যদি তাকানো হয় বাংলাদেশের লিড বা দলীয় সংগ্রহে, তাহলে শান্তি পাবে চোখজোড়া। সেখান থেকে ব্যক্তিগত স্কোরে নজর ফেরালে চোখের কোণে জমা পড়বে খানিকটা আক্ষেপ। কারণ লিটন দাস। আজ (১৮ মে) অনবদ্য ব্যাটিংয়ে যিনি সকালে আনন্দে ভাসিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমিদের, দুপুর গড়াতেই তিনি মাটি করে দিয়েছেন ভক্তদের উৎসবের উপলক্ষ। তারপরও সিলেটে সকালের আনন্দ দুপুরে দ্বিগুণ হয়েছে মুশফিকুরের ব্যাটে।
নাজমুল হোসেন শান্ত, বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০১ রান। তৃতীয় ইনিংসে আউট হন ৮৭ রানে। ইতিহাস গড়তে গিয়েও গড়া হয়নি তার। আজ সিলেটের টেস্টের তৃতীয় দিনে একই দুর্ভাগ্যের শিকার লিটন দাস।
ম্যাচের তৃতীয় সকালে শান্ত’র উইকেট পড়ে। এরপরই ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন। নান্দনিক সব শটে মনোরঞ্জন করছিলেন ভক্তদের। মধাহ্নভোজের বিরতিতে যান ৪৮ রান করে। বিরতির পরই স্পর্শ করেন ১৯তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু একই টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়ার সম্ভব হয়নি তারও। আশা জাগিয়ে থেমে যান ৬৯ রানে। তাকে থামান হাসান আলী।
তবে শান্তকে থামিয়ে যেমন মিরপুর টেস্ট বাঁচাতে পারেনি পাকিস্তান, তেমনি সিলেট টেস্টে লিটনকে থামিয়েও আশার আলো দেখছে না সফরকারীরা। তাদের আকাশে ক্রমেই মেঘ জমা করছেন মুশফিকুর রহিম। ৯০ রানে অপরাজিত মি. ডিপেন্ডেবল। বাংলাদেশ চা-বিরতিতে গিয়েছে ৬ উইকেটে ৩০৭ রানের সংগ্রহ এবং ৩৫৩ রানের লিড নিয়ে।
লিটন ফেরার পর মুশফিককে খানিকটা সঙ্গ দেন মিরাজ (১৯)। তাকে নিজের চতুর্থ শিকার বানান খুররাম শেহজাদ। এখন মুশফিকের সঙ্গী তাইজুল ইসলাম (৮*)। বিরতির পর তারা আবারও নামবেন দলের লিড বাড়ানোর মিশনে। আর ভক্তরা অপেক্ষায় মুশফিকের সঙ্গে সেঞ্চুরি উদযাপনে।
অনিক/