তেহরান থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার এক দিন পর, ইসরায়েল ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরএনএ জানায়, তেহরানে অন্তত দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পাশাপাশি ইসফাহান, কারাজ ও তাবরিজ শহরেও অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলের হামলার পর তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আশেপাশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, পারস্য উপসাগরে থাকা সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, ইসরায়েল এই হামলায় আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। যদিও তারা এ হামলার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দেয়নি।
এ ছাড়াও হামলার সময় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয় এবং লাখো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যায়। দেশটির সেনাবাহিনী গণমাধ্যমকে জানায়, তারা অন্তত তিন দফায় আসা অন্তত ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।
রবিবার (৭ জুন) ইসরায়েল লেবাননের বৈরুতে হামলা চালিয়েছে। এতে দুজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরায়েল হুশিঁয়ারি দিয়ে বলেছে, তারা পুরো লেবানন জুড়ে অভিযান চালিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল প্রথমে হামলা চালানোর পর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর আগে ইসরায়েল লেবাননের বৈরুত শহরের দক্ষিণাঞ্চলে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই হামলা চালিয়েছিল। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাও জটিল হয়ে পড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
থিও/