আসন্ন গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। গণভোট কী এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে বোঝাতে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাশাপাশি সরকারের উপদেষ্টারাও প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেখানে হ্যাঁ ভোট দিলে জনগণের স্বার্থ রক্ষিত হবে বলে জানানোর বার্তা সর্বস্তরের প্রচারের জন্য বলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো নির্বাচনি বার্তায় বলা হয়েছে, দেশের চাবি আপনার হাতে, পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ বলুন। এই বার্তা প্রচার জোরদার করার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও তুলে ধরার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের সব দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা, করপোরেশন এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সম্পৃক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। গত রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংযুক্ত উপসচিব মো. সারওয়ার মোর্শেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গণভোট ২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরকে তাদের সেবাগ্রহীতা এবং জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনার পর সরকারের প্রায় ২০ লাখ (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত পদ ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২১১টি) কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবাই প্রচার চালাচ্ছেন, যাতে দেশের শিক্ষিত অংশের পাশাপাশি অর্ধশিক্ষিত, কম শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত কেউই এর বাইরে থাকতে না পারে। কারণ গণভোটে নাগরিকরা কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন? এতে জনগণের কী লাভ হবে? আর ‘না’ ভোট দিলে কী তারা পাবেন না এসব বিষয়ে পরিষ্কার একটা ধারণা দেওয়া যায়। সরকারের সচিব থেকে শুরু করে একজন সাধারণ কর্মচারী (১ম থেকে ২০তম গ্রেড) পর্যন্ত সবাই গণভোটের সচেতনতামূলক প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।
সূত্র জানায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করা কেন গুরুত্বপূর্ণ এটা জনগণ বুঝতে পারছেন কি না, তা নিয়ে সরকার চিন্তিত। এ জন্য সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে গণভোটের প্রচারে। আর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সারা দেশে প্রচারের বিষয়টি মনিটরিং করছে। প্রচারের বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৩১টি মনিটরিং টিম গঠন করেছে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবদের সমন্বয়ে এসব টিম সারা দেশের জেলা পর্যায়ের প্রচার ঠিকভাবে চলছে কি না তা মনিটরিং করছে। এক একটি মনিটরিং টিম জনসচেতনতা বাড়াতে অন্তত ২টি জেলার প্রচারে ব্যানার, লিফলেট, টিভিসি, আঞ্চলিক গানসহ অন্য যেসব উদ্যোগ ঠিকভাবে নেওয়া ও কার্যকর করা হচ্ছে কি না, তা মনিটরিং করছে।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে (অধীনস্ত সংস্থাসহ) মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারে কী কী করতে হবে তার দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
এর মধ্যে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরে (সচিবালয়, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের) অবশ্যই গণভোটবিষয়ক ন্যূনতম ২টি ব্যানার (প্রয়োজনে আরও বেশি সংখ্যক) প্রদর্শনের এবং সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সরকারের এই নির্দেশনা অনুসরণ করছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গণভোটবিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি এ প্রশিক্ষণ শেষ হয়। এই প্রশিক্ষণে বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনলাইনে যুক্ত করা হয়। তা ছাড়া জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সঙ্গে সমন্বয় করে প্রচার চালাতে বলা হয়েছে।
সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগসহ সকল দপ্তর প্রধানদের (প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা এবং মাঠপর্যায়ের) সরকারি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গণভোট বিষয়ে প্রচার চালাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা ওয়ার্ডভিত্তিক জনগণের মধ্যে প্রচারের ছবি সংশ্লিষ্ট ইউএনও/পৌরসভা প্রশাসক, জেলা প্রশাসক/সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসকদের ট্যাগ করে তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রচার করতে বলা হয়েছে। পর্যটন স্থল এবং আশপাশের হোটেল–রেস্টুরেন্ট, বাসস্ট্যান্ড, ফেরি, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন, এয়ারপোর্ট প্রভৃতি জনবহুল স্থানে নির্বাচনি ব্যানার বা পোস্টার লাগাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাস, ট্রেন, লঞ্চ/ফেরিতে লিফলেট প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণভোটবিষয়ক ব্যানার অবিলম্বে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। সমাজে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে বলেছে। যাতে তারা গণভোটবিষয়ক প্রচারে ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা কর্মসূচি নিতে হবে যাতে তারা নিজ নিজ এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয় সরকার বিভাগকে সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রচারের নির্দেশ দিয়ে জনবহুল স্থানে ডিজিটাল বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন লাগানোসহ মাইকিং করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।
গ্রাম পুলিশকে গণভোট সম্পর্কে সচেতন করার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, যাতে তারা গ্রাম পর্যায়ে এই প্রচার চালায়। গণভোট প্রচার কার্যক্রম গতিশীল করতে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা উপজেলা পরিষদের রাজস্ব বাজেট থেকে প্রয়োজনীয় ব্যয় করার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
এনজিওবিষয়ক ব্যুরোকে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং ইউএনওর সঙ্গে সমন্বয় করে এনজিওর মাধ্যমে প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, যেসব স্থানে সরকারি কোনো প্রকল্প বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে পৌঁছানো যাচ্ছে না সেখানে কীভাবে এনজিওকে ব্যবহার করা যায় তার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়কে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাকে (ইমাম, পুরোহিত, পাদ্রি, বৌদ্ধ ভিক্ষু প্রভৃতি) মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা বা অন্যান্য ধর্মীয় স্থানকে ব্যবহার করে ব্যাপক প্রচার চালাতে বলেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগকে গণভোটবিষয়ক ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল প্রচারের জন্য একটি টিম গঠন করার নির্দেশ দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অপতথ্য প্রতিরোধে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের প্রোগ্রামার এবং সহকারী প্রোগ্রামারদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রচার কাজের সুবিধার্থে দ্রুত ৩০টি ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে কীভাবে গণভোট দিতে হবে তা প্রচার করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘ভোটের গাড়ি’তে সব জেলায় এবং সর্বোচ্চসংখ্যক উপজেলায় সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক এবং ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ব্যানার প্রদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের গণভোট সম্পর্কে সচেতনতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে– এমনটা বলা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনায়।
বিভাগীয় কমিশনারদের, সিটি করপোরেশনের মেয়র/প্রশাসকদের বিভাগীয় পর্যায়ের, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত নির্বাচনি প্রচারের সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উপজেলা/ওয়ার্ডে প্রচার চালাতে বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় সব কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র/প্রশাসকদের নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করার নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের নির্বাচনি প্রচারের অগ্রগতি প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবেদন পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।
জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাকে নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত নির্বাচনি প্রচারের সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উপজেলা/ওয়ার্ডে প্রচার চালাতে ডিসি তার জেলার সব কর্মকর্তা, পৌরসভা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করবেন– এমন নির্দেশনার পাশাপাশি ডিসি এই প্রচারণা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে জেলা পর্যায়ের অন্য দপ্তরের কর্মকর্তাদেরও দায়িত্ব দিতে পারবেন বলা হয়েছে। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, ফেরিঘাট, পর্যটনস্পট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট প্রভৃতি জনবহুল স্থানে গণভোটবিষয়ক ব্যানার টাঙানো নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে ডিসি ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাকে।
সমাজের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার যেমন: বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, এনজিও, ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করার নির্দেশনা দিয়ে ডিসি এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তাকে ক্যাবল টিভি চ্যানেলের নিচে স্ক্রলের মাধ্যমে প্রচার চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা পর্যায়ে ইউনিয়ন/ওয়ার্ডভিত্তিক ট্যাগ অফিসারদের সঙ্গে পৌরসভা/উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীকে বিভিন্ন ত্রাণ, ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচির সুবিধাভোগী এবং সেবাগ্রহীতাদের (ত্রাণ, সমাজসেবা, মহিলাবিষয়ক, সমবায়, যুব, এনজিও, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, খাদ্য, পল্লী উন্নয়ন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আনসার ও ভিডিপি প্রভৃতি) নিয়ে গ্রাম/ ওয়ার্ড/ ইউনিয়নভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সব প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষকদের এ বিষয়ে সচেতন করার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনে স্কাউটস এবং গার্লস গাইডদের ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উঠান-বৈঠক, সভা-সমাবেশ আয়োজন করে নারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে গণভোটবিষয়ক তথ্য পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে। তা ছাড়া গ্রাম পুলিশদের গণভোট সম্পর্কে সচেতন করে গ্রাম পর্যায়ে এই প্রচার চালানোর নির্দেশনা রয়েছে। এনজিওগুলোকে প্রচার কার্যক্রম সমন্বয় করার নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রচারে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিত রাখার চেষ্টা করতে হবে যাতে তারা পরবর্তী প্রচারগুলোর মান (স্ট্যান্ডার্ড) ঠিক করে দিতে পারেন।