জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে দেশজুড়ে মৌন মিছিল, দোয়া মাহফিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলো।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। এ সময় তারা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন। এ ছাড়া আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বিএনপির নেতারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ।
খুলনা: মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে শিববাড়ি মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ এবং শহরের প্রধান সড়কে মৌন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাবেক সংসদ সদস্য আলী আসগর লবি, মহানগর বিএনপি সভাপতি শফিকুল আলম মনাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহ: মহানগর ও উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৌন মিছিলটি শেষ হয়। কেন্দ্রীয় নেতা আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বক্তব্যে সরকারের সমালোচনা করেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের ত্যাগকে স্মরণ করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: জেলার শান্তি মোড় থেকে শুরু হওয়া মৌন মিছিল শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে বাঁতেন খাঁ মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলামসহ শীর্ষ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ঝিনাইদহ: জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদের নেতৃত্বে পোস্ট অফিস মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। বক্তব্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে শহিদদের স্বীকৃতি আদায়ে দলীয় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
টাঙ্গাইল: জুমার নামাজের পর শহিদ মিনার থেকে মৌন মিছিল শুরু হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নেন।
দিনাজপুর: জেলার জেল রোড থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান মোড় প্রদক্ষিণ করে মৌন মিছিলটি শেষ হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ নেতারা এতে নেতৃত্ব দেন।
নড়াইল: শহরের চৌরাস্তা থেকে মৌন মিছিল শুরু হয়ে আবার একই জায়গায় শেষ হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ নেতারা বক্তব্য দেন।
বাগেরহাট: জেলা শহিদ মিনার থেকে মৌন মিছিল বের হয়ে স্বাধীনতা উদ্যানে শেষ হয়। কালো ব্যাজ ধারণ করে হাজারো নেতা-কর্মী মিছিলে অংশ নেন। নেতারা অবিলম্বে জুলাই হত্যার খুনিদের বিচারের দাবি জানান।
মাগুরা: জেলার হায়নার মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের চৌরঙ্গী মোড় হয়ে ভায়নার মোড়ে গিয়ে মৌন মিছিল শেষ হয়। পরে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে নেতারা শহিদদের স্মরণে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথ পুনর্ব্যক্ত করেন।
লক্ষ্মীপুর: জেলা বিএনপির আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে নেতা-কর্মীরা। কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ জেলা নেতারা এতে বক্তব্য দেন।
নোয়াখালী: জেলা বিএনপির নেতৃত্বে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে মৌন মিছিল হয়। জেলা আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, ‘শহিদদের আত্মত্যাগ বিএনপির আন্দোলনের প্রেরণা।’
ফরিদপুর: জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে সিভিল সার্জন অফিস থেকে মিছিল শুরু হয়ে জনতা ব্যাংক মোড়ে শেষ হয়। মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বক্তৃতায় বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব বাংলাদেশে আবির্ভূত হচ্ছে দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের বিষয়ে আমরা শুধু এটুকুই বলতে চাই, আপনারা এক মাস পাঁচ দিন আন্দোলন করেছেন। আর বিএনপি দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছে ১৭ বছর।’
লালমনিরহাট: জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে ‘হামার বাড়ি’ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
ফেনী: ফেনী প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপির আয়োজিত মৌন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জালাল উদ্দিন আহমেদ মজুমদার প্রমুখ।
নীলফামারী: শহরের পৌর বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে মৌন মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে ফিরে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্যসচিব সাইফুল্লাহ রুবেল। মিছিল শেষে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।