প্রতিবছরের মতো এবারও নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম অক্টোবরে ঘোষণা করেছে রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স ও নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি। ২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ও নোবেল পুরস্কার শুরুর ইতিহাস তুলে ধরেছেন আবরার জাহিন।
নোবেল পুরস্কার
সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে এবং তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেওয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার। ১৮৯৫ সালে এক উইলে ‘মানবজাতির সর্বোচ্চ সেবায় অবদান রাখা’ ব্যক্তিদের জন্য এই পুরস্কার নিবেদিত করেছেন তিনি।
১৮৮৮ সালে আলফ্রেড মৃতদের তালিকা দেখে বিস্মত হন, যা একটি ফরাসি পত্রিকায় এ মার্চেন্ট অব ডেথ হু ডেড প্রকাশিত হয়। যেহেতু নোবেলের ভাই লুডভিগ মারা যায়, এই নিবন্ধটি তাকে ভাবিয়ে তোলে এবং খুব সহজেই বুঝতে পারেন যে ইতিহাসে তিনি কীভাবে স্মরণীয় হতে চান। যা তাকে তার উইলটি পরিবর্তন করতে অনুপ্রাণিত করে।
১৮৯৭ সালে নোবেলের উইল অনুমোদন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি নামক একটি সংস্থা তৈরি করা হয়। শিগগিরই নোবেল পুরস্কার দেওয়ার অন্য সংস্থাগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। নোবেল ফাউন্ডেশন কীভাবে নোবেল পুরস্কার দেওয়া যায়, তার একটি নীতিমালায় পৌঁছায়।
১৯০০ সালে নোবেল ফাউন্ডেশন নতুনভাবে একটি বিধি তৈরি করে যা রাজা অস্কার কর্তৃক জারি হয়। ১৯০৫ সালে সুইডেন ও নরওয়ের মধ্যে বন্ধন বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি শুধু শান্তিতে নোবেল পুরস্কার এবং সুইডেনের প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য পুরস্কারগুলো প্রদান করে থাকে।
আলফ্রেড নোবেল তার মোট সম্পদের (৩১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা) ৯৪ শতাংশ এই পাঁচটি পুরস্কারের জন্য উইল করেন। ১৮৯৭ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহ প্রবণতার জন্য নরওয়ে থেকে এই উইল অনুমোদন করা হয়নি।
তার উইলের সমন্বয়কারী রগনার সোলম্যান ও রুডলফ লিলজেকুইস্ট নোবেল ফাউন্ডেশন তৈরি করেন।
রসায়ন
এ বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট-ইটিনে অধ্যাপক মুঙ্গি বাওয়েন্ডি, মার্কিন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুই ব্রুস ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সের সদস্য আলেক্সি ইয়াকিমভ। কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার ও উন্নয়ন এবং ন্যানো পার্টিকেলের আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে অবদান রাখার জন্য চলতি বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন এ তিন রসায়নবিদ।
ন্যানো পার্টিকেল বা বস্তুর অতি ক্ষুদ্রকণার কোয়ান্টাম আচরণের বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা থাকলেও, নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানী ক্ষুদ্রকণার নতুন আচরণ কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছেন। তারা ২ থেকে ৭ ন্যানোমিটার আকৃতির ‘ন্যানোক্রিস্টাল’ বা ‘কোয়ান্টাম ডট’ উদ্ভাবন করেছেন। ন্যানো টেকনোলজির এ ক্ষুদ্রতম উপাদানগুলো এখন টেলিভিশন এবং এলইডি লাইট থেকে তাদের আলো ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যান্য অনেক জিনিসের মধ্যে টিউমার টিস্যু অপসারণ করার সময় সার্জনদেরও নির্দেশনা দিতে পারে।

‘কোয়ান্টাম ডট’ হচ্ছে সিলিকনজাতীয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ দ্বারা ন্যানো স্কেলের পারমাণবিক বা আণবিক কাঠামো। যখন কোনো বস্তুকে ছোট করতে করতে ন্যানো আকারে নেওয়া হয় তখন সেটি ‘কোয়ান্টাম’ হিসেবে আচরণ করে। যার ভেতরে ওই পদার্থের শক্তি নিহিত থাকে। মূল পদার্থের তুলনায় অস্বাভাবিক সব বৈশিষ্ট্য দেখা যায় এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণায়।
এখন পর্যন্ত ব্যবহৃত ন্যানো টেকনোলজির মধ্যে কোয়ান্টাম ডট বা ন্যানোক্রিস্টালই সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন। এই প্রযুক্তি সৌরকোষ, ট্রানজিস্টার, ডায়োড লেজারে এবং পদার্থ, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন স্তরে মেডিকেল ইমেজিং ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে ব্যবহার হচ্ছে। পরিবেশ, এনার্জি, মেডিকেল সায়েন্স, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সের অনেক নতুন নতুন দিক উন্মোচনে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছে। ১ ন্যানোমিটার হলো, ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ। ৪ অক্টোবর তাদের নাম ঘোষণা করেছে।
সাহিত্য
২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়োন ফসে। নোবেল কমিটি একক কোনো লেখার জন্য নয়, তার রচিত বিপুল সাহিত্যকর্মের জন্যই ইয়োন ফসেকে পুরস্কৃত করেছে। কারণ তার সাহিত্যকর্মের ছোট তালিকা করা যায় না। এর চেষ্টাও অসম্ভব কঠিন।
৬৪ বছর বয়সী ইয়োন ফসের লেখায় তুলে এনেছেন অনুচ্চারিত থেকে যাওয়া বহু কথা। ৪০টির মতো নাটক লিখেছেন। নাটক ও উপন্যাস ছাড়াও প্রবন্ধ, কবিতা, শিশুতোষ বই রয়েছে ইয়োন ফসের। রয়েছে অনুবাদের বইও।
সমসাময়িক দুনিয়ার সবচেয়ে মেধাবী ১০০ মানুষের একজন হিসেবে স্বীকৃত তিনি। তার সেপটোলজি ট্রিলজির তৃতীয় খণ্ডটি ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিল। ৪০টি অনবদ্য নাটক লিখেছেন ফসে।

রয়েল সুইডিশ একাডেমি জানিয়েছে, তাকে নোবেল দেওয়ার মূলে আছে ‘নির্বাককে কণ্ঠ দেওয়ার উদ্ভাবনী নাটক এবং গদ্য।’ তিনি তার নাটক এবং গদ্যের মাধ্যমে সেসব মানুষের ভাষা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন, যারা কথা বলতে অক্ষম।
ইয়োন ফসে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে খ্যাতিমান নাট্যকারদের একজন। সুইডিশ একাডেমির বর্ণনায় তিনি এ সময়ের সবচেয়ে বেশি মঞ্চস্থ হওয়া অন্যতম নাট্যকার। তার কথাসাহিত্যের খ্যাতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নরওয়েতে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতাকে শিল্পিত সুষমায় লেখায় তুলে ধরেছেন ইয়োন ফসে।
নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান আন্দ্রেয়াস ওলসন তাকে বর্ণনা করেছেন নানা বিচারে অনন্য এক লেখক হিসেবে। ইয়োন ফসের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে, উপন্যাস ‘বোটহাউস’ (১৯৮৯) এবং ‘মেলাংকলি’ ১ ও ২ (১৯৯৫ ও ১৯৯৬)। সাহিত্যিক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৮৩ সালে ‘রেড, ব্ল্যাক’ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে। আত্মহত্যার মনস্তাত্ত্বিক ভাষ্য তুলে ধরা এই উপন্যাসটি তার পরবর্তী সাহিত্যকর্মের সুর বেঁধে দেয়। ৫ অক্টোবর পুরস্কারের জন্য তার নাম ঘোষণা করেছে।
শান্তি
শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ইরানের মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি। ৬ অক্টোবর নোবেল কমিটি তার নাম ঘোষণা করে। নোবেল কমিটি জানায়, ইরানে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মানবাধিকার ও সবার জন্য স্বাধীনতার পক্ষে তার যে প্রচেষ্টা, সেজন্য তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
নার্গিস মোহাম্মদি একজন নারী, মানবাধিকারকর্মী ও স্বাধীনতা যোদ্ধা। তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অধিকারের জন্য সাহসী লড়াইয়ের ফলে ব্যক্তিগত অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সাহসী সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে নার্গিস মোহাম্মদিকে অভাবনীয় মূল্য দিতে হয়েছে। ইরান সরকার তাকে ১৩ বার গ্রেপ্তার ও ৫ বার দোষী সাব্যস্ত করেছে। সব মিলিয়ে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ও ১৫৪টি বেত্রাঘাত করেছে। তিনি এখনো কারাবন্দি আছেন।

২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী আরেক ইরানি নারী শিরিন এবাদির নেতৃত্বাধীন এনজিও ডিফেন্ডার্স অব হিউম্যান রাইটস সেন্টারের উপ-প্রধান নার্গিস মোহাম্মদি।
চিকিৎসাবিজ্ঞান
এ বছর চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেয়েছেন হাঙ্গেরির ক্যাটালিন কারিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ড্রু উইসম্যান। কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কার্যকর নিউক্লিওসাইড বেস পরিবর্তন সংক্রান্ত এমআরএনএ টিকা আবিষ্কারের জন্য এ পুরস্কার পেলেন তারা। তাদের এ আবিষ্কারের ওপর ভর করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর এমআরএনএ টিকা উদ্ভাবন করা হয়।

২০০৫ সালে এমআরএনএ নিয়ে এই দুই গবেষকের প্রথম যৌথ গবেষণা প্রকাশ হয়। প্রকাশিত গবেষণা সে সময় গুরুত্ব না পেলেও, ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির সময় তাদের ওই গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই টিকা উদ্ভাবনের দিকে এগোয় টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও মডার্না।
বিজয়ীদের প্রসঙ্গে নোবেল কমিটি বলেছে, ‘তাদের যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে এমআরএনএ কীভাবে যোগাযোগ করে সে সম্পর্কে এতদিনের ধারণা মৌলিকভাবে পরিবর্তন হয়েছে।’ গত ২ অক্টোবর চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।
অর্থনীতি
শ্রম বাজারে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে নতুন ধারণা এনে দেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্লদিয়া গোল্ডিন।
যা অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার বা আলফ্রেড নোবেল স্মৃতি রক্ষার্থে অর্থনীতিতে ভেরিজ রিক্সবাঙ্ক পুরস্কার হিসেবে পরিচিত। তাকে বিজয়ী হিসেবে গত ৯ অক্টোবর নাম ঘোষণা হয়।

নোবেল কমিটি বলছে, ক্লদিয়া গোলডিন ‘শতাব্দীজুড়ে নারীদের উপার্জন এবং শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের প্রথম ব্যাপক বিবরণ প্রদান করেন। তার গবেষণা পরিবর্তনের কারণ, সেই সঙ্গে বিদ্যমান লিঙ্গ ব্যবধানের মূল উৎস প্রকাশ করে।’
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নারীর উপার্জন এবং শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ সম্পর্কে প্রথমবারের মতো বিস্তৃত গবেষণা করেছেন অর্থনীতিতে এ নোবেলজয়ী । তার গবেষণা এ ক্ষেত্রে নারীর অবস্থানের পরিবর্তন এবং সেই সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্যের প্রধান কারণগুলো উন্মোচন করে।
পদার্থবিজ্ঞান
এ বছর পদার্থে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব কোয়ান্টাম অপটিকসের ফিরেন্স ক্রাসজ এবং সুইডেনের লন্ড ইউনিভার্সিটির অ্যান লরিয়েল। পদার্থের ইলেকট্রন ডাইনামিক্স গবেষণায় আলোর অ্যাটোসেকেন্ড পালস তৈরির পরীক্ষণলব্ধ প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করায় এই তিন বিজ্ঞানীকে চলতি বছর নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ইলেকট্রন গতিবিদ্যায় পরীক্ষামূলক পদ্ধতি ব্যবহার করে কীভাবে আলোর অ্যাটোসেকেন্ড পালস তৈরি হয়, তাদের গবেষণায় সেটি দেখানো হয়েছে। নোবেলজয়ী এ তিন পদার্থবিদ এমন আলোর ফ্ল্যাশ (ঝলকানি) তৈরি করেছেন, যেগুলো দ্রুত চলাচলকারী ইলেকট্রনের স্ন্যাপশট নিতে পারে।

অ্যাটোসেকেন্ডের লেজার পালস বস্তুর মধ্যে ইলেকট্রনের গতি-প্রকৃতি জানতে সাহায্য করবে। তাদের কাজের গুরুত্ব বুঝতে হলে, আগে বুঝতে হবে ‘১ অ্যাটোসেকেন্ড কী?’
১ এর পরে ১৮টি শূন্য দিলে যে নম্বর সেটা দিয়ে ১ সেকেন্ডকে ভাগ দিলে যে সময় হয় সেটা ১ অ্যাটোসেকেন্ড।
তারা খুবই ক্ষুদ্র সময়ের জন্য ইলেকট্রনের ওপর আলোকসম্পাতের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। ইলেকট্রনের আচরণ বুঝতে পারার জন্য ওই অল্প সময়ের পালস গণনা দরকার। পদার্থের আণবিক কণার মধ্যে ইলেকট্রনের গতি-প্রকৃতি বোঝার জন্য এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন উপকরণ ও ডিভাইস তৈরি করা, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়াগুলো বোঝা, ওষুধ ও চিকিৎসা গবেষণায় এই আবিষ্কার প্রয়োগ হতে পারে। ৩ অক্টোবর রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স তাদের নাম ঘোষণা করে।
প্রতি বিভাগে পুরস্কারের মোট অঙ্ক ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা) বিজ্ঞানীদের মধ্যে বণ্টন করে দেবে নোবেল কমিটি।
তথ্য সূত্র : নোবেল প্রাইজ ডট অর্গ, বিবিসি, সিএনএন, রয়টার্স
মোহনা জাহ্নবী