সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সব স্তরের মানুষ। দিবসের প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস।
এরপর উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সৌধ প্রাঙ্গণ।
পরে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আইনজীবী, বিভিন্ন সংগঠন, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহিদ বেদি।
তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে এ বছর স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে অন্যান্য বছরের তুলনায় মানুষ অনেক কম।
বুধবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রতিবছরই বিজয় দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবসে গাজীপুর থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসেন শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর এই বিশেষ দিনগুলো আমাদের দেশের ইতিহাস। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই দিনগুলো সম্পর্কে জানাতে আমাদের এখানে আসা প্রয়োজন। এতে নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম ও মমত্ববোধ জাগ্রত হবে। যার কারণে শত কষ্ট হলেও প্রতিবছর এই বিশেষ দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে আমি জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসি। আর এখানে এসে ওদেরও অনেক ভালো লাগে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে লাল সবুজের বাংলাদেশ পেয়েছি। আজ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্ণ হলো। স্বাধীনতা লাভ করা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার। তবে স্বাধীনতা রক্ষায় অধিক সতর্ক, সচেতন এবং সৃষ্টিশীল হতে হয়। স্বাধীনতা অর্জিত হলেই চিরস্থায়ী হয় না। তাই স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের তৎপর হতে হবে।
ইমতিয়াজ/অমিয়/