আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নেওয়ার কথা ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পারাজের। তার প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তবে শেষ মুহূর্তে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেতা।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও হঠাৎ করেই গতকাল সোমবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার দিন এফডিসিতে এসে বাপ্পারাজ জমা দিলেন আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি প্রার্থী না হলেও আমার গড়া প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছি। মুক্তিকে আগেই জানিয়ে রেখেছিলাম যে তোমাদের সঙ্গে সব সময় আছি। তাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এফডিসিতে এসেছি। ওদের জন্য সব সময় শুভকামনা।’
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বাপ্পারাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুমানা ইসলাম মুক্তি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি ২০২৬-২৮ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলাম আরমান-মুক্তি প্যানেল, আলহামদুলিল্লাহ। বাপ্পারাজ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের জন্য আজকে শিল্পী সমিতিতে আসার জন্য এবং আমাদের সঙ্গে আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য।’
শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন সামনে রেখে সভাপতি পদে বাপ্পারাজের নাম ঘোষণার পর শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুক্তি ছিলেন সবচেয়ে আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত।
এরপর বাপ্পারাজের পরিবর্তে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন চলচ্চিত্রের পরিচিত সিনিয়র ফাইট ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আরমান। এই পদ থেকে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আরমান যুক্ত হন। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।
উল্লেখ্য, আগামী ৩ জুলাই এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।