সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
স্বপদে বহাল থেকেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির (ইউএনজিএ) দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি।
হস্পতিবার (৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ়ভাবে, অবিচলভাবে ও বিরোধহীনভাবে আমাদের সমর্থন না করতেন, তাহলে ১০ বছরের এই পথ ১০ সপ্তাহে আমরা অতিক্রম করতে পারতাম না। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা এবং বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ব্যক্তিরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
এখন ছুটিতে যাবেন কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ৪০ বছর আগে হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী সাহেব, আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। তখন ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। কিন্তু এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটি দায়িত্বই একসঙ্গে পালন করা সম্ভব। এটা এখন খুবই স্বাভাবিক।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বটি সার্বক্ষণিক কোনো দায়িত্ব নয়। মূলত সভাপতির দায়িত্বটা বর্তায় যখন সাধারণ পরিষদ অধিবেশন হয়।
অতীতের ধারাবাহিকতায়, এ বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সেখানে সভাপতির প্রধান কাজ হবে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন পরিচালনা করা এবং নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনায় সমন্বয় করা।
সভাপতির পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রতিটি অধিবেশনের জন্য ডজনেরও বেশি সহ-সভাপতি নির্বাচন করা হয়।
সভাপতির অনুপস্থিতিতে তাদের মধ্য থেকে একজন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে পারেন।
এসএন/