ঢাকা ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩, রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
খোকসায় বন্ধুজন এর বর্ষাবরণ ও ফল উৎসব আইসিইউতে নতুন আতঙ্ক: ওষুধ প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ায় বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু পতিত সরকার জনমিতিক বোঝা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে: উপদেষ্টা তিতুমীর ঢাকার বাস ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ, ৩২ রুটে সমঝোতা ইউরেনিয়ামকে নিরাপদ রাসায়নিক যৌগে রূপান্তর ব্যাকটেরিয়ার মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্বে আব্দুল হাই ও সুলতান মাহমুদ আশুলিয়ায় জিম্মি উদ্ধার অভিযানে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি সিরিয়ায় দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৩৫ কুষ্টিয়ায় পুকুরে গোসলে নেমে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু ছাত্র আন্দোলন নিয়ে নীরব, বিশ্ব ঐতিহ্য নিয়েই পোস্ট মোদির সফল অস্ত্রোপচার করল হিউম্যানয়েড রোবট জয়পুরহাটে বন্দুক ও শর্ট গানের কার্তুজ উদ্ধার পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম গড়ার প্রত্যয়ে কর্ণফুলীতে র‍্যালি শিক্ষামন্ত্রী গেছেন, এবার সরকার যাবে: রাহুল গান্ধী কক্সবাজারে ইয়াবাসহ আওয়ামী লীগ নেতা আটক সাংবাদিকতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে: পিআইবি মহাপরিচালক চট্টগ্রামে লরিচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাগমারায় বিএনপি নেতার বাড়িতে ককটেল হামলা চট্টগ্রামে নালায় ১৩২০ গুলির খোসা উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে হরিরামপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৩৯ অরবিটাল বুস্টার পুনরুদ্ধারে চীনের বড় সাফল্য আসছে রেঞ্জ রোভারের নতুন ইলেকট্রিক জিটি কুবিতে প্রবেশে ফয়জুল করিম অনুমতি পেলেও বাধার মুখে নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমেরিকার তৈরি অস্ত্র উদ্ধার স্যামসাংয়ের নতুন গ্যালাক্সি ওয়াচ দ্বিতীয় দিনে আরও ১টি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ জমা ২৭ জুলাই: চিফ প্রসিকিউটর

তৃণমূলের পরাজয়ের নেপথ্যে যেসব কারণ

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
তৃণমূলের পরাজয়ের নেপথ্যে যেসব কারণ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের মসনদ হারাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। অবসান ঘটল দলটির টানা ১৫ বছরের শাসনের। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলায় ক্ষমতায় বসছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মূলত দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষমতাবিরোধী মনোভাব (অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি), নিয়োগ, আবাসন প্রকল্পসহ প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির অভিযোগ এবং সংখ্যালঘু (মুসলিম) ভোটব্যাংকে ফাটল ধরায় ধরাশায়ী হয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং হিন্দুত্বের মেরূকরণ বিজেপির পথকে প্রশস্ত করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে সোমবার (৪ মে) একটি যুগান্তকারী দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বুথফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিজেপি। 

যে অটল বিহারি বাজপেয়ী একসময় বাংলায় পদ্ম ফোটানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা অবশেষে বাস্তবায়িত হলো। তৃণমূলের এই অভাবনীয় পতনের পেছনে বিশ্লেষকরা প্রধানত তৃণমূলের প্রশাসনিক ব্যর্থতা, দুর্নীতি, সাংগঠনিক ফাটল এবং বিজেপির সুপরিকল্পিত নির্বাচনি কৌশলসহ কমপক্ষে ৬টি বিষয়কে দায়ী করছেন।

শিক্ষক নিয়োগ থেকে পাচারকাণ্ডে দুর্নীতিতে বিদ্ধ প্রশাসন
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা দপ্তর থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন–সর্বত্রই আর্থিক অনিয়মের ছায়া দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) নিয়োগ দুর্নীতি
রাজ্যের স্কুলগুলোতে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) মাধ্যমে হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধাতালিকাকে তোয়াক্কা না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। 

অভিযোগ রয়েছে, যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের বঞ্চিত করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই কেলেঙ্কারিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম জড়িয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন।

পৌরসভা নিয়োগ কেলেঙ্কারি
শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির কালো ছায়া দেখা গেছে। রাজ্যের একাধিক পৌরসভায় নিয়মবহির্ভূতভাবে কর্মী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। 

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) বর্তমানে এই ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে তদন্ত চালাচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে অযোগ্যদের সরকারি চাকরিতে বসানোর এই অভিযোগ প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

আবাস যোজনায় অনিয়ম ও জনরোষ
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গরিব ও গৃহহীনদের জন্য ঘর বরাদ্দ হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা, কর্মী এবং আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিরা এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছেন। 

অন্যদিকে প্রকৃত অভাবী মানুষ মাথার ওপর ছাদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ঘটনার ফলে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ড
রাজ্যের সীমান্ত ও শিল্পাঞ্চলগুলোতে কয়লা এবং গরু পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, এই পাচার চক্রের সঙ্গে শাসক দলের প্রভাবশালী নেতারা সরাসরি যুক্ত এবং এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হয়েছে। এই পাচারকাণ্ডের শিকড় খুঁজতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো নিয়মিত তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

ভোটার তালিকা সংস্কার ও ‘সন্দেহভাজন’ ভোটার ফ্যাক্টর
নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকার ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তথ্যানুযায়ী, প্রায় ৬১ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরেও ৬০ লাখ মানুষকে ‘সন্দেহভাজন’ বা ‘আন্ডার এডুকেশন’ বিভাগে রাখা হয়েছে, যাদের বড় অংশই তৃণমূলের নিশ্চিত ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। সামান্য বানান ভুল বা বয়সের অসংগতির কারণে ভোটাধিকার প্রয়োগে অনিশ্চয়তা তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যায় সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।

হুমায়ুন কবীরের ‘আম জনতা পার্টি’ ও সংখ্যালঘু ভোট বিভাজন
তৃণমূলের দীর্ঘদিনের দুর্গ বলে পরিচিত সংখ্যালঘু প্রধান জেলাগুলোতে (মুর্শিদাবাদ, মালদহ) ফাটল ধরিয়েছেন বিদ্রোহী নেতা হুমায়ুন কবীর। তার নবগঠিত ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে তৃণমূলের ভোটব্যাংকে ব্যাপক ধস নামিয়েছে। নওদা এবং রেজিনগরের মতো আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয় প্রমাণ করে যে, সংখ্যালঘু ভোটাররা বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছে। অন্তত ৩৫টি আসনে হুমায়ুনের দল ৫ থেকে ১২ শতাংশ ভোট কাটায় সেই সুবিধা সরাসরি বিজেপির অনুকূলে চলে গেছে। অর্থাৎ তৃণমূলের ‘ভোট কাটুয়া’ হিসেবে হুমায়ুন কবীর বিজেপির জয়ের পথ মসৃণ করেছেন।

হিন্দুত্বের মেরূকরণ 
বিজেপি অত্যন্ত সফলভাবে হিন্দুত্বের আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের মেরূকরণ করতে সক্ষম হয়েছে। ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানকে তারা প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলাকালীন বড় দাবি করেছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ‘হিন্দু ভোট সংহত’ হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, মুসলিম ভোটাররা এবার আগের মতো তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) ভোট দেননি। 

মুসলিমদের ভোটের মেরূকরণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘কিছু ভোট মুসলিমপন্থি দলের দিকে গেছে। আবার বিজেপিও সামান্য পরিমাণে কিছু মুসলিম ভোট পেয়েছেন। নন্দীগ্রামের মুসলিম বুথগুলোতে এত ভালো ফলের আশা আমি করিনি।’ 

বিজেপির এই প্রভাবশালী নেতার মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলা গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বিজেপির পক্ষে কাজ করেছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংহতিকে দেখা গিয়েছিল বিজেপির হয়ে প্রচার করতে।

বাম-কংগ্রেসের ব্যর্থতা ও মোদি ম্যাজিক
রাজ্যে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস সাংগঠনিকভাবে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হওয়ায় তাদের বিশাল ভোটব্যাংক তৃণমূলকে রুখতে বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং কেন্দ্রীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি যুবসমাজ ও নারী ভোটারদের একটি বড় অংশকে আকৃষ্ট করেছে। তৃণমূলের একসময়ের বড় শক্তি ‘নারী ভোটব্যাংক’ এবার অনেকাংশেই গেরুয়া শিবিরের দিকে সরে গেছে।

‘বহিরাগত’ তকমা বিফল হওয়া 
তৃণমূল বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ বলে প্রচার করলেও শুভেন্দু অধিকারীর মতো স্থানীয় হেভিওয়েট নেতাদের সামনে রেখে বিজেপি সেই আক্রমণ রুখে দিয়েছে। অনুপ্রবেশ সমস্যা এবং সিএএ-এনআরসি ইস্যু হিন্দু উদ্বাস্তুদের মনে নিরাপত্তার আশা জাগিয়ে বিজেপির ভোট বাড়াতে সাহায্য করেছে।

সিরিয়ায় দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৩৫

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
সিরিয়ায় দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৩৫
ছবি: সংগৃহীত

সিরিয়ার দিয়ের আল-জোর ও রাজধানী দামেস্কের মধ্যবর্তী মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সানা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটির একটিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন এবং অপরটিতে অবস্থান করছিলেন সাধারণ বেসামরিক যাত্রীরা।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, পূর্ব সিরিয়ার সঙ্গে রাজধানীকে সংযুক্তকারী ৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ মহাসড়কটির আল-সুখনা ও পালমিরার মধ্যবর্তী স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকাজের জন্য ঘটনাস্থলে একাধিক অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। সানার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিকিৎসাসেবা দ্রুত নিশ্চিত করতে এবং গুরুতর আহতদের হমসের সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য ঘটনাস্থলে হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যার কারণেই এ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়ার বেসামরিক অবকাঠামো ও মহাসড়কগুলোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সংশ্লিষ্ট মহাসড়কটির নিরাপত্তা মানও বেশ নিম্নমানের।

দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত বছরের অক্টোবরে সিরিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জরুরি সাড়া মন্ত্রী রায়েদ আল-সালেহ জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে দুই হাজারেরও বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সে সময় তিনি মন্তব্য করেছিলেন, বর্তমানে সিরিয়ায় মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অন্যতম।

এএফ/

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে নীরব, বিশ্ব ঐতিহ্য নিয়েই পোস্ট মোদির

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
ছাত্র আন্দোলন নিয়ে নীরব, বিশ্ব ঐতিহ্য নিয়েই পোস্ট মোদির
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রায় দুই ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রথম পোস্ট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে বহুল আলোচিত শিক্ষার্থী আন্দোলন বা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে তিনি সারনাথকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।

মোদি লিখেন, সারনাথের সঙ্গে ভগবান বুদ্ধের গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর জ্ঞান, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বার্তা আজও বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আরও বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি ভারতের সমৃদ্ধ সভ্যতা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং এর ফলে বিশ্বের আরও বেশি মানুষ সারনাথে এসে বুদ্ধের আদর্শের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এ পোস্টের সঙ্গে তিনি ইউনেস্কোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটিও শেয়ার করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিয়ে মোদির ব্যক্তিগত এক্স অ্যাকাউন্টে কোনো মন্তব্য দেখা যায়নি।

এর আগে ২৩ ও ২৪ জুলাই মোদি চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে একাধিক পোস্ট করেছিলেন। একটি পোস্টে তিনি অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে অনশন ভেঙে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার আহ্বান জানান।

আবার ২৩ জুলাই গভীর রাতে প্রকাশিত একটি সেলফি-ধাঁচের ভিডিওতে তিনি প্রশ্নফাঁস রোধে আরও কঠোর আইন আনার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই ভিডিও প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান এনইইটি-ইউজি প্রশ্নফাঁসের দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেন।

এদিকে, আন্দোলনকারী ককরোচ জনতা পার্টি সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।

এসএন/

শিক্ষামন্ত্রী গেছেন, এবার সরকার যাবে: রাহুল গান্ধী

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী গেছেন, এবার সরকার যাবে: রাহুল গান্ধী
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আরও তীব্র অবস্থান নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

তিনি বলেছেন, "শিক্ষামন্ত্রীর পর এবার এই সরকারকেও (মোদি সরকার) সরানোর সময় এসেছে।"

শনিবার (২৫ জুলাই) নয়াদিল্লির ১০ জনপথে নিজের বাসভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

রাহুল লিখেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার পথে একটি বড় পদক্ষেপ।

পোস্টে তিনি দেশটির প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, তোমাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। গণতন্ত্র, সংবিধান এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় যারা রাজপথে নেমে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছ, সেই প্রতিটি তরুণ-তরুণী ও শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

তবে রাহুল আরও বলেন, আন্দোলনের আরও দুটি দাবি এখনও পূরণ হয়নি।

রাহুল গান্ধীর ভাষায়, প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীদের এবং ভারতের ভবিষ্যতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজের অন্যান্য অংশ- কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র এবং এই সরকারের দমন-পীড়নের শিকার প্রত্যেক মানুষের জন্যও প্রকৃত সাহস হলো সাংবিধানিক পথে নিজেদের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢভাবে দাঁড়িয়ে থাকা।

এসএন/

দ্বিতীয় দিনে আরও ১টি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
দ্বিতীয় দিনে আরও ১টি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া
ছবি: সংগৃহীত

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রোমানিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি ড্রোনকে ভূপাতিত করেছে দেশটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা।

ইউক্রেন সীমান্তবর্তী ন্যাটোভুক্ত দেশ রোমানিয়ার আকাশসীমায় ২০২২ সাল থেকে একাধিকবার ড্রোন প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কয়েকটি ড্রোন দেশটির ভূখণ্ডেও আছড়ে পড়েছে।

শুক্রবার রাজধানী বুখারেস্ট থেকে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার (৭০ মাইল) দূরে প্রথমবারের মতো একটি ড্রোন ভূপাতিত করে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাডু মিরুতা জানান, শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে (০৫৩৪ জিএমটি) রোমানিয়ার আকাশসীমায় ‘অবৈধভাবে প্রবেশ করা’ আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন সীমান্তের কাছে দানিউব ব-দ্বীপে স্ফান্তু গেওর্গে থেকে ৯.৬ কিলোমিটার (ছয় মাইল) পশ্চিমে ড্রোনটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মিরুতা বলেন, ‘সকাল ৮টা ২২ মিনিটে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাডারে ড্রোনটি আমাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে তা শনাক্ত হয়। কয়েক মিনিট পর রোমানিয়ার একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সেটিতে আঘাত হানে।’

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রোমানিয়ার আকাশসীমায় অনেকবার ড্রোন প্রবেশের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।

গত মে মাসে একটি ড্রোন দেশটির একটি আবাসিক ভবনে আছড়ে পড়লে দুইজন আহত হয়। এ ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিন্দা জানায় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুপ্রবেশ থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দেয়।

২০২৫ সালে রোমানিয়ার পার্লামেন্ট একটি আইন পাস করে। ওই আইনে দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী ড্রোন ভূপাতিত করার অনুমতি দেওয়া হয়।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন শুক্রবার এক্সে লিখেছেন, ‘আমাদের পূর্ব সীমান্তে প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি।’ তিনি রোমানিয়ার সামরিক বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ভারতের সদ্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের চিঠি

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ভারতের সদ্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের চিঠি
ধর্মেন্দ্র প্রধান

নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, গত ১০ দিনে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহ দেখে তিনি বিচলিত। প্রধান তার পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাঠিয়েছেন।

নিট-ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সিবিএসই-এর অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রক্রিয়ায় অনিয়মের জন্য জবাবদিহির দাবিতে যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভের মধ্যেই প্রধানের পদত্যাগের খবর আসে। এর পাশাপাশি, পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক সংস্কারের দাবিও জানানো হয়।

এখানে তার চিঠির সম্পূর্ণ পাঠ দেওয়া হলো-

আমার তরুণ বন্ধুরা,

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। আমি সর্বদা বিশ্বাস করি যে, একটি বলিষ্ঠ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দূরদর্শী শিক্ষা ব্যবস্থাই একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তিপ্রস্তর।

আমি দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি এবং ন্যায্য প্রত্যাশাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি নৈতিক অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে জাতির সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তবে, ২০২৬ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত NEET-UG পরীক্ষা নিয়ে অনিয়ম প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি অবিলম্বে আমলে নিয়ে ভারত সরকার তদন্তের ভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেয়, পরীক্ষাটি বাতিল করে এবং পুনঃপরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে। এ ছাড়াও, আগামী বছর থেকে এই পরীক্ষাটি সিবিটি (কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা) পদ্ধতিতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই পুরো সময়জুড়ে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার ছিল ২০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রীর জন্য পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলোর- বিশেষ করে জেলা প্রশাসনগুলোর- সক্রিয় অংশগ্রহণে একটি ‘সমগ্র সরকারি’ পদ্ধতির মাধ্যমে এটি অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় ২১ জুন, ২০২৬ তারিখে পরীক্ষাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

প্রথম দিন থেকেই আমি সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছিলাম এবং পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম যে, কোনো মেধাবী ছাত্রছাত্রীর সম্ভাবনা যেন ‘পরীক্ষা মাফিয়াদের’ হাতে নষ্ট না হয় এবং কোনো ছাত্রছাত্রী যেন অবিচারের শিকার না হয়। ১৬ জুলাই ঘোষিত NEET-UG-এর ফলাফল সন্তোষজনক ছিল এবং সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে আসা বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রী সাফল্য অর্জন করেছে।

তবে, সেই সময়েও দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের পথে বাধা সৃষ্টি ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন, যা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত করে।

আমাদের গণতন্ত্রের শক্তির ওপর আমার বরাবরই অটল বিশ্বাস রয়েছে এবং আমি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও প্রত্যাশাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। তারা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎই নয়, বরং এক নতুন ও উন্নত ভারতের মশালবাহক, নির্মাতা এবং স্থপতিও বটে।

গত ১০ দিনের ঘটনায় আমি ব্যথিত। এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়। ভারতের যুবশক্তিই এই জাতির প্রকৃত শক্তি। আমি সংকল্পবদ্ধ যে, দেশের যুবকদের বিভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পড়তে দেব না।

যন্তর মন্তর এবং সারা দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে- দেশবিরোধী শক্তি যাতে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, জাতীয় ঐক্য রক্ষা করা, একজনও ভারতীয় ছাত্রের ভবিষ্যৎ যাতে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করা এবং আমাদের সন্তানদের পড়াশোনায় সময় দিতে ও নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে- আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।

তার নির্দেশনা, আস্থা এবং অবিচল সমর্থনের জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি মন্ত্রিপরিষদের আমার সব সম্মানিত সহকর্মী, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেই সকল ব্যক্তিকেও ধন্যবাদ জানাই, যাদের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। জাতির সেবা আমার জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার; আমি এর প্রতি চিরকাল নিবেদিত থাকব।

ভগবান জগন্নাথের আশীর্বাদে ভবিষ্যতেও আমি ভারতমাতা, ওড়িশার জনগণ এবং দেশের যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সর্বতোভাবে নিজেকে উৎসর্গ করে যাব।

আপনার,

ধর্মেন্দ্র প্রধান

সূত্র: এনডিটিভি