ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ
Nagad desktop

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির ছায়া সংসদ জুলাই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:৫৫ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:৫৯ পিএম
জুলাই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল
বিতার্কিকদের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরন। ছবি: সংগৃহীত

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, শেখ হাসিনা এত মিথ্যা বলেছেন, এমনভাবে বলেছেন, এমন কৌশল করে বলেছেন, তিনি নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে, তিনি যা বলেন সেটাই সত্য, সেটাই বেদবাক্য। শেখ হাসিনা মিথ্যা বলতে বলতে মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন। তার মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানিয়েছে। গোয়েবলস বেঁচে থাকলে তিনি হয়তো শেখ হাসিনার ছাত্র হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতেন। 

গত ১৫ বছরে দেশে কার্যত এক ব্যক্তির শাসন কায়েম হয়েছিল। জাতীয় সংসদও একক কর্তৃত্ববাদে পরিচালিত হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংক্রান্ত রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক অপরাধ করেছেন। যে অপরাধের সুবিধা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত যারা পালিয়ে গেছে তাদের ফিরিয়ে আনতে আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। তারা ফিরে এসে বিচারের মুখোমুখি না হলে নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার লক্ষ্যে একটি নির্দিষ্ট সিভিলিয়ান গোষ্ঠির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে যে হত্যা ঘটানো হয়েছে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ আইন ১৯৭৩ এর মাধ্যমে বিচার করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্রাইবুনাল পুন:র্গঠন করা হবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিচার প্রক্রিয়ার ট্রায়াল টেলিভিশনে দেখানোর ব্যাপারে আইনগত দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার শুরু হবে। যারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। 

শনিবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে “জুলাই হত্যাকাণ্ডে দলীয় স্বৈরতন্ত্র অপেক্ষা প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্রই বেশি দায়ী” শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

জুলাই গণহত্যার দায় নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে বিজয়ী দলের বিতার্কিকদের ট্রফি হাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণসহ বিচারকরা। ছবি: সংগৃহীত

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, জুলাই—আগস্টের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশে ইতিহাসে বড় কালো দাগ হয়ে থাকবে। পাঠ্যপুস্তকে রচিত হবে জুলাই বিপ্লবের এসব শহিদদের শোকগাঁথা। রক্ত পিপাসু জুলুমবাজ সরকারের অন্যায় অত্যাচারের নির্মম চিত্র। 

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের মুখপাত্র হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগসহ তাদের জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রধানত দায়ী। তবে নির্বাচন কমিশন, র‌্যাব—পুলিশ, বিজিবিসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন বাহিনীর জনবিরোধী অবস্থানের কারণে জুলাই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপকতা বেড়েছে। তাই জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায় শেখ হাসিনাসহ দলীয় স্বৈরতন্ত্রের পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র সমানভাবে দায়ী।

কিরণ আরও বলেন, নানা অন্যায় সুবিধা নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তৎকালীন প্রশাসনের আমলা, র‌্যাব—পুলিশ এই গণহত্যার নেপথ্যে খলনায়কের ভূমিকায় কাজ করেছে। আমি—ডামি নির্বাচন, দিনের ভোট রাতে করার মাধ্যমে যারা স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছিল, যারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জ্বালানি ও আর্থিক খাতকে ধ্বংস করেছে, তারাও জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। তাই জুলাই হত্যাকাণ্ডের দোসরদের শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে অন্তর্বতী সরকারের দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ ঘোষণা করা উচিত। 

জুলাই হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের উপযুক্ত বিচারের লক্ষ্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী নিম্নে ১০ দফা সুপারিশ পেশ করেন—

১) জুলাই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, গুলিবর্ষণকারীসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকা প্রস্তুত করা ২) শেখ হাসিনাসহ যারা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা। জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত যারা ভারতে অবস্থান করছে তাদের বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা ৩) গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করে গণহত্যার তথ্যচিত্র তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা। এই তথ্যচিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরকে সম্পৃক্ত করে একটি কমিটি করা। যে তথ্যচিত্র বিচার প্রক্রিয়ার কার্যক্রমে সহায়তা করবে ৪) জুলাই হত্যাকাণ্ডে আহত ও নিহতদের তালিকা তৈরি করে তাদের পরিবারকে নগদ আর্থিক সহযোগিতা, প্রয়োজন অনুযায়ী আবাসন ব্যবস্থা, আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রদান, পরিবারের উপযুক্ত ব্যক্তিদের চাকুরির ব্যবস্থা করাসহ স্থায়ীভাবে মাসিক ভিত্তিতে ভাতা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা ৫) জুলাই—আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলগুলো ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে পারার নৈতিক অধিকার রাখে কি না তা নিয়ে গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া ৬) জুলাই গণহত্যার অভিযোগে ঢালাওভাবে মামলা প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি প্রদানে বাধা তৈরি করতে পারে। তাই গণহত্যায় অভিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে যতদ্রুত সম্ভব মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া। তা নাহলে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর মানুষের আস্থার ঘাটতি দেখা দিতে পারে ৭) বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিবাদী পক্ষকে সকল আইনী সুবিধা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করা ৮) নিহত অনেককে পোস্টমর্টেম ছাড়া দাফন করতে হয়েছে। এ বিষয়ে কী করা যায় তার উদ্যোগ গ্রহণ করা ৯) পতিত সরকারের সহযোগিতাকারী আইন, বিচার ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং ১০) কোন মামলাগুলো দেশীয় আদালতে বিচার হবে আর কোন মামলাগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার করা হবে তার দিক নির্দেশনা প্রদান করা।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে “জুলাই হত্যাকাণ্ডে দলীয় স্বৈরতন্ত্র অপেক্ষা প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্রই বেশি দায়ী” শীর্ষক ছায়া সংসদে ঢাকা কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। 

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন ড. এস এম মোর্শেদ, ড. এ কে এম মাজহারুল ইসলাম, সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মিশন, সাংবাদিক মো. সাইদুল ইসলাম ও কবি জাহানারা পারভিন। প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

এমএ/

গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ
এমআরডিআই আয়োজিত দেশে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময়। খবরের কাগজ

দেশে সাংবাদিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে একটি কার্যকর ও স্বাধীন ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’(একীভূত প্রতিষ্ঠান) গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

একই সঙ্গে তিনি মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের (গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন) ২০২৫ সালের প্রস্তাবনা এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইজেক) ইন্টারভিউ থেকে প্রাপ্ত আইনের খসড়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানান। 

শনিবার (১৩ জুন) মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) আয়োজিত দেশে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণার প্রেক্ষিতে এই আলোচনার আয়োজন করেছে সংস্থাটি।

এমআরডিআই জানায়, প্রস্তাবিত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন প্রক্রিয়া, এর পরিধি এবং কমিশনের কাছে অংশীজনদের প্রত্যাশার ব্যাপারে সুস্পষ্ট মতামত ও পরামর্শ তুলে আনাই এই সভার মূল উদ্দেশ্য। 

আলোচনা সভায় উপস্থিত রয়েছেন খবরের কাগজের প্রকাশক ও সম্পাদক মোস্তফা কামাল।

সারা হোসেন বলেন, ‘আমাদের বর্তমান আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অত্যন্ত খণ্ডিত। প্রেস কাউন্সিল প্রায় অকার্যকর। এছাড়া বিটিআরসি, আদালত কিংবা কপিরাইট অফিস- সব আলাদা আলাদা ফোরাম কাজ করছে, যা মোটেও কার্যকর নয়। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তান কিংবা যুক্তরাজ্যে ওভাররাইডিং রেসপন্সিবিলিটিসহ সুনির্দিষ্ট বডি রয়েছে।’

গণমাধ্যম সংস্কারে দুই খসড়ার তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরে তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট উল্লেখ করেন। আইজেকের খসড়া অনুযায়ী ৯ সদস্যের একটি ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যার অধিকাংশ সদস্যই আসবেন মিডিয়া সেক্টর থেকে। এই কমিশন গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড সেট করা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। 

তবে সারা হোসেন জোর দিয়ে বলেন, ‘‘কমিশন যেন নিজেই সব নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং মিডিয়ার নিজস্ব স্ট্যান্ডার্ড সেটিংয়ে ‘ফ্যাসিলিটেটর’ বা সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে। এখানে সেলফ-রেগুলেশন (আত্ম-নিয়ন্ত্রণ) অত্যন্ত জরুরি।’’

সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে প্রেস কাউন্সিল বিলুপ্ত করার কথা বলা হলেও ২৬-এর আইজেক খসড়ায় প্রেস কাউন্সিলকে রেখে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সারা হোসেন একে একটি ‘রিস্ক’ বা ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। 

তিনি বলেন, একদিকে গণমাধ্যম কমিশনকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, আবার ৫০ বছরের পুরনো প্রেস কাউন্সিলকেও রাখা হচ্ছে। এতে কাজের ওভারল্যাপিং হবে। একটি ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ বা একীভূত প্রতিষ্ঠান হওয়াই সবচেয়ে যৌক্তিক।

প্রস্তাবিত কমিশনের আর্থিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে রিফর্ম কমিশনের ১ শতাংশ কন্ট্রিবিউশন মডেলের প্রশংসা করেন তিনি, যেখানে মিডিয়া হাউসগুলোর নিজস্ব কন্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি সরকারের গ্রান্ট ও বিদেশি অনুদান গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া কমিশনে দেশের বৈচিত্র্য রক্ষায় মাইনরিটি রেপ্রেজেন্টেশন (সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব) রাখার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান তিনি।

আইজেক খসড়ায় সিলেকশন কমিটিতে কেবল একজন সরকারি প্রতিনিধি (ক্যাবিনেট সেক্রেটারি) রাখার ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের অভিজ্ঞতার আলোকে এই সিলেকশন প্রক্রিয়া যেন অত্যন্ত স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও আন্তর্জাতিক মানের হয়, তা বিধিমালায় স্পষ্ট করতে হবে। এছাড়া ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যেন দুই বছর পার হলেই নিয়োগ না পান, সেই ডিসকোয়ালিফিকেশন বা অযোগ্যতার ধারাটি কঠোর করার তাগিদ দেন তিনি।

মোবাইল জার্নালিজমের এই যুগে সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট শিক্ষাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করার বিরোধিতা করেন সারা হোসেন। তিনি বলেন, যোগ্যতা নির্ধারণ যেন কোনোভাবেই লাইসেন্সিং-এর মতো না হয়ে দাঁড়ায়। এটি বাধ্যতামূলক না করে বরং প্রশিক্ষণ, প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ও অ্যাক্রেডিটেশনের সুযোগ রাখা উচিত।

আইজেকের খসড়ায় কমিশনকে জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। দেশের অতীত প্রেক্ষাপট ও সাংবাদিকদের ওপর জুলুম-হয়রানির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সারা হোসেন বলেন, ফাইন বা জরিমানা করাকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই, কারণ এটি অন্য কোনো বড় সাজা বা হয়রানির চেয়ে ভালো। তবে জরিমানা করার আগে নোটিশ দেওয়া, জবাব দেওয়া এবং আপিল করার একটি অত্যন্ত স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া (ডিউ প্রসেস) থাকতে হবে, যা রুলসের ওপর ছেড়ে না দিয়ে মূলেই রাখা দরকার।

এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘কনফিডেনশিয়ালিটি অব সোর্সেস’ বা সোর্সের গোপনীয়তা সুরক্ষার ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন মনে করেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা এবং পরবর্তী খসড়া দুটি গণমাধ্যম সংস্কারের আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি চমৎকার ভিত্তি তৈরি করেছে এবং নির্বাচিত সরকারের উচিত এই সুযোগটি কাজে লাগানো।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:০২ পিএম
মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী
খাল পুনর্খনন শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী: খবরের কাগজ

মদ ও সিগারেটের ওপর কর বাড়ানো কারণে তা বিরোধী দলের দুঃখতে পরিণত হয়েছে, তাই তারা বাজেট নিয়ে অযথা সমালোচনা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধনের পর আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এবারের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে এমন পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগে বাজেট ঘোষণার পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। অথচ ক্ষতিকর পণ্যের ওপর কর বাড়ানো নিয়েই বিরোধী দল অসন্তোষ প্রকাশ করছে। তাদের এমন অবস্থান থেকেই বোঝা যায়, তারা আসলে জনগণের স্বার্থ নয়, বরং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই বেশি আগ্রহী।’

খাল পুনর্খনন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাতলী খালের মাধ্যমে এই অঞ্চলে প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ হবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ সরাসরি এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক কেনার জন্য বছরে ২৫০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

নারীর শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গ্রামীণ নারীদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার তা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। ডিগ্রি ও স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের উপবৃত্তির আওতায় আনা হবে।’

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণই বিএনপির মূল লক্ষ্য। ‘আমাদের রাজনীতি মানুষের জন্য। তাই ভোটের আগেই নয়, আগেই মানুষের কাজ শুরু করা হয়েছে। করবো কাজ, সবার আগে বাংলাদেশ—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।’

একসময় বক্তব্য রাখেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল প্রমুখ।

পথসভা শেষে উপস্থিত জনতার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানান।

তারেকুর/আমান

বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: ভিডিও থেকে

নতুন বাজেট জনগণের জন্য স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিরোধী দল দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল বলেছে এই বাজেট জনবিরোধী, এই বাজেট তারা মানে না। বিরোধী দল দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। জনগনকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন শেষে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। এই নারীরা যদি স্বাবলম্বী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।’

খাদিজা রুমি/অমিয়

কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি
ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে চকরিয়া, পেকুয়াসহ পুরো জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তার আগমন উপলক্ষে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে জনসভাস্থলসহ সফরসংশ্লিষ্ট সব এলাকায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার টানা বর্ষণের পর সকাল ৯টার দিকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল হিসেবে নির্ধারিত চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। বিশাল মঞ্চ, প্যান্ডেল, দর্শকসারি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা, দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানসম্বলিত তোরণ।

সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যৌথবাহিনী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, প্রবেশপথ ও মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে পুরো কক্সবাজার অঞ্চলে এক অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রমাণ করে মানুষ এই সফরকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তারেকুর রহমান/খাদিজা রুমি/ 

কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে খালটির পুনর্খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ থেকে সুবিধাভোগী হবেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ সরকারের এবং প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা।

১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থানে দাড়িয়ে কোদাল হাতে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন, ঠিক সেই স্থান থেকেই পুনর্খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তার পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন শেষে তিনি সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

তার আগে একদিনে সফরে শনিবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সে সকাল সাড়ে ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

আমান/