ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার, দায়িত্বে ডিসি-ইউএনও জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’
Nagad desktop

চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মীদের পুনর্বহালে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মীদের পুনর্বহালে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে: অর্থমন্ত্রী
সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: ভিডিও থেকে

চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের পুনর্বহালের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যারা চাকরি হারিয়েছেন, তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন আছে। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত চলছে। এরই ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

গত সোমবার সংসদে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের দায়ের করা অনেক মামলা আছে। সেগুলো বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগ ও শ্রম আদালতে শুনানি পর্যায়ে রয়েছে। হাইকোর্টে রিট পিটিশনকারীদের আবেদন নিষ্পত্তির ব্যাপারে আদালতের নির্দেশনা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রতিপালিত হয়েছে। তবে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, বিধায় এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ নেই। তবুও আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে কাজ করছে।’

সংসদ সদস্যের উত্থাপিত বিষয়টির প্রতি অর্থমন্ত্রী সহানুভূতি জানিয়ে সংসদে বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে সহানুভূতিশীল হয়েই বলছি, কেননা, আমার এলাকার অনেকের চাকরি চলে গেছে এবং এই চাকরি যাওয়ার পেছনে অনেক ঘটনা আছে। সেটি আমি সংসদে বলতে চাই না। বললে বিতর্ক সৃষ্টি হবে। কারণ অনেকের ধারণা, অনেক ব্যাংক যারা ওউন করেন, তারা তাদের নিজস্ব লোকজনকে রেখে বাকি লোকজন বিদায় করে দিয়েছেন। এ রকম একটা পাবলিক ধারণা আছে। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত বলতে চাই না। সুতরাং এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে, যারা চাকরি হারিয়েছেন, এগুলোর ব্যাপারে একটি দীর্ঘ তদন্ত চলছে। এরই ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যক্রম গ্রহণ করবে।’

এর আগে গত রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত হওয়া ইসলামি ধারার ছয়টি ব্যাংকের ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করছেন ভুক্তভোগীরা। ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, ‘গত কয়েক মাসে দেশের ছয়টি ইসলামি ধারার ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত, বৈষম্যমূলক ও প্রতিহিংসামূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। অযৌক্তিক বদলি, মানসিক ও শারীরিক হয়রানি চালানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের অনেককেই অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী এই অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, যা বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে নজিরবিহীন। শুধু তা-ই নয়, মানবসম্পদ নীতিমালা লঙ্ঘন করে যোগ্যতাহীন ব্যক্তিদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রকৃত দক্ষ ও অভিজ্ঞদের অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ আমাদের জীবনের সঞ্চয়, আমাদের পরিবারের স্বপ্ন, আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ–সবকিছুই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে নিমজ্জিত।’ 

তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির না করার অপরাধে আমাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। জামায়াত-শিবির সমর্থক হলে আজ আমাদের এই দুরবস্থায় পড়তে হতো না। শুধু দলীয় ব্যানার না থাকায় যদি আমাদের চাকরিচ্যুত হতে হয়, সেটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক।’

সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার, দায়িত্বে ডিসি-ইউএনও

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার, দায়িত্বে ডিসি-ইউএনও
ছবি: খবরের কাগজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট রুখতে বড় ধরনের সংস্কার এনেছে সরকার। এখন থেকে ঢাকায় বসে নয়, শিক্ষক বদলির সিদ্ধান্ত হবে স্থানীয় পর্যায়ে গঠিত পৃথক কমিটির মাধ্যমে। আর এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে থাকবেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।

রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই নতুন বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার কথা জানান।

শিক্ষা খাত বিশ্লেষণবিষয়ক এই কর্মশালার আয়োজন করে আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলো। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, অতীতে শিক্ষক বদলি একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এটি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পথে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিক্ষকদের এই ভোগান্তি কমাতে এবং বদলি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে এই বড় সংস্কার করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটিগুলো নির্দিষ্ট সময় পরপর বৈঠক করে বদলির আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করবে।

বদলি হবে যেভাবে

উপজেলা পর্যায়:

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নেতৃত্বে ৪ সদস্যের কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করবে। এরপর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারি করবেন।

জেলা, বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন:

এই পর্যায়গুলোতে ৫ থেকে ৬ সদস্যের কমিটি থাকবে। সিটি কর্পোরেশন, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের কমিটিতে যথাক্রমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই বদলি প্রক্রিয়াকে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি তার বক্তব্যে মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন বিস্তারিত কার্যক্রম তুলে ধরেন।

কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জয়ন্ত সাহা/আমান

২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:২১ পিএম
২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আগামী এক বছর দেশব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে এই উৎসব চলবে, তা চলমান থাকবে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৩ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘নজরুল বর্ষ’পালনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিগত ১৭ বছরে বাংলা সাহিত্যে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সেভাবে উপস্থাপিত হয়নি। বর্তমান সরকার কবির সাহিত্যকর্ম ও দর্শনকে আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি প্রদান করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়েও নজরুলের সৃষ্টি সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে বক্তব্যে স্মরণ করা হয়।

নজরুল বর্ষের মূল কর্মপরিকল্পনা

১. জাতীয় পর্যায়ে নজরুল বর্ষ পালনের জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন।
২. নজরুল বর্ষের জন্য বিশেষ লোগো, পোস্টার এবং ক্যালেন্ডার প্রণয়ন।
৩. স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ।
৪. ১৮-২০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৭৪টি প্রত্যন্ত ও বিশেষ উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন। এই আয়োজনের জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে ইতিমধ্যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
৫. কবির সাহিত্যকর্ম, সংগীত ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
৬. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজরুলের সৃষ্টিকর্মকে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। '

‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই। সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।'

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।'

তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।'

বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।'

কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে, রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দেশের অন্যান্য স্থানে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে, ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা সামান্যই।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা হতে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে এবং অস্থায়ীভাবে বজ্র/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তীত থাকতে পারে।

আরহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, এদিকে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সামগ্রিকভাবে আগামী সপ্তাহজুড়ে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্তরা/

দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মাটির নিচে পর্যাপ্ত নিজস্ব জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও বিগত দেড় দশকের লুটেরা অর্থনীতির কারণে একটি আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতি তৈরি করা হয়েছিল। এই ভুল ও লুটেরা নীতির কারণেই দেশ এখন বড় ধরনের জ্বালানিসংকটের মধ্যে নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দৈনিক ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জটিল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে সচল করার জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এই মুহূর্তে চালুর অপেক্ষায় রয়েছে।

এই প্রকল্পের পুরো অর্থায়নই রাশিয়ার ঋণ থেকে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংগত কারণেই জ্বালানি নিরাপত্তার দিক থেকে রাশিয়া আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণে বাংলাদেশকে বহুমুখী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে পথ চলতে হয়। আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারের ওপর নির্ভরশীল। আবার রেমিট্যান্স আয়ের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে আমাদের আমদানির প্রধান উৎ ভারত চীন এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বড় সহযোগী জাপান।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে দেশের অর্থনীতিকে এমন বহু অংশীদারদের সঙ্গে পথ চলতে হয়, সেই দেশের রাজনীতিতেও অবশ্যই বহুমুখী চিন্তার সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন প্রযুক্তির এক নতুন অংশীদার হাজির হয়েছে, যা মানব সভ্যতা এর আগে কখনো দেখেনি। বর্তমানে বিশ্বনেতারা যখনই দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় বৈঠকে বসেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ সেখানে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, ইতিহাসের বেশির ভাগ ভালো-মন্দ এতদিন মানুষ একাই করেছে। কিন্তু ভবিষ্যতে মানুষের পাশাপাশি ভালো ও মন্দের যৌথ দায়িত্ব পালন করবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের যুগে তথ্য যাচাই ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে গণমাধ্যমের দায়িত্ব আরও অনেক বেড়ে গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ, সুষ্ঠু ও দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের পরিচ্ছন্ন ম্যান্ডেট নিয়ে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সাম্য ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার এই নতুন অভিযাত্রায় দৈনিক ইনকিলাব অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে মন্ত্রী বিশ্বাস করেন।

ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, সাবেক ধর্মমন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক দলের নেতারা ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এসএন/