প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে মনুষ্যসৃষ্ট ঝুঁকিও বাড়ছে। অনুমোদনহীন ও অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ, জোনিং বিধি লঙ্ঘন, অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি বহির্গমনব্যবস্থার ঘাটতির কারণে অগ্নিকাণ্ড ও ভবন ধসের ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে আইনের দুর্বল প্রয়োগ ও তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নগরকে অনিরাপদ করে তুলছে।...

বাংলাদেশের নগরসংকট কোনো একক শহরের সমস্যা নয়; দীর্ঘদিনের বৈষম্যপূর্ণ উন্নয়ন কাঠামোর ফল। শিল্প, কর্মসংস্থান ও সেবার কেন্দ্রীকরণের কারণে মানুষ বাধ্য হয়ে বড় শহরমুখী হচ্ছে, ফলে নগরগুলো অতিরিক্ত চাপে পড়ছে এবং জেলা ও উপজেলা শহরগুলো তাদের সম্ভাবনা হারাচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ ঢাকা। যেখানে দেশের মাত্র ১ শতাংশ ভূমিতে প্রায় ১১ শতাংশ মানুষ বসবাস করে এবং জাতীয় জিডিপির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উৎপন্ন হয়। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জলবায়ু চাপের প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট, কার্যকর বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া নগরসংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।
তাই বিকেন্দ্রীকৃত নগরায়ণ নিশ্চিতে, আগামীর লক্ষ্য হওয়া উচিত জেলা ও উপজেলা শহরগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলে সেবার ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা। এ জন্য নগরায়ণ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, স্থল, বিমান ও সমুদ্রবন্দরভিত্তিক সংযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক বৈষম্য কমানো এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক সক্ষমতা জোরদার করা জরুরি। বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতায় ‘হাব-অ্যান্ড-স্পোক’ মডেলে জেলা শহরগুলোকে আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে গণপরিবহনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে সংযুক্ত করা গেলে রাজধানীমুখী চাপ কমবে এবং দেশজুড়ে উন্নয়নের ভারসাম্য তৈরি হবে।
বাংলাদেশের শহরগুলোয় যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভরতা ও গণপরিবহনে পথচারীবান্ধব পরিকল্পনার অভাব। নগরের সড়কগুলোতে ফুটপাত, সাইকেল লেন ও কার্যকর গণপরিবহন উপেক্ষিত থাকা। ঢাকায় এর চরম উদাহরণ দেখা যায়। মাত্র ১৫ শতাংশ মানুষের ব্যক্তিগত গাড়ি সড়কের ৭৭ শতাংশ দখল করে আছে, অথচ ৮৫ শতাংশ মানুষ হাঁটা, রিকশা ও গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। শহরের অধিকাংশ যাতায়াত হেঁটে হলেও উপযোগী ফুটপাতের অভাব স্পষ্ট করে যে, বর্তমান পরিবহননীতি টেকসই নয়।
তাই গণপরিবহন ও পথচারীবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে, স্থায়িত্বশীল নগরায়ণের ভিত্তি হিসেবে গণপরিবহন, হাঁটা ও সাইকেলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভরতা কমাতে না পারলে যানজট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বিধায় বড় সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির লেন সীমিত রেখে গণপরিবহনের জন্য অধিকাংশ লেন নির্ধারণ করে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। বাস মালিকদের সিন্ডিকেট ভেঙে যৌক্তিক ভাড়ায় সব রুটে নগরের বাসব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় কার্যকর চলাচল নিশ্চিত করতে হবে; একই সঙ্গে সরকারি খাতেও দক্ষভাবে পর্যাপ্ত বাস পরিচালনার ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, ফুটপাত দখল ও অসংগতিপূর্ণ ব্যবহার বন্ধ করে সেগুলোকে পথচারীবান্ধব করতে হবে এবং আলাদা সাইকেল লেন ও কর রেয়াতের মাধ্যমে সাইকেলকে সহজলভ্য করে তুলতে হবে। সর্বোপরি, যাতায়াত ও পরিবহন-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করে নির্বিচার অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে সুচিন্তিত নীতি ও তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমেই নগরের পরিবহন সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব।
জলাবদ্ধতা, তাপপ্রবাহ ও পরিবেশগত ঝুঁকি এখন নগরের নিত্য বাস্তবতা, যার প্রধান কারণ খাল, জলাশয় ও সবুজ এলাকার দখল ও ধ্বংস। ফলে প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ ও তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। একটি বাসযোগ্য নগরীতে কমপক্ষে ১২ শতাংশ উন্মুক্ত স্থান ও ১৫ শতাংশ সবুজ আচ্ছাদন থাকা প্রয়োজন। রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য প্রধান প্রধান নগরীর প্রণীত মহাপরিকল্পনায় ‘উন্মুক্ত স্থান, পার্ক, খেলার মাঠ’ এবং ‘ব্লু ও গ্রিন নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা থাকলেও তার কার্যকর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুপস্থিত।
তাই ‘ব্লু ও গ্রিন নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠায়, জলাশয়, সবুজ ও গণপরিসরকে অপরিহার্য নগর অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করে খাল ও জলাধার সংরক্ষণ এবং খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন অংশ চিহ্নিত করে এর মাধ্যমে ‘বাইপাস সার্জারি’, পারস্পরিক সংযোগ ও পার্শ্ববর্তী নদনদীর সঙ্গে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে কার্যকর ‘ব্লু নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জলাশয় ভরাট ও বর্জ্য পানি প্রবেশ বন্ধের পাশাপাশি প্রাকৃতিক ঢাল অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। খেলার মাঠ ও পার্কের বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ, ভূমিতথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সরকারি সংস্থাও নাগরিকদের অভিভাবকত্বে জবাবদিহিমূলক শাসন কাঠামোর মাধ্যমে মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরজীবনের ভিত্তি তৈরিতে কার্যকর ও টেকসই ‘ব্লু ও গ্রিন নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা সম্ভব।
নগরে বায়ু ও শব্দদূষণ বর্তমানে ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিয়েছে। যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার বর্জ্য নির্গমন, নির্মাণকাজের ধুলা ও ইটভাটার কারণে বিশেষ করে শীতকালে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত হর্ন, নির্মাণকাজ ও শিল্পকারখানার শব্দে শহরের মানুষ ক্রমাগত শব্দচাপে রয়েছে। এর ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ছে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
নগরে বায়ু ও শব্দদূষণ হ্রাসে করণীয়, বায়ু ও শব্দদূষণ কমাতে তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। নগরের আশপাশের বেআইনি ইটভাটা দ্রুত বন্ধ করে অনুমোদিত ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও মানসম্মত প্রযুক্তি ব্যবহারে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি উন্নত ও কম দূষণকারী ইট ব্যবহারে উৎসাহ দিতে উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ ও কর রেয়াত দিতে হবে। ধোঁয়া নির্গতকারী যানবাহনের ফিটনেস নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং প্লাস্টিকবর্জ্য থেকে বায়ুদূষণ ও মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়ানো রোধমূলক বর্জ্যব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০০৬’ কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং নতুন ভবনে শব্দনিরোধকব্যবস্থা ও পথচারীবান্ধব নীরব এলাকা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে মনুষ্যসৃষ্ট ঝুঁকিও বাড়ছে। অনুমোদনহীন ও অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ, জোনিং বিধি লঙ্ঘন, অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি বহির্গমনব্যবস্থার ঘাটতির কারণে অগ্নিকাণ্ড ও ভবন ধসের ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে আইনের দুর্বল প্রয়োগ ও তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নগরকে অনিরাপদ করে তুলছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন ও সবুজ জলাশয় ধ্বংস যুক্ত হয়ে নগরের তাপদাহ তীব্রতর করছে। গবেষণায় দেখা যায়, ঢাকার তাপমাত্রা আশপাশের এলাকার তুলনায় গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ ডিগ্রি বেশি, যা হিট আইল্যান্ড প্রভাবের স্পষ্ট উদাহরণ।
নগরকে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও তাপদাহের মতো বহুমাত্রিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষিত করতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় ঝুঁকি নিরূপণভিত্তিক সামঞ্জস্যপূর্ণ আপদকালীন পরিকল্পনা (কন্টিনজেন্সি), বিদ্যমান ভবনের ভূমিকম্প সহিষ্ণুতা জরিপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের দ্রুত সংস্কার নিশ্চিত করা জরুরি। ভূমি ব্যবহার ও জোনিং বিধি কঠোরভাবে মানা, বহু মন্ত্রণালয়ভিত্তিক টাস্কফোর্স গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা প্রকাশ, বার্ষিক ভবন ব্যবহারযোগ্যতা সনদ ও ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স শক্তিশালীকরণ, পাড়া-মহল্লাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা এবং সচেতনতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে তাপদাহ ও পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় নগরবন সৃষ্টি, দেশজ বৃক্ষরোপণ, কাচনির্ভর ভবনসংস্কৃতি পরিহার এবং জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত নগর সবুজায়ন নীতিমালা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়েই একটি নিরাপদ, সহনশীল ও মানবিক নগর গড়ে তোলা সম্ভব।
পরিবেশ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার- এ তিনটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই স্থায়িত্বশীল নগরায়ণ অর্জন করতে হয়। বাংলাদেশে অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং অনেকাংশে অপরিকল্পিত ও অসম নগরায়ণের ফলে নগর অভিঘাতগুলো বৃহৎ আকার ধারণ করছে। এ বাস্তবতায় স্থায়িত্বশীল নগরায়ণ ও সুষ্ঠু নগরব্যবস্থাপনা এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তাই স্থায়িত্বশীল নগরায়ণ ও সুষ্ঠু নগরব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে, জাতীয় ও নগর- দুই পর্যায়েই কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তাই আগামীর নগরায়ণে, জাতীয় পর্যায়ে কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ গঠন জরুরি। নগর পর্যায়ে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোকে ডেভেলপার নয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করতে হবে এবং নগর পরিচালনায় পেশাজীবী, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নগর সুব্যবস্থাপনায় এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে, ‘উন্নয়ন স্বত্ব বিনিময় বা ট্রান্সফার অব ডেভেলপমেন্ট রাইটস (টিডিআর)’ এবং ‘ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন বা ব্লক ডেভেলপমেন্ট’- এ দুটি ধারণাকে উপাদান হিসেবে শহরের পুনঃউন্নয়নকল্পে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। জমির মালিকার অধিকার থেকে উন্নয়ন করার অধিকার, স্থানান্তর বা বিক্রির ব্যবস্থা। কৃষিজমি, জলাধার বা সংরক্ষিত এলাকায় উন্নয়ন সীমিত থাকলে মালিকরা তাদের অব্যবহৃত এফএআর অন্য এলাকার ডেভেলপারের কাছে বিক্রি করতে পারেন। এতে সংবেদনশীল এলাকা সুরক্ষিত থাকে, মালিক আর্থিক ক্ষতি এড়ায় এবং নির্ধারিত এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন সম্ভব হয়।
নগরায়ণ মানেই কেবল ভবন ও রাস্তা নয়- এটি একটি গভীর সামাজিক প্রক্রিয়া, যা মানুষের জীবনমান, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও পরিবেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। পরিকল্পনাহীন নগরায়ণ বাংলাদেশকে ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক শহরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুষম বিকেন্দ্রীকরণ, গণপরিবহননির্ভর চলাচল, সাশ্রয়ী আবাসন, জলাধার সংরক্ষণ, কার্যকর বর্জ্যব্যবস্থাপনা ও সবুজ নগর গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া জরুরি। সঠিক নীতি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে একটি নিরাপদ, মানবিক ও স্থায়িত্বশীল নগর ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব।
লেখক: পরিবেশকর্মী ও নগরবিদ


