ঢাকা ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সোনারগাঁয়ে ট্রাকের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ৪ পাঠকের গল্প : জোছনা রাতের গন্তব্যে জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক হাতিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত নোবিপ্রবিতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনে নানা আয়োজন জাবিতে ‘জুলাই: রক্তঋণের উত্তরাধিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী যমুনা ব্যাংকের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দের সেই গোলটি বিশ্বকাপের সেরা নিয়োগ দেবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রেনেসন্স ঢাকা গুলশানে শুরু হচ্ছে ইতালিয়ান উইকএন্ড থিম নাইট বিশ্বকাপ দেখতে কানাডায় গিয়ে ১০ বাংলাদেশির রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা ঠাকুরগাঁয়ে ৯ বছর পর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গোলরক্ষকের কারচুপি ঠেকাতে নতুন নিয়মের পরীক্ষায় যাচ্ছে ইংলিশ ফুটবল রুয়েটের নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে ইসির প্রতিনিধিরা আখাউড়ায় অভিযানে ১ হাজার ফুট পাইপ গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীর ৩ বছরের কারাদণ্ড বালু উত্তোলনের ভিডিও ফেসবুকে দেওয়ায় সাংবাদিককে হাত-পা কেটে নেওয়ার হুমকি, জিডি নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন মা, শিশুর দায়িত্বে ইউএনও জুলাই শহিদদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হবে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ টানা পাঁচ উইকেট মেডেন, টেস্ট ইতিহাসে নজির গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস শরীয়তপুরে সেপটিক ট্যাংকে ককটেল বিস্ফোরণ বেরোবিতে আড়াই বছর ধরে শূন্য উপ-উপাচার্য পদ, আলোচনায় ড. ফেরদৌস বাড়ানোর পরদিন কমল স্বর্ণের দাম কোনো আন্দোলনকারীকে একা ছেড়ে দেওয়া হবে না: সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপির বার্তা ভৈরবে বাজার নামকরণ নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ টিভিতে আজকের খেলা ইবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. এমতাজ ও ট্রেজারার ড. ইদ্রিস

হিজবুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে জিহাদের আহ্বান মোজতবা খামেনির

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
হিজবুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে জিহাদের আহ্বান মোজতবা খামেনির
মোজতবা খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রতি তেহরানের অটল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের প্রশংসা করে বলেন, ‘জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ নেই।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম ও সংগঠনের যোদ্ধাদের উদ্দেশে মোজতবা খামেনি বলেন, হিজবুল্লাহকে রক্ষা করা ইরানের ‘কৌশলগত দায়িত্ব’। তিনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটাতে হলে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে বন্ধ হতে হবে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের পর খামেনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ ও প্রতিরোধই একমাত্র পথ।’

তিনি লেখেন, ‘আজ বিশ্বের মানুষ যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও অপরাধী জায়নবাদীদের অত্যাচার ও নিপীড়নে ক্লান্ত। এ অবস্থায় জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ নেই।’

খামেনি বলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহ ‘অবিচল প্রাচীর’ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাদের এই দৃঢ়তা বিশ্বের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

মোজতবা খামেনি বলেন, তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নীতির ধারাবাহিকতায় হিজবুল্লাহকে রক্ষা করা ইরানের ‘কৌশলগত দায়িত্ব’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বার্তায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত বলে উল্লেখ করা হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব সাইয়েদ হাসান নাসরাল্লাহসহ নিহত যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার ভাষ্য, তাদের আত্মত্যাগ হিজবুল্লাহকে ‘একটি চারাগাছ থেকে শক্তিশালী বৃক্ষে’ পরিণত করেছে এবং ইসলামি বিশ্বে লেবাননের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

শেষে তিনি হিজবুল্লাহর যোদ্ধা, প্রবীণ সদস্য, বাস্তুচ্যুত বেসামরিক জনগণ এবং নিহতদের পরিবারের জন্য দোয়া করেন এবং তাদের চূড়ান্ত বিজয়ের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সূত্র: এনডিটিভি

কোনো আন্দোলনকারীকে একা ছেড়ে দেওয়া হবে না: সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপির বার্তা

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১৩ এএম
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ এএম
কোনো আন্দোলনকারীকে একা ছেড়ে দেওয়া হবে না: সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপির বার্তা
ছবি: এনডিটিভি

কোনো আন্দোলনকারীকে বিপদে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি-কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ মধ্যরাতের বৈঠক শেষে এই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

সোমবার (২৭ জুলাই) আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রাজ্য সরকার থেকে দ্রুত সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে কেন্দ্র আশ্বস্ত করেছে বলে জানিয়েছে দলটি।

এর আগে, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার যে চুক্তি সরকারের সঙ্গে হয়েছিল, তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ফের নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল সিজেপি। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতির মোড় ঘোরে এবং সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের স্বস্তি দিয়ে বিহার ও আসাম সরকারের নির্দেশিকার কপি তুলে দেওয়া হয়।

রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্ট শেয়ার করে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটকদের মুক্তি এবং কেন্দ্র ও বিজেপির নেতৃত্বাধীন অন্যান্য রাজ্যগুলোর মাধ্যমে সুরক্ষা বিজ্ঞপ্তি জারি করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সৌরভ দাস বলেন, 'আমাদের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে দেখা করেন। এই বৈঠক প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ধরে চলে। তারা বিহার ও আসাম সরকারের বিজ্ঞপ্তির কপি আমাদের দেখিয়েছেন, যেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং সমস্ত আটক ও গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।'

তিনি আরও যোগ করেন, কেন্দ্র এবং অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের লিখিত নিশ্চয়তা দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। 'আশা করি সম্মত হওয়া ভাষাই বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহার করা হবে। কোনো আন্দোলনকারীকে একা ছাড়ব না আমরা।'

বৈঠকের পর এক ভিডিও বার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারি আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ার যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন সিজেপি নেতারা, তা সরকারকে সরাসরি জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা তাদের জানিয়েছিলাম যে সরকারের দেওয়া আশ্বাস নিয়ে আমরা চিন্তিত। জবাবে তারা বিহারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি আমাদের দেখান, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব এফআইআর বাতিল করা হবে এবং ভবিষ্যতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না'। আন্দোলনকারীরা যাতে দেশের কোথাও আইনি জটিলতায় না পড়েন, সে জন্য অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই নির্দেশিকা দ্রুত জারির আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র।

এর আগে সোমবার সিজেপি-র মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেছিলেন যে, আলোচনার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও দেশের একাধিক জায়গায় আন্দোলনকারীদের পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, 'চুক্তি ভেঙে বিহার ও বাংলায় শত শত ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দিল্লিতে সহযোগীদের আটক করা হচ্ছে।' মামলা প্রত্যাহার করা না হলে ফের আন্দোলনের হুমকি দেন তিনি।

অভিযোগ ওঠার পরপরই তৎপর হয় কেন্দ্র। সোমবার গভীর রাতে সৌরভ দাস জানান, বিহার ও আসামের পর রাজস্থান সরকারের পক্ষ থেকেও আশ্বাস পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, 'রাজস্থানে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এবং কোনো নতুন এফআইআর-ও দায়ের হবে না।'

উল্লেখ্য, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির জন্তর মন্তরে অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে ৩৭ দিন ধরে চলা এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ইতি ঘটেছিল গত সপ্তাহান্তে, যখন শিক্ষামন্ত্রী তার পদ থেকে ইস্তফা দেন। তবে আন্দোলনের শেষ মুহূর্তে এসেও দেশের প্রতিটি প্রান্তে অংশ নেওয়া তরুণদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবিচল অবস্থান ধরে রেখেছে সিজেপি। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/

মুখ স্ক্যান করে শনাক্ত করা হচ্ছে ককরোচ বিক্ষোভকারীদের

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ এএম
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ এএম
মুখ স্ক্যান করে শনাক্ত করা হচ্ছে ককরোচ বিক্ষোভকারীদের
ছবি: এনডিটিভি

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত সপ্তাহে দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের জেরে নজিরবিহীন তাণ্ডব ঘটে। ওই ঘটনার শত শত গিগাবাইট সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত সেন্ট্রাল দিল্লির এই বিক্ষোভস্থলে গত ২০ ও ২২ জুলাই 'ককরোচ জনতা পার্টি'র (সিজেপি) সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অন্তত ১০০টি সিসিটিভি ক্লিপে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তার ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকে, পুলিশের ওপর হামলা চালায়, পাথর নিক্ষেপ করে এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীর মুখ ভেসে উঠেছে যাদের রেকর্ড ইতোমধ্যেই পুলিশের খাতায় রয়েছে। ফেস-রিকগনিশন প্রযুক্তির সহায়তায় এ পর্যন্ত ২,৮৭৩ জন অপরাধী ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

সূত্রটি আরও নিশ্চিত করেছে যে, এদের মধ্যে ৯৮৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, চেষ্টা চালানো, ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের মতো মারাত্মক সব গুরুতর অপরাধের রেকর্ড রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এদের অনেকের নামই অভ্যাসগত অপরাধী হিসেবে আগের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত এবং অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ঝুলছে।

বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, উন্মুক্ত জনতা পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে, ব্যারিকেড ভাঙছে, কাঁদানে গ্যাস বা মরিচের গুঁড়ো (পেপার স্প্রে) ছড়াচ্ছে, গাড়ি ভাঙচুর করছে এবং বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকানপাটে হামলা চালাচ্ছে।

গত ২০ জুলাই সংসদ মার্গে আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে পুলিশ লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার দৃশ্য রেকর্ড হয়। একই দিনে যন্তর মন্তরের কাছে পুলিশের একটি গাড়িতে ভেতরে সদস্য থাকা অবস্থাতেই তা উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। টলস্টয় মার্গে বাসের টায়ার পাংচার করা এবং এক জায়গায় একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে।

ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গেছে সরাসরি পুলিশ সদস্যদের নিশানা করা হচ্ছিল। আহত এক নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে তার সহকর্মীরা নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন এবং সংসদ মার্গে এক পুলিশ সদস্যকে ঘিরে ধরে গণপিটুনি দেওয়ার মতো দৃশ্যও পাওয়া গেছে। রক্তে ভেজা ইউনিফর্ম পরা বহু আহত পুলিশ সদস্যের ছবি পাওয়া গেছে। দিল্লি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই সংঘাতের সময় প্রায় ২০০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

চলতি মাসের ২২ জুলাই কর্মকর্তা নন্দকিশোর ও বিবেক ভগতের ওপর হামলার চিত্রও সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড হয়। এছাড়া কিছু বিক্ষোভকারীর আপত্তিকর বক্তব্য ও কটু মন্তব্যও পুলিশ তাদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করেছে।

এদিকে, নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জের ধরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মূল দাবি আদায় হওয়ার পর গত শনিবার সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। ২০ জুলাইয়ের 'চলো সংসদ' পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু প্রথম তথ্য বিবরণী দায়ের হলেও, সরকার তা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটির নেতৃবৃন্দ। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/

যুদ্ধের প্রভাবে চাপে ইরানের অর্থনীতি, বাড়ছে নতুন সংকট

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
যুদ্ধের প্রভাবে চাপে ইরানের অর্থনীতি, বাড়ছে নতুন সংকট
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনায় ফিরেছে। আপাতত উভয় পক্ষের সামরিক অভিযান স্থগিত রয়েছে। তবে যুদ্ধের প্রভাব এখনো কাটেনি। হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি লোহিত সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরেও এর প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও বাড়ছে চাপ।

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে। অন্যদিকে কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক নৌপথে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এদিকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে দ্বিতীয় দফায় মার্কিন নৌ অবরোধের মুখে পড়েছে ইরান। এর মধ্যে জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনা করছে দেশটির সরকার। এমন সিদ্ধান্তে জন-অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরানের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে দেশটি ১ হাজার ১৫০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল বিক্রি করেছে। এ ছাড়া গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) কার্যকর থাকার সময় আরও ৬৫০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি হয়েছে।

১৭ জুন স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে নৌ অবরোধও শিথিল করে। এতে বৈশ্বিক তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফেরে।এর আগে ১৩ এপ্রিল শুরু হওয়া প্রথম নৌ অবরোধ দুই মাসের কিছু বেশি সময় স্থায়ী হয়েছিল। সে সময় ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রায় শূন্যে নেমে আসে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন। নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ চললে রপ্তানি আয় আরও কমবে। 

অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ
তেল রপ্তানিতে বাধা ইরানের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তুলছে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, কাঠামোগত সমস্যা ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে দেশটির অর্থনীতি আগেই চাপে ছিল। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের অবকাঠামোরও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। সংঘাত বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

ইরানের সরকার জানিয়েছে, যুদ্ধের কারণে প্রতিদিন প্রায় ২৩ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কমে গেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। পার্স স্পেশাল ইকোনোমিক এনার্জি জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেখাভাত আসাদি বলেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রতিদিন অন্তত ১০ কোটি ঘনমিটার উৎপাদন পুনরুদ্ধারের আশা করছে ইরান।

দেশটিতে প্রতিদিন ২ কোটি লিটারের বেশি পেট্রলের ঘাটতি রয়েছে। আমদানি, মজুত ব্যবহার এবং নাগরিকদের কম জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। সরকার ব্যক্তিগত মাসিক পেট্রল কোটাব্যবস্থার তৃতীয় ধাপের পেট্রলের দাম দ্বিগুণ করার কথা বিবেচনা করছে। অতীতে জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। এতে পানি সরবরাহ ও যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ‘কর্মসংস্থান রক্ষায় সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় চীনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। যুদ্ধের কারণে তারা তেল আমদানি কমিয়েছে। রাষ্ট্রীয় পেনশন তহবিলসংশ্লিষ্ট সাবা পেনশন স্ট্র্যাটেজিস ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর আগে যেখানে দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল ৩০ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ, এখন সেই হার বেড়ে প্রায় ৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

লোহিত সাগর ও কাস্পিয়ানেও যুদ্ধের প্রভাব
যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু হরমুজ প্রণালিতে সীমাবদ্ধ নেই। গত সপ্তাহে ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবগামী জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে অবরোধ ঘোষণা করে। তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং সৌদি তেল স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর জবাবে ইয়েমেনে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

অন্যদিকে কাস্পিয়ান সাগরে একটি জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি, জাহাজটি ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল বহন করছিল।ঘটনার পর তেহরানে ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটি সতর্ক করেছে, এই হামলার জবাব দেওয়া হবে।

যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাবের মধ্যে ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ কট্টরপন্থি বিশ্লেষকরা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, ব্যর্থ হলে কঠোর সামরিক জবাব: ট্রাম্প

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ এএম
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, ব্যর্থ হলে কঠোর সামরিক জবাব: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন আবারও সামরিক অভিযান শুরু করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৭ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, 'তারা আমাদের সঙ্গে বসতে চায় এবং আমরাও আলোচনা করছি। একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।'

ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম 'চ্যানেল ১২'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খুবই সংক্ষিপ্ত। চুক্তিটি হতে হবে দ্রুত, অন্যথায় সামরিক পথ ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

ট্রাম্প বলেন, 'যদি আলোচনা সফল না হয়, তবে আমরা আবারও অত্যন্ত কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করব।'

দুই সপ্তাহের টানা সামরিক হামলার পর মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রয়েছে। তবে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানি অবরোধ কার্যকরের অংশ হিসেবে তাদের বাহিনী ১৭টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং দুটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের সামুদ্রিক অবরোধের চেষ্টাকে অঞ্চলে 'যুদ্ধ বিস্তারের শামিল' বলে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনো সরাসরি সমঝোতা আলোচনা চলছে না এবং ভবিষ্যতের যেকোনো আলোচনা মার্কিন আচরণের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করবে। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি

আজহার/

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কোনো শহরে পানিশূন্য হওয়ার শঙ্কা

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ এএম
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কোনো শহরে পানিশূন্য হওয়ার শঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের উপকূলীয় শহর কর্পাস ক্রিস্টিতে ভয়াবহ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড় এ শহরটির সম্পূর্ণ পানিশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিন লাখের বেশি মানুষের  এ শহরে দীর্ঘদিন ধরে  খরা থাকায়, পানির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং নতুন পানির উৎস গড়ে তুলতে বিলম্ব হওয়ায় সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

শহরের পানিসংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছে দ্রুত শিল্পায়ন। কর্পাস ক্রিস্টি অঞ্চলে গড়ে ওঠা বড় বড় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করছে। ফলে খরা ও চরম আবহাওয়ার কারণে পানির উৎসগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালে সেখানে একটি প্লাস্টিক রাসায়নিক কারখানা চালু হয়। কারখানাটি শীতলীকরণ কাজে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিমাণ পানি কর্পাস ক্রিস্টির সব বাসিন্দার দৈনিক পানি ব্যবহারের সমান।

পানিসংকট মোকাবিলায় ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এই প্ল্যান্টে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহারের উপযোগী করা হবে। তবে অর্থের অভাব, প্রশাসনিক জটিলতা এবং স্থানীয় বিরোধিতার কারণে প্রকল্পটি এখনো আটকে আছে।

এদিকে জলবায়ুর পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টেক্সাসে একাধিক তীব্র খরা দেখা দিয়েছে। এতে শহরের প্রধান জলাধারগুলোর পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নেমে গেছে।

ইনসাইড ক্লাইমেট নিউজের সাংবাদিক ডিলান ব্যাডোর বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অন্য যেকোনো শহরের তুলনায় কর্পাস ক্রিস্টি পানিশূন্য হওয়ার সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থায় পৌঁছেছে।’ তার ভাষ্য, সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত কিছুটা স্বস্তি দিলেও শহরের মজুত পানি মাত্র এক বছরের চাহিদা মেটানোর মতো রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিকে জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সংকট কাটাতে বিভিন্ন বিকল্পও বিবেচনা করছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে গভীর ভূগর্ভস্থ কূপ খনন এবং শিল্পকারখানায় পুনঃপ্রক্রিয়াজাত বর্জ্য পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা। পাশাপাশি প্রস্তাবিত ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টটি চালু হলে প্রতিদিন কয়েক শ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে এবং এটি শেষ হতে আরও কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।

পানির ব্যবহার কমাতে এরই মধ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাসিন্দাদের বাগানে পানি দেওয়া সীমিত করা হয়েছে। গাড়ি ধোয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পানি সরবরাহ বন্ধ রাখা হতে পারে। আবার সীমিত সময়ের জন্যও পানি সরবরাহ করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্পাস ক্রিস্টির এই সংকট কেবল একটি শহরের সমস্যা নয়। ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং কমে আসা মিঠা পানির উৎসের কারণে বিশ্বের অনেক শহরই ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি