্টার কাছে চরম ঘৃণিত রূপ নেয়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, তিন শ্রেণির ব্যক্তি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি ঘৃণিত। তারা হলো–হারাম বা নিষিদ্ধ এলাকায় অপরাধে লিপ্ত ব্যক্তি, ইসলামের ভেতর জাহেলি যুগের কুসংস্কার বা রীতিনীতি চালুর আকাঙ্ক্ষাকারী এবং স্রেফ অন্যায়ভাবে রক্তপাতের উদ্দেশ্যে অন্যের রক্ত কামনা করা ব্যক্তি (বুখারি, ১৪২)।

মানুষের মুক্তি ও অবাধ্যতার সমীকরণ বোঝাতে ফেরেশতারা এক অলৌকিক উপমা দিয়েছিলেন। রাসুল (সা.) যখন নিদ্রিত ছিলেন (যার চক্ষু নিদ্রিত হলেও অন্তর ছিল জাগ্রত), তখন ফেরেশতারা বলেন, যেমন এক ব্যক্তি গৃহ নির্মাণ করে ভোজের আয়োজন শেষে একজন আহ্বায়ক পাঠালেন; যে সাড়া দিল সে খেতে পারল, আর যে দিল না সে বঞ্চিত হলো। এই উপমার ব্যাখ্যায় তারা বলেন, গৃহটি হলো জান্নাত, আহ্বায়ক হলেন মুহাম্মাদ এবং নির্মাতা স্বয়ং আল্লাহ। অতএব, মুহাম্মাদ (সা.)-এর আনুগত্যই আল্লাহর আনুগত্য, আর তিনিই মানুষের মধ্যে ঈমান ও কুফরের পার্থক্যকারী (বুখারি, মিশকাত ১৪৪)।

অনেকেই মনে করেন, সংসার বা স্বাভাবিক জীবন ত্যাগ করে কেবল বৈরাগ্য সাধনেই বুঝি পরম ধর্ম। একবার তিনজন ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর ইবাদতের পরিমাপ শুনে নিজেদের আমলকে কম মনে করে একজন সারা রাত নামাজ পড়া, একজন আজীবন রোজা রাখা এবং অন্যজন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেন। রাসুল (সা.) তাদের এই অতি-ধার্মিকতার ভুল ভেঙে দিয়ে বলেন, আমি তোমাদের চেয়ে বেশি আল্লাহভীরু হওয়া সত্ত্বেও রোজা রাখি ও ছাড়ি, সালাত পড়ি ও ঘুমাই এবং বিয়েও করেছি। অতএব, যে আমার সুন্নাত বা জীবনপদ্ধতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, সে আমার শরিয়াতের অন্তর্ভুক্ত নয় (বুখারি, মুসলিম, ১৪৫)।

সাহাবি হযরত ইরবায বিন সারিয়াহ (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুল (সা.) এমন মর্মস্পর্শী ভাষায় বিদায়ী খুতবা দিলেন যে সবার চোখ অশ্রুসজল হয়ে গেল। তিনি ভবিষ্যৎ মতভেদের যুগে নিজের সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদ্বীনের সুন্নাতকে মাড়ির দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে রাখার নির্দেশ দেন (আবু দাউদ, ১৬৫)। একইভাবে হযরত আলি (রা.) বর্ণিত হাদিসে মদিনার পবিত্র ভূমিতে কোনো মনগড়া প্রথা বা বিদ‘আত চালু করা অথবা বিদ‘আতিকে আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধে আল্লাহ, ফেরেশতা ও সমস্ত মানুষের লানতের কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ)।

দ্বীনের নামে নিজস্ব মনগড়া রীতি বা বিজাতিদের অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং রাসুল (সা.)-এর দেখানো সুন্নাহর সরল পথ আঁকড়ে ধরাই হোক আমাদের জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:০০ পিএম
কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও ২০ লাখ কওমি শিক্ষার্থী বাজেট বৈষম্যের শিকার। ছবি: সংগৃহীত

এবারের জাতীয় বাজেটেও কওমি শিক্ষাধারার জন্য কোনো বরাদ্দ না রাখায় বঞ্চিত হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার কওমি মাদরাসায় ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। এই বৈষম্য দূর করে কওমি মাদরাসা স্বকীয়তা বজায় রেখে এবং সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থেকে কীভাবে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা যায়, সেই লক্ষ্যে গতকাল ২১ জুন তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের সম্মেলনকক্ষে সাধারণ আলেম সমাজের ব্যানারে কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক-গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক আলেম মুসা আল হাফিজ এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ আলেম সমাজের মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান। বৈঠকে কওমি অঙ্গনের তরুণ আলেম, গবেষক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে তাঁদের সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও নীতিগত বক্তব্য তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি অর্থনৈতিক ও বাজেট বৈষম্যের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছিল, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও ২০২৬ সালে কওমি শিক্ষার্থীরা সেই একই ধরনের কাঠামোগত বঞ্চনার শিকার। দেশের মোট জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় বাজেটে কওমি ধারার জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ না থাকা তাদের মৌলিক নাগরিক ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। 

বৈঠকের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক আলেম মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম। তিনি বলেন, ওলামায়ে কেরামদের মধ্যে যারা ইসলামী দল করেন, তারা এক সময় বাজেট নিয়ে কথাই বলতেন না। এখন অবশ্য কথা বলেন, কিন্তু বাজেট নিয়ে তাঁদের উপস্থাপন অনেকটা বামপন্থীদের মতো। 

এবারের বাজেটে রাজস্ব নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা করার উদ্যোগ, করবহির্ভূত আয়ে গুরুত্বারোপ ও বাজেট বক্তব্য বিসমিল্লাহ দিয়ে শুরু করার বিষয়গুলোকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে তিনি কওমি শিক্ষার অনুপুস্থিতি ও ২০০৫-০৬ সালের সাথে তথ্যগত তুলনার বিভ্রান্তি তুলে ধরেন। 

উসুলে হাশতেগানার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কওমি মাদরাসা স্বকীয়তা বজায় রেখে এবং হস্তক্ষেপ মুক্ত অবস্থায় সরকারি বরাদ্দ নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রস্তাবনা দাঁড় করাতে পারলে ভালো হবে। বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে প্রথম আলোর ধর্ম বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মনযূরুল হক, ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্সের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জাতীয় জাকাত তহবিল থেকে রাজস্ব খাতে সরকারের পক্ষে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করা সম্ভব। ইসলামি অর্থনীতির এই শক্তিশালী খাতটি রাষ্ট্রীয় মূলধারার অর্থনীতিতে সন্নিবেশ হতে পারে। তবে এই তহবিলকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত রাখাটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রচিন্তক আলেম মুসা আল হাফিজ বলেন, তিনি সামষ্টিক বাজার পরিস্থিতি ও তরুণদের দূরদর্শিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এক্ষেত্রে ভর্তুকি স্থায়ী কোনো সমাধান নয়, সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। কওমি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা পুরো রাষ্ট্র, বাজেটের প্রক্রিয়া, দেশের অর্থনীতি বুঝতে পারছি কিনা, এটা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে অনুষ্ঠানের মূল সমন্বয়ক ও মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান কওমি তরুণদের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রাষ্ট্রে শিক্ষার ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু নাগরিক অধিকারে কোনো ভিন্নতা থাকতে পারে না।
তিনি ঘোষণা করেন, কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অধিকারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এই গোলটেবিল বৈঠক থেকে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে, যা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দেওয়া হবে।

সাধারণ আলেম সমাজের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইমাম সমাজ বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দীন ওয়াকফ সম্পত্তির আধুনিকায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, বিদ্যমান ওয়াকফ সম্পত্তির অবস্থা নাজেহাল। এই সম্পত্তির আধুনিকায়ন এবং আমানতদারির সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে মাদ্রাসার প্রয়োজন পূরণ তো হবেই, সরকারও রাজস্ব পাবে। কওমি মাদ্রাসার জন্য সাহায্য চাওয়ার বিষয়টি পরিহার করে এখন বরাদ্দের জোরালো দাবি তুলতে হবে।

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব সানাউল্লাহ খান রাষ্ট্রের সাথে কওমি অঙ্গনের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব ঘোচানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারেনি কওমি অঙ্গণ। সম্পর্ক তৈরি না হলে রাষ্ট্র কখনো কওমি মাদ্ নিয়ে ভাববে না। এতিম মানেই কওমি মাদ্রাসা, এই সংকীর্ণ চিন্তা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী সনদের প্রায়োগিক কার্যকারিতা নিশ্চিতের দাবি তুলে বলেন, কওমি সনদের স্বীকৃতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে কোনো কাজে আসছে না। এই স্বীকৃতি যাতে কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে কাজে লাগে, রাষ্ট্রকে সেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ইউসুফ পিয়াস বলেন, জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় বাজেট সম্পর্কে প্রথমবারের মতো কওমি তরুণরা বক্তব্য রাখছেন, বিষয়টা প্রশংসার। সাধারণ আলেম সমাজের দাবির সাথে তিনি একমত পোষণ করেন।

লেদার ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সদস্য সচিব মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ কওমি তরুণদের বড় পরিসরে ব্যবসার মূলধারায় আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যখন ব্যবসা করি, তখন আমরা এটাকে আটা, মধু বা কালোজিরার মধ্যে সীমাবদ্ধ করি। তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ইসলামী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি গঠনের প্রচেষ্টার কথা জানান।

গোলটেবিল বৈঠকে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাধারণ আলেম সমাজের সভাপতি মাছুম বিল্লাহ মাহমুদী, সাধারণ সম্পাদক আকিফ আবদুল্লাহ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের আহ্বায়ক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দীন মাহদী, অনলাইন একটিভিস্ট জাওয়াদ আহমাদ, বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র আন্দোলনের নেতা মো. মাকছুদুর রহমান প্রমুখ এবং সাধারণ আলেম সমাজের নেতৃবৃন্দ। 

বৈঠক থেকে কওমি তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে আইটি, কারিগরি শিক্ষা ও ভাষা শিক্ষার জন্য স্বকীয়তা রক্ষা করে রাষ্ট্রীয় বাজেট বরাদ্দের জন্য নিয়মতান্ত্রিক চাপ সৃষ্টির প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের ব্যাটারী ঘাট এলাকায় অবস্থিত শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার উদ্যোগে অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টায় মাদরাসা অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান ও যুগ্ম-আহ্বায়ক হাজী মোহাম্মদ মনির হোসেন। উদ্বোধক ছিলেন হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিদাউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শহীদুল ইসলাম। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মদিনায় দীর্ঘ ৩০ বছর কুরআনের খেদমতে নিয়োজিত থাকা হাফেজ মাওলানা আবদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইমদাদুল হক তৈয়ব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, আদর্শ ও শিক্ষিত নারী সমাজ গঠনে দ্বীনি শিক্ষার বিকল্প নেই। শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসা কন্যা সন্তানদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় গড়ে তোলার যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

উদ্বোধকের বক্তব্যে মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক বলেন, দ্বীনি শিক্ষা মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা গঠনের মূল ভিত্তি। নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা শহীদুল ইসলাম বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সাফল্য কেবল ফলাফলে নয়, বরং আদর্শবান ও যোগ্য শিক্ষার্থী গড়ে তোলার মধ্যেই নিহিত। তিনি মাদরাসার ধারাবাহিক শিক্ষাগত সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইমদাদুল হক তৈয়ব বলেন, ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসা গত ১৫ বছর ধরে কন্যা সন্তানদের জন্য মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষা প্রদান করে আসছে। মাদরাসাটি ধারাবাহিকভাবে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেআসছে।

এ বছর বেফাকের মেধাতালিকায় স্থান অর্জনকারী দুই শিক্ষার্থীকে রৌপ্য ব্রেসলেট প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে মাদরাসাকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) পর্যন্ত উন্নীত করা, স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা এবং ফারেগ শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, কম্পিউটার, সেলাই ও রান্না বিষয়ক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জন গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। আজীবন সম্মাননা-২০২৬ প্রদান করা হয় হাজী মোহাম্মদ মনির হোসেন, হাফেজ মাওলানা শহীদুল ইসলাম এবং মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হককে। এছাড়া শিক্ষা সম্মাননা-২০২৬ প্রদান করা হয় ন্যাশনাল কালচারাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এনসিএসবি)-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মো. সেলিম আহম্মেদ, পাওয়ার প্লাস ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রিয়াজুল করিম এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আবেদ আলীকে।

অনুষ্ঠানে মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষা কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা করেন। অভিভাবকরাও মাদরাসার কার্যক্রমের প্রশংসা করে বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত প্রদান করেন।

আলোচনা শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং দেশ, জাতি ও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।