অনেক আগে বাংলা সনের সঙ্গে খাজনা আদায়ের সম্পর্ক ছিল। আমাদের ছোটবেলায় হালখাতা, মেলা দেখে আমরা বড় হয়েছি। রং-বেরং কাগজে গ্রামগঞ্জের দোকানপাট সাজানো হতো, সন্ধ্যা হতেই নানা বর্ণের আলোকসজ্জার আয়োজন হতো। পয়লা বৈশাখকে ঘিরে গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণের সঞ্চার হতো। সোনার দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আড়ম্বর আয়োজন থাকত। থাকত মিলাদ ও পূজা। মিলত মণ্ডা, মিঠাই, জিলাপি। বাঁধাই করা নতুন খাতা খুলে হিসাব-নিকাশ করতে বসতেন মহাজন। প্রাচীন সেই রীতি এখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। নতুন রীতি এসে ভিড় করেছে। নববর্ষের উৎসব নানা পর্যায় পেরিয়ে বাঙালির মহোৎসবে পরিণত হয়েছে।
মনে পড়ে, চৈত্র-সংক্রান্তিতে মেলা বসত। সে মেলায় মাটির পুতুল, মূর্তি, বাঁশি মিলত। এসব নিয়ে রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে বেশ খানিকটা দোদুল্যমানতা দেখা যেত বটে কিন্তু মানুষের ঢল আটকানো যেত না। হিন্দু-মুসলমান ও বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানের মিলিত স্রোত চলত মেলার পথে।
মূল কথা, বাঙালির জীবনে যা কিছু বড় অর্জন তার সবটাই একিভূত জাতিসত্তার ফসল। আর এরই উজ্জ্বল আবিষ্কার পয়লা বৈশাখের উৎসবের মধ্যদিয়ে। এ ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের ‘নববর্ষ’ প্রবন্ধটি অনুধাবনযোগ্য: ‘মানুষের নববর্ষ আরামের নববর্ষ নয়,... শান্তির নববর্ষ নয়; পাখির গান তার গান নয়, অরুণের আলো তার আলো নয়। তার নববর্ষ সংগ্রাম করে আপন অধিকার লাভ করে; আবরণের আবরণকে ছিন্ন-বিদীর্ণ করে তবে তার অভ্যুদয় ঘটে।’
রবীন্দ্রনাথের এই উচ্চারণ আমাদের জাতিসত্তার ক্ষেত্রে প্রায় সবটাই প্রযোজ্য। যত চেষ্টাই করা হোন না কেন ‘বাঙালি’ সে কারণেই ‘পাকিস্তানি’ হয়ে থাকেনি, কট্টর ধর্মবাদীদের শত চেষ্টার পরও ধর্মজাত হয়ে ওঠেনি। জাতিতত্ত্ব ও নৃতাত্ত্বিক বিচারে সে চিরকাল বাঙালি থেকেছে। কিন্তু এই ‘বাঙালি’ থাকাটার মাঝেও নিরন্তর সংগ্রাম আছে, ত্যাগ আছে। সংগ্রাম করে, যুদ্ধ করে বাঙালিকে সে অধিকার অর্জন করতে হয়েছে। মোটকথা, বাঙালির নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখের আয়োজন জাতীয় জীবনের কঠিন সাধনার ফসল। বহুকাল ধরে নিজেদের পূর্ণ আবিষ্কার করার, জাতীয় মঞ্চ তৈরি করার সাধনা চলেছে। প্রতিবন্ধকতা এসেছে একের পর এক, সে প্রতিবন্ধকতা পেরোতে হয়েছে।
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস কয়েক শ বছরের পুরানো। মূলত তৃতীয় মোঘল সম্রাট আকবরের আমলে এর পত্তন ঘটে। বলা বাহুল্য, বাংলা সন-তারিখের এই প্রবর্তন শাসনতান্ত্রিক সংকট দূর করতে এবং বাংলা মুল্লুক থেকে খাজনাপ্রাপ্তির সুবিধাতেই প্রবর্তন করা হয়। নতুন এই রীতির আগে চান্দ্র মাসের হিসাবে ‘তারিক-ই-ইলাহি’ বর্ষপঞ্জি চালু ছিল। কিন্তু এই হিসাবে দিন কয়েকের হেরফের ঘটে যায়। ফলে ফসল কাটার মৌসুমে খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে বড় সংকট হতো। অনেক ক্ষেত্রে ফসল কাটার আগেই খাজনার তারিখ এসে যেত।
এসব সংকট বিবেচনা করে সম্রাট আকবর রাজ জ্যোতিষী ফাতুল্লা সিরাজীর সহায়তায় একটি নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের উদ্যোগ নিলেন, যা চান্দ্র মাস এবং আধুনিক সৌর ক্যালেন্ডারকে সমন্বয় করে, এবং ‘লিপ ইয়ার’ বাদে ৩৬৫ দিন।
নতুন ক্যালেন্ডারটি সম্রাট আকবর ইংরেজি ৯৬৩ সালে প্রবর্তন করেন। শোনা যায়, বাংলাদেশের চলতি ক্যালেন্ডারটি ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে কিছুটা পরিবর্তন করা হয় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে। এখানে ১৪ এপ্রিলকে পয়লা বৈশাখ হিসেবে স্থায়ী করা হয়। বাংলাদেশে সরকারিভাবে নতুন এই ক্যালেন্ডার চালু হয় ১৯৮৭ সালে।
ঐতিহাসিকভাবেই পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশে নববর্ষের একটা রাজনৈতিক ধারা আছে। পুরানো সেই ধারায় নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। তবে একটা বিষয় উল্লেখ না করে পারা যাবে না। বাংলা একাডেমি পরিবর্তিত পঞ্জিকা অনুসরণ করে বাংলা নববর্ষ পালনে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি বটে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামের বাঙালি সনাতনী পঞ্জিকা অনুসরণ করে চলায় পয়লা বৈশাখের উৎসব খণ্ডিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আলাদা আলাদা দিনে বাঙালি পালন করছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, এমনকি কাজী নজরুলের জন্ম ও মৃত্যু দিন! যেভাবেই হোক না কেন একটা বিভাজন তৈরি হয়েছে- এর সমাধান ভাবা দরকার।
মঙ্গল যা কিছুই থাকে তার পেছনে কষ্ট আছে। রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান দিয়ে অধুনা বাংলা নববর্ষ পালন নতুন জীবন লাভ করে মূলত ১৯৬৭ সাল থেকে। ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদ্যপ্রয়াত সন্জীদা খাতুন এবং আরেক পরলোকগত প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহেদুল হক বর্ষবরণের নতুন ধারার প্রবর্তনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এই বদলানোর প্রেক্ষাপট মনে রাখা জরুরি। পাকিস্তান সরকার উনিশ শ ষাটের দশকে রবীন্দ্রনাথকে নিষিদ্ধের চেষ্টা করে। ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান ও তার বঙ্গীয় গভর্নর মোনায়েম খানের আমলে পালাক্রমিকভাবে রবীন্দ্রবিরোধী আগ্রাসন চলতে থাকে। এমনকি হাস্যকর হলেও সত্য যে, নতুন করে ‘রবীন্দ্রসংগীত’ লেখারও তোড়জোর চলতে থাকে তখন! রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ প্রায় নিষিদ্ধ করা হয়! ঠিক সে সময়েই রমনার বটমূলে বাংলা ১৩৭৪-এর শুরুর দিনটি পালন করে কৃতী সংগীত সংস্থা ছায়ানট। সেই যে শুরু আর পেছন ফেরার দরকার পড়ে না। বছরান্তে শহর-বন্দর-গ্রাম- সর্বত্রই মানুষের ঢল বেড়ে চলে। বৈশাখের প্রথম দিনে গ্রাম-গঞ্জ, নগর-বন্দর এক হয়ে যায়। বাংলা বছরের শুরুর দিনে বাঙালি সংস্কৃতির এইরূপ আরেক নতুনের ডাক দেয়- যা অবধারিতভাবে বাংলা ও বাঙালির সেতুবন্ধ। সেই ডাককে অপ্রাকৃতিক ভাবার সুযোগ নেই। কারণ রাষ্ট্রীয় বিভাজনের নানা দেয়াল তোলা হলেও বাংলাভাষীর অন্তর ও দেহে শেকড়ের যে গ্রন্থি আছে তা আজও সবুজ ও জীবন্ত। শুধু বাংলাদেশ বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামের বাংলাভাষী অঞ্চল নয়, দূরান্তের নানা জনপদে বাস করেও সে কারণে বিশ্বের প্রায় ৩০ কোটি বাঙালি পয়লা বৈশাখে বাঙালি হয়ে ওঠে। এই চেতনাকে অস্বীকার করার সুযোগ কম।
পয়লা বৈশাখের উৎসব সর্বজনীন, যা জাতপাত, ধর্ম-বর্ণ, লিঙ্গনির্বিশেষে। নববর্ষে চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে ধর্মান্ধ ও রাজনৈতিক ইসলামবাদীদের সমালোচনার শেষ না থাকলেও এতে বাঙালির মনের ধর্ম বা জাতের ধর্ম যায়নি। কারণ বাঙালি এমনই এক জাতি, যে ব্যক্তিধর্ম না খুয়েও জাতধর্মের ডঙ্কাকে সামনে নিয়ে সব প্রতিকূলতাকে জয় করেছে। বাংলাভাষীরা এমন এক জাগ্রত জাতি, যারা জীবনের সব ক্ষেত্রে, আনন্দ-উৎসব এমনকি প্রতিবাদেও শিল্পকে প্রধান্য দিয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় সে কারণেই রচিত হয়েছে হাজারো গান, হাজারো নাটক, শিল্পকলা, যা জাতীয় আত্মার ফলগুধারা বিলিয়ে জাতিকে সামর্থ্যবান করেছে।
এসব কারণেই এসেছে মঙ্গল শোভাযাত্রা।
সম্ভবত, ১৯৮৮ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের জন্মবার্ষিকী পালন করতে চারুকলার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রথম শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল। যা পরবর্তীতে পয়লা বৈশাখের ঐতিহ্য হয়েছে। প্রতি বৈশাখে চারুকলার শিক্ষার্থীরা বছরের আলোচিত বিষয়কে উপলক্ষ করে জন্তুজানোয়ারের প্রতিচ্ছবি বানিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। এর মূল লক্ষ্য সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অশুভতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। সমাজকে মঙ্গলের পথে জাগরিত করা।
বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখের যে ব্যাপক উদ্যাপন, এর পেছনে গণমাধ্যমের বড় ভূমিকা আছে, বলতেই হবে। সকাল থেকে শুরু করে সারা দিন পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানমালা টিভি চ্যানেলগুলোয় প্রদর্শিত হয়। গুরুত্বের সঙ্গে তা পত্রপত্রিকায় স্থান পায়। এসবে একটি অমঙ্গলজনক দিকও দৃষ্টিগোচর হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে করপোরেট ব্যবসায়ীরা পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানকে ‘বিপণনযোগ্য বস্তু’তে পরিণত করার কৌশল অবলম্বন করে। এসব ক্ষতিকর বিষয় নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। খেয়াল রাখা উচিত হবে যে, উৎসব পালনে মানুষের যে স্বতঃস্ফূর্ততা তা যেন বাণিজ্যকেন্দ্রিক হয়ে না দাঁড়ায়।
পয়লা বৈশাখ বাঙালির জাতীয় ঐক্য, মিলন ও শেকড়ের সম্মিলিত আরাধনা। এ উৎসবে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে বাঙালি একাকার হয়, খোঁজে মানবসত্তার অখণ্ডতা, নিজের শেকড় ও অস্তিত্ব। বাঙালি জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। যদিও বিভেদ-বিচ্ছিন্নতাও কম নেই এখনো! অথচ সহনশীলতার সংস্কৃতি অর্জন করতে না পারলে যাবতীয় মহৎ অর্জন বৃথা যায়।
গর্ব করার মতো বাঙালির অনেক কিছুই আছে। পরিত্যাগ করার মতোও আছে অনেক। কাজেই যা পরিত্যাজ্য তাকে দূরে ঠেলে সামনে এগোবার শক্তি অর্জন করতে হবে। মনে রাখা উচিত হবে, আমরা যা অর্জন করব তাই আমাদের মঙ্গলের উত্তরাধিকার। রাজনীতি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজনীতি যত সাফল্যই বয়ে আনুক, সমাজকে এগিয়ে নিতে, বিচ্ছিন্নতার সীমাগুলোকে অতিক্রম করতে হলে, মনের দুয়ার খুলে দিতে সংস্কৃতির আন্দোলন জরুরি। কারণ মানুষে মানুষে মিলনের সেতু গড়ে তোলার উদ্যোগ না নিলে মানুষ হওয়ার দাবি মেটে না কখনো।
পাঁচ দশকেরও বেশি পথ পেরিয়েছে নব-আঙ্গিকের বাংলা নববর্ষ উৎসব। এ উৎসব ক্রমেই বিস্তৃত হয়েছে। নানা আয়োজন এসে এর মাত্রা ব্যাপক করেছে, নানা প্রতিবন্ধকতা এসে এর ভিত্তিকে শক্ত করেছে। পয়লা বৈশাখের আত্মা ক্রমান্বয়েই সম্প্রসারিত হয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এ উৎসবে নিজেদের যুক্ত করেছে। এ থেকেই বোঝা যায়, সংস্কৃতির শক্তি প্রভূত। রাজনৈতিক মঞ্চ যা পারেনি, তাই পেরেছে সংস্কৃতির মঞ্চ। কাজেই সংস্কৃতির জোয়ারকে দুয়ার খুলে সামনে এগোবার সুযোগ দিতে হবে।
‘নববর্ষ’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, ‘মানুষ সৃষ্টির শেষ সন্তান বলেই মানুষ সৃষ্টির মধ্যে সকলের চেয়ে প্রাচীন। সৃষ্টির যুগযুগান্তরের ইতিহাসের বিপুল ধারা আজ মানুষের মধ্যে এসে মিলেছে। মানুষ নিজের মনুষ্যত্বের মধ্যে জড়ের ইতিহাস, উদ্ভিদের ইতিহাস, পশুর ইতিহাস সমস্তই একত্র বহন করছে। প্রকৃতির কত লক্ষকোটি বৎসরের ধারাবাহিক সংস্কারের ভার তাকে আজ আশ্রয় করেছে। এই সমস্তকে যতক্ষণ সে একটি উদার ঐক্যের মধ্যে সুসংগত সুসংহত করে না তুলছে ততক্ষণ পর্যন্ত তার মনুষ্যত্বের উপকরণগুলিই তার মনুষ্যত্বের বাধা, ততক্ষণ তার যুদ্ধ-অস্ত্রের বাহুল্যই তার যুদ্ধজয়ের প্রধান অন্তরায়।’
বাংলাদেশের মাটিতে বাঙালি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ। কিন্তু আমরা আজও ছোট জাতিসত্তার অধিকারগুলো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি, যা এক বড় ব্যর্থতা! নিজেকে জানা বা বোঝার জন্য নিজেকে বুঝলেই কেবল চলে না- অন্যকেও বুঝতে হয়. তাদের নৃতত্ত্ব ও সংস্কৃতিকে বুঝতে হয়, অন্যের কথা ভাবতে হয়, দূরকে নিকট করতে হয়। শুধু নিজেদের নয়, নানা সম্প্রদায়ের ভেতরকার কষ্টের কথা জানতে হয়। অতএব, আত্মগরিমার সীমা টেনে, বিচ্ছিন্নতার আহ্বান পরিত্যাগ করে বাঙালিকে স্বাধীন, মুক্ত হতে হবে- এর মধ্যেই মঙ্গল। মানবপ্রেম ও মানব ঐক্যকে অনুধাবন করতে সমর্থ হলেই কেবল বাঙালি জাতি হিসেবে সত্যিকার বিজয়ী হবে।
প্রার্থনা করি, পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন অতীতের ব্যর্থতা ঘুচিয়ে মনুষত্বের ডিঙিতে যাত্রী হওয়ার সুযোগ করে দেবে সবাইকে। আমরা বড় বা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার গরিমায় ছোট বা সংখ্যালঘিষ্ঠদের যেন অপমান না করি।
লেখক: কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও মুক্তিযোদ্ধা