ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’ হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন? জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার
Nagad desktop

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮১ শিক্ষকের আশঙ্কা মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১০:১৩ পিএম
আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২২ পিএম
মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

মব সন্ত্রাস ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণের মূলভিত্তি তথা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮১ জন শিক্ষক।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) যৌথ বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেছেন, ‘শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একের পর এক হামলা হচ্ছে। এ যেন সভ্যতার বিরুদ্ধে এক অঘোষিত যুদ্ধ।’

গত ২৬ অক্টোবর ঢাকার অদূরে সাভারে আশুলিয়ার খাগান এলাকায় বেসরকারি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরেই শিক্ষকরা যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের আশঙ্কার কথা জানান। 

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন, অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন , অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ খান, অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে।
 
তারা বলেন, ‘ধারাবাহিক বর্বরতার সাম্প্রতিক উদাহরণ হল, সাভারের সিটি ইউনিভার্সিটিতে অগ্নিসংযোগের নৃশংস ঘটনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়া মানে শুধু একটি ভবন ধ্বংস নয়, এটি জাতির বিবেক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও ভবিষ্যৎকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার দুঃসাহসিক চেষ্টা।’

বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ, ভাষা আন্দোলনের প্রতীক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ধারাবাহিকতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলে উল্লেখ করেন তারা।

তারা বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার লক্ষ্য মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ডকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দেওয়া।’  শিক্ষকরা বলেন, ‘একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক ও অন্ধকারাচ্ছন্ন শক্তি আজ সংগঠিতভাবে উচ্চশিক্ষা, সংস্কৃতি, মুক্তচেতনা ও মানবিকতার শেকড়ে আঘাত হানছে।’

শিক্ষাঙ্গনে মব সন্ত্রাস বন্ধ করার পাশাপাশি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান শিক্ষকরা। 

জয়ন্ত সাহা/নাঈম

হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৬৯৪ জন দেশে ফিরেছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত হজের ফিরতি ফ্লাইট এসেছে ৭১টি। এসব ফ্লাইটে সরকারি মাধ্যমের ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমের ২৬ হাজার ৩৬৬ জন দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৪টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ২৮টি ফ্লাইটে ১১ হাজার ৩৩১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৬৮২ জন হাজি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে। হজ শেষে ৩০ মে থেকে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। 

সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশি মারা গেছেন।

নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত
ছবি: সংগৃহীত

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৭টি বন্যপাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর মধ্যে ছিল কালিম, শালিক, টিয়া, ময়না ও ঘুঘু।

 শুক্রবার ৯৫ জুন) এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর স্বাস্থ্য ও উড়তে সক্ষমতা পরীক্ষা করে যেসব পাখি সুস্থ ও উড়তে সক্ষম ছিল, সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ফতুল্লার এই হাটে এর আগেও একাধিকবার বন্যপ্রাণী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পূর্ববর্তী অভিযানে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বন্যপাখি ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বর্তমান সরকার দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনের আওতায় অধিকাংশ বন্যপাখির অবৈধ দখল, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও বাণিজ্য আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট সকল নাগরিককে বন্যপাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকার এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

এসএন/

সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন) ঘিরে নিরাপত্তায় শনিবার থেকে (৬ জুন) রাজধানীর বেশকিছু এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ সব ধরনের শোভাযাত্রা-বিক্ষোভ ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার (৫ জুন) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্‌ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগামী রবিবার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বিঘ্নে এই অধিবেশন নিশ্চিতে শেরেবাংলা নগরস্থ জাতীয় সংসদ ভবন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা প্রয়োজন। এই অবস্থায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নম্বর-III/৭৬) এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত এলাকায় শনিবার রাত ১২টা হতে সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও অন্যান্য ক্ষতিকারক এবং দূষণীয় দ্রব্য বহন ছাড়াও যেকোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকাগুলো হলো- ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রীন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, বেগম রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।

এসএন/

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন। দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

এসএন/

পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: খবরের কাগজ

পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে, তবে সেটি যথেষ্ট নয়। আজ বাংলাদেশ আলু ও পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশে বর্তমানে ১ কোটি ১৫ লাখ টন আলু উৎপাদিত হয়। অন্যান্য ফসল উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে।’

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি আয়োজিত ‘লিচু উৎসব ও কৃষক বাণিজ্য মেলা’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর সার্বিকভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ করে কৃষিকে তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। কৃষির উন্নয়নে যেকোনো চ্যালেঞ্জ সরকার যেমন মোকাবিলা করতে পারে, তেমনি কৃষকেরাও পারে। সরকার কৃষকদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে তাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে।’

পাবনা ও ঈশ্বরদীতে প্রচুর লিচু ও পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ঈশ্বরদীতে লিচু সংরক্ষণাগার ও একটি আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা যায় কি না, তা সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’

এ ছাড়া কৃষক সমিতির দাবিগুলো নিয়েও কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বাণিজ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘সারা বাংলাদেশকে আপনি যেভাবে দেখেন, তার চেয়ে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে ঈশ্বরদী ও লালপুরকে দেখতে হবে। উত্তরাঞ্চলের কৃষিকে যদি আরও সমুন্নত করা যায়, তাহলে গোটা বাংলাদেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাটোর সুগার মিলকে পুনরুজ্জীবিত করা গেলে নাটোর, বাগাতিপাড়া, লালপুর ও ঈশ্বরদীর বহু বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’ 

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাবনা-সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) আমিনুল ইসলাম, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু।

সভায় সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ (কুল ময়েজ)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক আব্দুল জলিল মণ্ডল (লিচু কেতাব)।

এ সময় শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক, বাংলাদেশ সুগারক্রপ, আঞ্চলিক কৃষি ও ডাল গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা এবং সরকারি ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে লিচু উৎসব ও কৃষক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী লিচু উৎসব ও কৃষক বাণিজ্য মেলায় শত শত কৃষক অংশ নেন। অনুষ্ঠানস্থল বিভিন্ন ফল ও সবজি দিয়ে সাজানো হয়। মেলায় কৃষি উপকরণ প্রদর্শনের জন্য কয়েকটি স্টলও স্থাপন করা হয়।

জাহাঙ্গীর হোসেন/রিফাত/