আরও একবার বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমু আঁকার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে পাড়ি জমিয়েছেন লিওনেল মেসি। এই শহরেই ১৬ জুন এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলটির অধিনায়ক ও সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসির সামনে এবার একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙার হাতছানিও থাকছে।
এবারের বিশ্বকাপে কমপক্ষে পাঁচটি রেকর্ড ভেঙে সেখানে নিজের নাম খোদাই করতে পারেন মেসি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রেকর্ডগুলো-
সর্বাধিক ম্যাচ
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যেই নিজের দখলে নিয়েছেন মেসি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সাল মিলিয়ে ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। এবার নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে সেই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে নিতে পারবেন তিনি। এ রেকর্ডে তিনি চলে যেতে পারেন সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সর্বাধিক গোল
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজের। ১৬টি গোল করেছেন তিনি। মেসি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে গোল করেছেন ১৩টি। আর চারটি গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হবেন তিনি।
পাঁচ বিশ্বকাপে গোল
২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। শুধু ২০১০ বিশ্বকাপে তিনি কোনো গোল করতে পারেননি। এবার যদি গোল করেন, তাহলে দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার নজির গড়বেন তিনি। এ কীর্তি আছে কেবল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।
সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট
বিশ্বকাপে সতীর্থদের দিয়ে আটটি গোল করিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ডটা এখন ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে যুগ্মভাবে মেসির দখলে রয়েছে। এ বিশ্বকাপে আর একটি গোল করালেই ম্যারাডোনাকে ছাপিয়ে যাবেন মেসি। আর দুটি গোল করালে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টে তার নামে লেখা থাকবে।
অধিনায়ক হিসেবে কীর্তি
এখনও পর্যন্ত অধিনায়ক হিসাবে জোড়া বিশ্বকাপ কেউ জিততে পারেননি। মেসি যদি এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন, তাহলে অধিনায়ক হিসেবে একমাত্র তিনিই দুটি বিশ্বকাপ হাতে তুলবেন। যদি এবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে তাহলে তিনিই হবেন প্রথম অধিনায়ক, যিনি বিশ্বকাপে তিন বার দলকে ফাইনালে তুলবেন। এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ সালে তার নেতৃত্বেই ফাইনাল খেলেছে আর্জেন্টিনা।
তোফায়েল/নাঈম










