ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মে মাসে মব হামলায় নিহত ৩২: এমএসএফ ‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’ শাহজালালের কার্গো শেডে আগুন শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন শিকলবাহায় হত‍্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মরদেহ নিয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ০২০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী মায়ানমারে পাচারকালে দেড় হাজার বস্তা সিমেন্ট আটক ৫২ মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’ হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন? জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে
Nagad desktop

চীনের জে-১০সি দিয়ে রাফাল ভূপাতিত!

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৫, ০৯:৫৯ এএম
আপডেট: ০৯ মে ২০২৫, ১০:০১ এএম
চীনের জে-১০সি দিয়ে রাফাল ভূপাতিত!
চীন ও পাকিস্তানের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

শুধু যাত্রী কেন, অনেক বিশেষজ্ঞও বলেছিলেন টাইটানিক কখনো ডুববে না। কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ সত্য, ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল প্রারম্ভিক যাত্রায় টাইটানিক ডুবেছিল। উত্তর আটলানটিক সাগরে টাইটানিক ডোবার সময় এর ক্যাপটেন এডওয়ার্ড স্মিথ জাহাজটির আর্কিটেক্ট থমাস অ্যান্ড্রুসকে ডেকে নেন। তাকে নিয়ে বারবার কাগজপত্র দেখছিলেন আর নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন, সত্যিই কোনো নির্মাণ ত্রুটি আছে কি-না, আর হিসাব কষছিলেন ডুবতে কতক্ষণ সময় লাগবে। ক্যাপ্টেন যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না, টাইটানিক ডুবছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আকাশযুদ্ধে প্রায় অদ্বিতীয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান। এর নির্মাণশৈলী সমরবিশ্বে ফ্রান্সকে দিয়েছে অনন্য উচ্চতা। পাকিস্তানে ভারতের বিমান হামলার সময় রাফাল ভূপাতিতের ঘটনা গত দুই দিন ধরে ব্যাপকভাবে আলোচিত। সমর বিশেষজ্ঞরা ভেবে পাচ্ছেন না, পাকিস্তান কীভাবে এই অত্যাধুনিক বিমানকে ঘায়েল করল। ফ্রান্সের সম্মানে আঘাত লাগা এই ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। তবে এই বিমান ভূপাতিত কি আকাশযুদ্ধে পাকিস্তানের অনন্য পারঙ্গমতার ইংগিত বহন করে? 

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বের চতুর্থ বিমানশক্তি ভারত। দেশটির এয়ারক্র্যাফট আছে ২ হাজার ২০০টির বেশি। আছে ৫১৩টি ফাইটার। পাকিস্তানের এয়ারক্র্যাফটের সংখ্যা ১৪০০। দেশটির ফাইটারের সংখ্যা ৩২৮।

মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর এই সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা। রাফালকে টার্গেট করেই বিমান প্রতিরক্ষা এবং আক্রমণ চালানোর কৌশল বেশ সাফল্যের সঙ্গেই এই যুদ্ধে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে চীন।

ভারতের পাঞ্জাব এলাকায় একটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে, যেটি চীনের উৎপাদিত পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বলে দাবি করছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। এই ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম দুটি বিমান হলো জে-১০সি ও জেএফ-১৭ ব্লক ৩, যেগুলো বর্তমানে ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয়। 

জে-১০সি হচ্ছে চীনের তৈরি চেংডু এয়ারক্রাফটের একটি উন্নত মাল্টিরোল ফাইটার জেট, যা চতুর্থ ও পঞ্চম (চার দশমিক পাঁচ) প্রজন্মের মাঝামাঝি ক্ষমতার বলে বিবেচিত। এটি উন্নত রাডার ও ইঞ্জিন প্রযুক্তিসম্পন্ন। পাকিস্তান ২০২০ সালে ৩৬টি জে-১০সিই এবং ২৫০টি পিএল-১৫ই ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ডার দেয়। ২০২২ সালে ছয়টি বিমান পাকিস্তানে পৌঁছায় এবং বর্তমানে ২০টি জে-১০সি তাদের বিমানবাহিনীতে সক্রিয় রয়েছে।

বিশ্বের সব দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় সাধারণ দুই ধরনের ব্যবস্থা থাকে। এর একটি উচ্চগতির বিমান প্রতিরোধ ব্যবস্থা। অন্যটি অপেক্ষাকৃত কম গতির বিমানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এর মধ্যে ঠিক কোন ব্যবস্থায় রাফালকে প্রতিরোধ ও ভূপাতিত করা হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা। পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে ফরাসি ক্রোটেল এবং সুইডিশ আরবিএস সেভেনটি ব্যবস্থা। গতির বিবেচনায় রাফাল প্রতিরোধে এটি সক্ষম নয় বলেই মন্তব্য করেছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বলেছে, চায়নার এইচ কিউ-সিক্সটিন এবং তুরস্কের হাসির সমন্বয়ে স্বতন্ত্র এক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা তৈরি করেছে পাকিস্তান। সেটিই তাদের সাফল্যের মূল। 

রাফালের স্টিলথ সিস্টেম (রাডার ফাঁকি দেওয়ার কৌশল) একে করেছে বেশি আকর্ষণীয়। এর এই সত্যকে ধরে নিয়ে চীন ঠিক রাফালকে টার্গেট করেই চায়াংডু জে-টেন সি বিমান নির্মাণ করে। 

চীনের বাইরে পাকিস্তানই একমাত্র দেশ, যারা এই বিমান ব্যবহার করে। এর আগে ২০২৪ সালে ইরানে এক অভিযানে সীমান্ত পেরিয়ে জে-১০সি ব্যবহার করা হলেও তা ছিল যুদ্ধবিমানের আকাশযুদ্ধে অংশগ্রহণ ছাড়াই।

রাফালকে টার্গেট করে আগেই বক্তব্য দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি এর আগে ঘোষণা দেন, ২৯ এপ্রিল রাতে ভারতের পক্ষ থেকে কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোলে চারটি রাফাল বিমানের মহড়ার আয়োজন করা হয়। তবে সে যাত্রায় রাফালের ‘কাউন্টার মেজর’ (প্রতিরোধ ব্যবস্থাসম্পন্ন) প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারটি বিমানকে সীমান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। পরে ভারতের রাফাল বিমানগুলো কাশ্মীরের শ্রীনগরে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। সেদিনই মূলত রাফালের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আত্মবিশ্বাসী হয় পাকিস্তান।

চীনের এই জেট ফাইটার নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মিসর ও উজবেকিস্তান। মিসরের এক সামরিক মহড়ায় এক কর্মকর্তা জে-১০সিতে বসে ছিলেন বলে জানা যায়। অন্যদিকে উজবেকিস্তান পুরোনো সোভিয়েত যুদ্ধবিমান সরিয়ে নতুন মডেল কেনার জন্য রাফাল ও জে-১০সির তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়। 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, ভারতের হামলা প্রতিহতে ব্যবহার করা হয়েছে চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমান দিয়ে। এ ছাড়া পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার সংসদে জানান, ভূপাতিত হওয়া যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে তিনটি ছিল ফ্রান্সের তৈরি রাফাল। তিনি বলেন, এগুলোকে গুলি করে নামিয়েছে পাকিস্তানের জে-১০সি বিমান।

ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জে-১০সি যুদ্ধবিমান চীনের তৈরি পিএল-১৫ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল বিমানগুলো ভূপাতিত করে।

যদিও ভারতের সরকার এ দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবং এখনো পর্যন্ত এর কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। তবে যদি ঘটনা সত্যি হয়, তাহলে এটি হবে রাফাল যুদ্ধবিমানের প্রথম যুদ্ধক্ষেত্রের ক্ষতি এবং চীনের পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রমাণ করার একটি বড় ঘটনা।

এদিকে রাফাল ভূপাতিতের ঘটনাকে একটি মিথ্যা প্রচার বলে অভিহিত করেছে ভারত। বলা হয়েছে, যেসব ছবি বা ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, সেগুলো পুরোনো ঘটনার। তবে একটি ফরাসি গোয়েন্দা সূত্রের মতে, অন্তত একটি রাফাল ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে আরও কোনো বিমান ভূপাতিত হয়েছে কি না, তা এখনো তদন্তাধীন। ফ্রান্সের একজন উচ্চপদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেছেন, ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি রাফাল যুদ্ধবিমান পাকিস্তান ভূপাতিত করেছে। আর এটিই হলো যুদ্ধে ফরাসি-নির্মিত রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার প্রথম ঘটনা। ফরাসি ওই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, পাকিস্তান আরও রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে কি না, ফরাসি কর্তৃপক্ষ তা খতিয়ে দেখছে।

রাফাল ও জে-১০সি- দুটিই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। রাফাল হলো ফ্রান্সের তৈরি, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট একটি মাল্টিরোল বিমান, যেখানে উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা এবং মেটর ক্ষেপণাস্ত্র আছে। অন্যদিকে জে-১০সি হলো চীনের তৈরি বিমান, যাতে আছে উন্নত রাডার এবং পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা ২০০-৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

যদি সত্যিই পিএল-১৫ ব্যবহার করে একটি রাফাল ভূপাতিত করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি বোঝায় যে এখন যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানও উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নাইজারের সাহারা মরুভূমিতে একটি ট্রাক বিকল হওয়ার পর সুপেয় পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মুসলমানদের একটি উৎসবে যোগ দিয়ে মালি থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাদের কাছে থাকা পানি ফুরিয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে নাইজারের আগাদেজ গভর্নরেট।

বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, ট্রাকের আরোহীরা একটি মুসলিম ধর্মীয় উৎসব শেষে মালি থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। যাত্রাপথে নাইজার ও আলজেরিয়ার মধ্যকার প্রধান ‘আসামাকা’ সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র থেকে ৮০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে পশ্চিমে ট্রাকটি বিকল হয়ে পড়ে।

নাইজারের আগাদেজ গভর্নর এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভ্রমণকারীরা ওই সময় মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়েন। চরম তাপমাত্রা এবং পানির কোনও উৎস বা সরবরাহ ব্যবস্থা না থাকায় তাদের জন্য বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

কয়েকদিন ধরে ট্রাক চালক ও যাত্রীরা মিলে ট্রাকটি মেরামেতের চেষ্টা করেছে। কিন্তু চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক্রমেই পানিশূন্যতা ও তৃষ্ণায় একে একে প্রাণ হারান অন্তত ৪৯ জন। ট্রাকের ভেতরে এবং এর আশেপাশে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে গভর্নরের বিবৃতিতে।

ঘটনাস্থলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পাঠানো উদ্ধারকারীদল মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে গণকবর দিয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপমুখী যাত্রার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ট্রানজিট করিডোর হয়ে আছে সাহারা মরুভূমির এই অঞ্চল। প্রতি বছরই তীব্র গরম, পানির অভাব ও দুর্গম পরিবেশের কারণে এই পথে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’
প্রতীকী ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন গবেষকরা। এই ভ্যাকসিনটি ভাইরাসের বড় একটি গ্রুপকে ধ্বংস করতে পারে, যা ভবিষ্যতে যেকোনো মহামারি প্রতিরোধে সাহায্য করবে। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই দাবি করেছেন।

গবেষকরা জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এবারই প্রথম ভ্যাকসিনের মূল উপাদানটি সম্পূর্ণভাবে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এরপর সেটি মানুষের শরীরে ট্রায়াল বা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিনটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা সব ধরনের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করবে। এর মধ্যে কোভিডের সব ভ্যারিয়েন্ট যেমন থাকবে, তেমনি পশুপাখির শরীরে থাকা অন্যান্য করোনাভাইরাসও থাকবে, যা ভবিষ্যতে মানুষের মধ্যে মহামারি ছড়াতে পারে।

এই কাজটির এখনো প্রাথমিক ধাপ চলছে। তবে গবেষক দলটি ইতোমধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) ও ইবোলার জন্য আলাদা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে।

ভ্যাকসিনটি যেভাবে কাজ করে
সাধারণত প্রচলিত ভ্যাকসিনগুলো ভাইরাসের বর্তমান কোনো স্ট্রেন বা রূপ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। কিন্তু কেমব্রিজের গবেষকরা একটু ভিন্ন পথ বেছে নেন। বিভিন্ন নজরদারি কর্মসূচির মাধ্যমে আগে থেকে রেকর্ড করা একগুচ্ছ করোনাভাইরাসের জেনেটিক কোড সংগ্রহ করেন তারা। 

এই জেনেটিক কোডগুলোকে বিশ্লেষণ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। এরপর এআই একটি ‘সুপার-অ্যান্টিজেন’ ডিজাইন করে। অ্যান্টিজেন হলো ভ্যাকসিনের সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে শেখায়। এআইয়ের ডিজাইন করা এই সুপার-অ্যান্টিজেন মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে এমনভাবে তৈরি করে, যাতে পুরো ভাইরাস পরিবার মিউটেশন বা রূপবদল করলেও শরীর তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে। এমনকি পশু থেকে মানুষের শরীরে নতুন কোনো সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও এটি কাজ করবে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাথন হীনি বলেন, ‘এটিই প্রথম এআইয়ের ডিজাইন করা কোনো অ্যান্টিজেন মানুষের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।’ প্রযুক্তিটির সাফল্যে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বিবিসি নিউজকে বলেন, ‘এর উদ্দেশ্য হলো এমন ভ্যাকসিন তৈরি করা, যা শুধু আজকের ভাইরাস থেকেই আমাদের বাঁচাবে না, বরং ভবিষ্যতে যে ভাইরাসগুলো পরবর্তী মহামারি বা রোগ ছড়াতে পারে, সেগুলো থেকেও সুরক্ষা দেবে। মহামারি মোকাবিলার প্রস্তুতিতে এটি একটি মৌলিক পরিবর্তন।’

ট্রায়ালের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
ভ্যাকসিনটি নিরাপদ কি না, তা যাচাই করতে ৩৯ জন মানুষের ওপর প্রথম পরীক্ষা চালানো হয়। এরপর প্রায় ২০০ জনের ওপর দ্বিতীয় আরেকটি গবেষণা করা হবে, যা থেকে বোঝা যাবে এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে কতটা ভালোভাবে প্রস্তুত করছে।

‘জার্নাল অব ইনফেকশন’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর এর প্রভাব এখনো ‘পরিমিত’ বা মাঝারি। তবে তা সত্ত্বেও এটি বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইউনিভার্সিটি অব সাউদাম্পটনের অধ্যাপক সল ফস্ট, যিনি এই ট্রায়ালের কিছু অংশ পরিচালনা করেছেন, তিনি বলেন, ‘ভাইরাস যখন দ্রুত রূপ পরিবর্তন করে, তখন সম্ভাব্য মহামারির জন্য ভ্যাকসিন ডিজাইনে এই প্রযুক্তিটি অনেক বেশি কার্যকর।’

কেমব্রিজের দলটি এখন একটি সর্বজনীন ‘সিজনাল ফ্লু’ ভ্যাকসিনের ওপর এনিম্যাল ট্রায়াল বা পশুর ওপর গবেষণা চালাচ্ছে, যা প্রতিবছর পরিবর্তন করার প্রয়োজন হবে না। এ ছাড়া তারা ‘এইচ৫এন১’ বার্ড ফ্লু ও ইবোলার মতো রক্তক্ষরণকারী জ্বরের ভ্যাকসিনের ওপরও কাজ করছে। কঙ্গোতে বর্তমানে ইবোলার এমন একটি প্রজাতির প্রাদুর্ভাব চলছে, যার কোনো ভ্যাকসিন নেই।

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের পরিচালক অধ্যাপক অ্যান্ডি পোলার্ড এই গবেষণার প্রশংসা করে বলেন, এআই প্রযুক্তি ভ্যাকসিন গবেষণায় আমূল পরিবর্তন আনবে। এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন হবে তা আগে থেকেই অনুমান করতে পারবে। ফলে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ দ্রুত হবে ও মানুষের জীবন বাঁচবে।

যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান মন্ত্রী লর্ড ভ্যালেন্স একে ব্রিটিশ বিজ্ঞানের আরেকটি বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম মানব ট্রায়ালে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় এই কাজ ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্যাণে দ্রুত ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।’
সূত্র: বিবিসি

কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম
ফিরহাদ হাকিম | ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ফিরহাদ হাকিম।

শুক্রবার (৫ জুন) কলকাতা পৌরসভায় সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে প্রায় সাড়ে সাত বছর মেয়র পদে ছিলেন কলকাতা বন্দরের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী ফিরহাদ। কলকাতা পৌরসভার চেয়ারম্যান মালা রায়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

ফিরহাদ কলকাতা পৌরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০০, ২০০৫ এবং ২০১০ সালে এই ওয়ার্ড থেকেই তৃণমূলের টিকিটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে ফিরহাদ পৌরভোটে লড়েননি। ২০১৫ সালে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রণব বিশ্বাস। ২০১৮ সালে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পর কলকাতার মেয়র হওয়ার পর ওই ওয়ার্ড থেকেই উপনির্বাচনে জিতে আসেন ফিরহাদ। ২০২১ সালে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

মেয়র হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার মাস ছয়েক আগেই পদত্যাগ করলেন ফিরহাদ। তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে লালবাড়িতে (কলকাতার পৌরসভার লালরঙা ভবন) তৃণমূল শাসনের আনুষ্ঠানিক অবসান হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

এসএন/

তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ঘটে গেল এক বিরাট রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুই শিবিরে বিভক্ত। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দলের মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনকে সঙ্গে নিয়ে একটি সম্পূর্ণ আলাদা গোষ্ঠী গঠন করেছেন। বিধানসভার স্পিকারের কাছ থেকে প্রধান বিরোধী দলের নেতার স্বীকৃতিও আদায় করে নিয়েছেন তিনি। মাত্র তিন দিন আগেই মমতা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন। তবে বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর ঋতব্রত স্পষ্ট জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তার একমাত্র নেত্রী। দল ভাঙার কোনো উদ্দেশ্য তার নেই। তার এই লড়াই মূলত দলের ভেতরে থাকা ‘এক ব্যক্তির’ একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে। তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন আগের মতোই তাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে পাশে থাকেন।

স্বভাবতই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কে সেই রহস্যময় ব্যক্তি, যার কারণে আজ তৃণমূল কংগ্রেসে এই নজিরবিহীন ভাঙন ধরল? বাংলার রাজনৈতিক মহল এবং খোদ দলের অন্দরের মানুষ ভালো করেই জানেন, এই ব্যক্তি আর কেউ নন, তিনি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু কেন দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনই একজন মাত্র মানুষের বিরুদ্ধে এভাবে এককাট্টা হলেন? বিষয়টি বুঝতে হলে তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্প্রতিক সাংগঠনিক কাঠামো ও তার বিবর্তনকে খুঁটিয়ে দেখতে হবে। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন নিজের একক পরিশ্রমে বাংলায় বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের দুর্ভেদ্য দুর্গের পতন ঘটান, তার পরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সক্রিয় রাজনীতিতে অভিষেক ঘটে। দ্রুত তাকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। ২০১৪ সাল থেকে তিনি ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের এমপি এবং বর্তমানে দলের সাধারণ সম্পাদক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো হওয়ার সুবাদে দলে অভিষেকের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি দিনে দিনে আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। তাকে অলিখিতভাবে দলের প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে দেখা হতে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার বহু পুরোনো ও বিশ্বস্ত সহকর্মীদের চেয়ে অভিষেককে বেশি ভরসা করতে শুরু করেন। এর ফলে দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়েন এবং সংগঠনের রাশ পুরোপুরি অভিষেকের মুঠোয় চলে যায়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দলের ভালো ফলের পর অভিষেকের এই দাপট আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। যে দলটিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, রাজপথে রক্তক্ষয়ী আন্দোলন করে গড়ে তুলেছিলেন, তা ভেতর থেকে এভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছিল অথচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেরই পাননি।

তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতার মতে, দলের অভিজ্ঞ নেতারা অভিষেকের এই আগ্রাসী এবং করপোরেট ধাঁচের দল চালনা পদ্ধতি একদমই মেনে নিতে পারেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির মূল ভিত্তি ছিল মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং আবেগের বন্ধন। অন্যদিকে অভিষেক তৃণমূলের চিরাচরিত ‘নিচ থেকে ওপরে’ ওঠার রাজনীতির বদলে ‘ওপর থেকে নিচে’ নিয়ন্ত্রণ চাপানোর নীতি চালু করে। রাজনীতিতে যুক্ত হয় ডেটাচালিত কৌশল এবং ক্ষমতার জবরদস্তিমূলক আধিপত্য। ফলে দল থেকে দিদির সেই পরিচিত মানবিক স্পর্শ হারিয়ে যায়, আর তার জায়গা নেয় শুষ্ক পরিসংখ্যান ও দর-কষাকষির সংস্কৃতি। দলের একজন প্রবীণ নেতা মমতা ও অভিষেকের এই কার্যপদ্ধতির তুলনা করতে গিয়ে চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘একজন হলেন রবীন্দ্রসংগীত, আর অন্যজন হলেন ডিজে মিউজিক।’

অভিষেকের এই আধিপত্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল একধরনের দূরত্ব ও অহংকার। কলকাতার রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যায়, সাধারণ কাউন্সিলর থেকে শুরু করে বিধায়কদের পক্ষেও অভিষেকের সঙ্গে দেখা করা ছিল একপ্রকার অসম্ভব। বহু নেতাকে তার বিলাসবহুল বাড়ির বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো, এরপর হয়তো বার্তা আসত যে সাক্ষাৎ সম্ভব নয়। অথচ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করা ছিল অনেক সহজ।

আজ যখন বিধানসভা নির্বাচনের এক মাসের মাথায় এসে তৃণমূল কংগ্রেস তার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে, তখন দলের ভেতরের সব আঙুল উঠছে একজনের দিকেই—তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহীরা এখনো প্রকাশ্যেই বলছেন যে দিদিই তাদের নেত্রী এবং তারা দিদির নির্দেশেই চলতে চান। কিন্তু একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিপত্য সংস্কৃতি তারা আর কোনোমতেই বরদাশত করবেন না। সূত্র: এনডিটিভি

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারজন বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে দুজন সিরীয় ও দুজন বাংলাদেশি।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)-কে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এনএনএ জানিয়েছে, একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়া জেলার আব্বা ও আল-দুওয়াইর শহরের মধ্যবর্তী ওয়াতা আব্বার আল-মাশাল এলাকায় দুই দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে।