চল্লিশ ছুঁইছুঁই বয়সে সাধারণত অবসরের ঘোষণা দিয়ে দেন খেলোয়াড়রা। সেই বয়সে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট অভিষেক হলো আসিফ আফ্রিদির। অভিষেকের দিন তার বয়স ৩৮ বছর ২৯৯ দিন। গত ৭০ বছরে পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটারের এত বেশি বয়সে টেস্টে অভিষেক হয়নি।
পাকিস্তান দলে প্রথমবার ডাক পান তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই টেস্ট সিরিজ দিয়ে। যদিও প্রথম ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি তার। সেই অপেক্ষার পালা ঘুচে গেছে দ্বিতীয় টেস্ট দিয়ে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে অভিষেক হলো তার। পাকিস্তানের ২৬০তম টেস্ট ক্রিকেটার তিনি।
দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালা ভঙ্গের কারণে । ২০২২ সালে তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়, যার মধ্যে এক বছর ছিল স্থগিত। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে তিনি আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরলেও দীর্ঘ সময় তিনি ছিলেন নির্বাচকদের নজরের বাইরে।
সম্প্রতি আবার নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নির্বাচকদের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়েছেন বাঁহাতি এই স্পিন অলরাউন্ডার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতাও কম নয়—৫৭টি ম্যাচে তিনি নিয়েছেন ১৯৮টি উইকেট এবং ব্যাট হাতে করেছেন ১,৬৩০ রান।
টেস্ট অভিষেকের ক্ষেত্রে বয়স নিয়ে তার নামও এখন আলোচনায়। পাকিস্তানের ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি বয়সে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল কেবল একজনের—অফ স্পিনার মিরান বাখশ। ১৯৫৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে লাহোরে অভিষেকের সময় তার বয়স ছিল ৪৭ বছর ২৮৪ দিন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য এমন দৃষ্টান্ত আরও রয়েছে। যেমন, ২০১৮ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে এড জয়েস টেস্টে অভিষেক করেন ৩৯ বছর ২৩১ দিন বয়সে। আর সবচেয়ে বেশি বয়সে টেস্ট অভিষেকের বিশ্বরেকর্ডটি রয়েছে ইংলিশ ক্রিকেটার জেমস সাউদারটনের দখলে, যিনি ১৮৭৭ সালে ইতিহাসের প্রথম টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন ৪৯ বছর ১১৯ দিন বয়সে।
নিলয়/










