সহযোগী অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ ও সুকুন পাবলিশিংয়ের প্রকাশক বিল্লাল হোসাইন জ্ঞানভিত্তিক প্রকাশনার মাধ্যমে পাঠকসমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে চলেছেন। জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত বিল্লাল হোসাইন বুটেক্স থেকে টেক্সটাইল প্রকৌশলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (DUET) পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত। পাশাপাশি, তিনি শরিয়াহ শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে সেন্টার ফর শরিয়াহ স্টাডিজেও অধ্যয়নরত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা এবং তার প্রকাশনা সংস্থা সুকুন পাবলিশিংয়ের অংশগ্রহণ নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুফতি উমর ফারুক আশিকী।
খবরের কাগজ: এবারের আন্তর্জাতিক বইমেলার সামগ্রিক আয়োজন এবং এর ব্যবস্থাপনার মান সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
বিল্লাল হোসাইন: এবারের আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলার সার্বিক আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। দেশি ও বিদেশি প্রকাশকদের অংশগ্রহণে মেলাটি এক অনন্য ইসলামি সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা- সব মিলিয়ে এটি একটি পরিপূর্ণ ও প্রাণবন্ত আয়োজন। আমরা আয়োজকদের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।
খবরের কাগজ: ব্যক্তিগতভাবে আপনি এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বইমেলায় অংশগ্রহণের জন্য কেন সিদ্ধান্ত নিলেন? এই মেলা থেকে আপনি ঠিক কী প্রত্যাশা করছেন?
বিল্লাল হোসাইন: সুকুন পাবলিশিং ইসলামি জ্ঞান, সাহিত্য ও চিন্তাধারার প্রসারে কাজ করে আসছে। তাই এই আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ আমাদের জন্য শুধু একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, এটি দাওয়াহ ও জ্ঞান প্রচারের অংশ। আমরা পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে চাই, তাদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাই এবং ইসলামি বইয়ের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ আরও বাড়াতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা- এই মেলার মাধ্যমে ইসলামি সাহিত্যচর্চার একটি শক্ত ভিত্তি আরও দৃঢ় হবে, ইনশাআল্লাহ।
খবরের কাগজ: মেলায় এমন কোনো বিশেষ দিক বা অব্যবস্থাপনা কি আপনার চোখে পড়েছে, যা থাকলে এই আয়োজনটি আরও বেশি সুশৃঙ্খল ও ফলপ্রসূ হতে পারত?
বিল্লাল হোসাইন: সামগ্রিকভাবে মেলা সফল হলেও কিছু জায়গায় উন্নতির সুযোগ রয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, স্টল বিন্যাস ও পথনির্দেশনা সুস্পষ্ট হলে দর্শনার্থীদের চলাচল আরও সহজ হতো। তা ছাড়া প্রচারণা কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে সাধারণ পাঠকের উপস্থিতিও বাড়ত। আশা করি, ভবিষ্যতের মেলাগুলোতে এসব দিক বিবেচনা করা হবে, যাতে আয়োজনটি আরও সুশৃঙ্খল, আকর্ষণীয় ও ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে, ইনশাআল্লাহ।
লেখক: আলেম ও সাংবাদিক