ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
Nagad desktop

জামায়াত জোটে শুরুতেই হোঁচট

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০১ এএম
জামায়াত জোটে শুরুতেই হোঁচট
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে শুরুতেই বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ এক মাসের আলোচনার পর জোটের রূপরেখা ও আসন সমঝোতা নিয়ে গতকাল বুধবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা থাকলেও শরিক দলগুলোর মধ্যকার মতানৈক্যের কারণে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। ফলে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নতুন রাজনৈতিক মেরূকরণ প্রথম ধাপেই হোঁচট খেল।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জামায়াত তাদের মিত্র দলগুলোকে আশানুরূপ আসন ছাড়তে রাজি না হওয়ায় জোটে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতো বড় শরিকদের সঙ্গে এখনো সমঝোতা না হওয়াই বড় কারণ। এ ছাড়া কিছু দলের অভ্যন্তরে জোটবিরোধী অবস্থান থাকলেও সেটি বড় কোনো সংকট নয়। মতপার্থক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত ১১-দলীয় জোট অটুট থাকবে বলে আশাবাদী জোটের দায়িত্বশীল নেতারা।

জানা গেছে, জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে গতকাল দুপুরে বৈঠকে বসেন জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীল নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠক করার কথা আছে জামায়াতের। আজ সংবাদ সম্মেলন আনুষ্ঠানিভাবে জোটের নির্বাচনি রূপরেখা ও আসন বণ্টন তুলে ধরা হতে পারে।

জামায়াতের ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও ১১-দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ খবরের কাগজকে বলেন, আসন সমঝোতার আলোচনা এখনো চলমান। শিগগিরই ১১ জোটের আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র বলছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ইসলামী আন্দোলন প্রথম নির্বাচনে ‘ওয়ান বক্স’ পলিসি নিয়ে কাজ শুরু করে। অর্থাৎ সমঝোতাকারী দলগুলো একটি আসনে একজন প্রার্থীই দিতে পারবে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে শুরুতে এই আলোচনায় যুক্ত হয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। ষষ্ঠ দল হিসেবে যোগ দেয় জামায়াতে ইসলামী। এরপর জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) সমঝোতার আলোচনায় যুক্ত হয়। এরপর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিকে যুক্ত করে জামায়াত। 

জোটের একাধিক সূত্র জানায়, ৩০০ আসনের মধ্যে জামায়াত ১৮০ থেকে ১৯০টি আসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। আর জোটের শরিকদের ইসলামী আন্দোলনকে ৪৫টি, এনসিপিকে ২৫টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫-২০টি আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে। তুলনামূলক ছোট দলগুলোর মধ্যে খেলাফত মজলিসকে ৭-১০টি, এলডিপিকে ৪টি, খেলাফত আন্দোলনকে ৫টি, এবি পার্টিকে ৩টি, জাগপাকে ৩টি, নেজামে ইসলাম পার্টিকে ২টি এবং বিডিপিকে ২টি আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ খবরের কাগজকে বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে প্রতিটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দু-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে। 

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন খবরের কাগজকে বলেন, আলোচনা এখনো চলমান। ইসলামী আন্দোলনই প্রথম ‘ওয়ান বক্স’ আলোচনা শুরু করেছিল। জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে ইসলামী আন্দোলন। শিগগিরই ঘোষণা আসতে পারে।

খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল খবরের কাগজকে বলেন, আসন সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। দেশের জাতীয় স্বার্থ ও ইসলামের জন্য ১১-দলীয় জোট অটুট রাখতে হবে। তবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া উচিত। তবে জোটের মধ্যে কোনো ভাঙন হোক, এটি কোনো দলই চায় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

জানা গেছে, আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই জামায়াত ২৭৬টি এবং ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে আলাদাভাবে মনোনয়ন দাখিল করেছে। তবে ইসলামী আন্দোলনসহ শরিক দলগুলোর বড় নেতাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করা অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আসনে জামায়াত মনোনয়নপত্র দাখিল করেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত জোট না হলে এসব আসন নিয়ে জটিলতায় পড়বে জামায়াত। 

চরমোনাই পীরের ফোনে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত
জামায়াতে ইসলামীসহ ১১-দলীয় জোটের আসন সমঝোতা বিষয়ে ঘোষিত গতকালের সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। জোটের একটি সূত্র জানিয়েছে, আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে মতপার্থক্য গতকাল পর্যন্ত ছিল। তবে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন হলে জোটের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। সে জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ফোন করে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার কথা জানান ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর। 

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে চরমোনাই পীর ইসলামপন্থিদের ‘এক বক্স’ নীতির ঘোষণা করেন। সেই নীতিতে আসন সমঝোতার পারস্পরিক আলোচনা চলমান। দ্রুতই এক বক্স নীতির রূপরেখা ও ধরন পরিষ্কার করা হবে।
 
উন্মুক্ত আসন রাখতে চান জামায়াত ও মামুনুল হক, রাজি নন চরমোনাই পীর
জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন ও মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে কিছু আসনে কঠিন দর-কষাকষির জন্যই জটিলতা রয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনি কৌশলের অংশ হিসেবে জামায়াতের পক্ষ থেকে ১৫টির মতো আসনে ‘ওপেন’ (উন্মুক্ত) রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু এই প্রস্তাবে মামুনুল হক রাজি হলেও চরমোনাই পীরের আপত্তি রয়েছে। তারা কোনো আসনে উন্মুক্ত প্রার্থী রাখতে রাজি নন। 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একাধিক নেতা জানান, কাঙ্ক্ষিত আসন না পেলে যে কয়টিতে ছাড় দেওয়া হবে না, সেখানে দল প্রার্থী উন্মুক্ত রাখতে চায়। তবে তা সমঝোতার আলোকেই হবে।

ইসলামী আন্দোলনে দুই গ্রুপ, নতুন জোটের ইঙ্গিত
জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে শুরু থেকেই ইসলামী আন্দোলনের অসন্তোষ প্রকাশ পায়। দলটি শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। তবে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আসনের চাহিদা কমিয়েছে। সর্বশেষ তারা ৫০টির নিচে নামতে রাজি নয় বলে জানায়। কিন্তু জামায়াত দলটিকে ৪৫টি আসন ছাড় দিতে চায়। ইসলামী আন্দোলনের অনেক নেতাই এটি মানতে নারাজ। জোট থেকে বেরিয়ে এককভাবে নির্বাচন পক্ষে দলের বড় একটি অংশ। আরেকটি অংশ ৪৫টি আসন নিয়ে জোটে থাকতে চায়। জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক ৫টি দলকে নিয়ে নতুন জোট করার পক্ষেও কেউ কেউ। 

দলীয় সূত্র বলছে, ইসলামী আন্দোলনের বড় একটি অংশ মনে করছে, আসন সংখ্যা যদি ৪০-এর ঘরেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে সেটি দলের সাংগঠনিক শক্তির অবমূল্যায়ন হবে। এ ছাড়া ভোটের পর ক্ষমতায় গেলে সরকারপ্রধান কে হবেন, বিরোধী দল হলে সংসদে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা কী হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। 

এ ছাড়া সম্প্রতি তারেক রহমানের সঙ্গে জামায়াতের আমির দেখা করে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলেছেন। তা নিয়েও দলের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। সব মিলিয়ে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াত ‘বড় ভাইসুলভ’ আচরণ করছেন বলে অনেকে মনে করছেন।

জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও জোট থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারে। তবে শেষ মুহূর্তে এসে এই জোট ভাঙতে চায় না দল দুটি। 

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন খবরের কাগজকে বলেন, দলের ভেতরে কোনো গ্রুপ নেই। আসন সমঝোতা প্রশ্নে মতভিন্নতা থাকতে পারে। জোট থেকে কেউ বের হয়ে যাচ্ছে না। শিগগিরই আসন সমঝোতা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তা-ই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। দু–এক দিনের মধ্যেই দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। 

তিনি বলেন, ‘পাঁচ দলের বাইরেও অনেকেরই সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে।’

জোটে জটিলতার ব্যাখ্যায় গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচনি আসন সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা কাউকে বের করে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী আন্দোলন জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। কারও চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনকে মেনে নিতে হবে, এই রাজনীতি অতীতেও করেনি।
 
এক টেবিলে একসঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেনি ১১ দল
দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ইসলামী ঐক্যের ডাক দিলেও বাস্তবে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। জানা গেছে, গত বছরের ১১ নভেম্বর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের দাবিতে একসঙ্গে সমাবেশ করেছিল সমমনা আটটি দল। এরপর থেকেই দলগুলোর ভেতরে আসন সমঝোতার আলোচনা শুরু হয়। ১১ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তা চূড়ান্ত রূপ নেয়। কিন্তু দীর্ঘ এক মাস আসন সমঝোতার আলোচনা করলেও তা হয়েছে পৃথকভাবে। এখন পর্যন্ত এক টেবিলে একসঙ্গে বসে চূড়ান্ত আলোচনা করতে পারেনি ১১ দল। 

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল
নেতাকর্মীদের ঢল। ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভিড়।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর এলাকায় এসে জড়ো হন। বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই তারা প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায় অবস্থান নেন। 

বিমানবন্দর সড়ক, আশপাশের এলাকা এবং প্রবেশপথজুড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাতে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা নিয়ে নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়েছেন। এটি কক্সবাজারবাসীর ভালোবাসা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে জেলার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ হবে।’

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না বলেন, ‘কক্সবাজারের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই সফরের অপেক্ষায় ছিলেন। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা কতটা গভীর। তার সফরে জেলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে, যা কক্সবাজারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। সফরের অন্যতম আকর্ষণ পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া এই খালের পুনঃখনন সম্পন্ন হলে এলাকার অন্তত দুই লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।

এছাড়া ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, পেকুয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা-থানার উদ্বোধন, চকরিয়ায় বিশাল রাজনৈতিক জনসভা এবং কক্সবাজারের সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সফরকে সফল ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

তারেকুর রহমান/অন্তরা

শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২জুন) বিকেল ৬টার দিকে শিবগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর আবু জার গিফারী। 

প্রধান অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল পুশইনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব, স্ওবাধীনতা, সীমান্ত নিরাপত্তায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদের মধ্যে সমাবেশে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী, জেলা  জামায়াতে সেক্রেটারি আবু বকর, শিবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বাবুল ইসলাম। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা আমির সাদিকুল ইসলাম, নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল মান্নানসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, কর্মী-সমর্থকরা।

আসাদুল্লাহ/তামান্না রুপা/

গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন
ফিনল্যান্ড বিএনপি

জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত গণমুখী, জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নধর্মী ঐতিহাসিক বাজেট ঘোষণার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি।

শুক্রবার (১২ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি, সাধারণ সম্পাদক জামান সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুল গাজী বলেন, এই বাজেট দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা আশা প্রকাশ করেন, বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে প্রণীত এই বাজেট দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করবে।

তারা দেশের সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ এবং জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতারা আশা করেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে।

তামান্না রুপা/

বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বর্তমান কাঠামো দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আনতে সক্ষম হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ ও ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।’

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের বিদ্যমান কর ও রাজস্ব কাঠামোর বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের নজির নেই। বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যে থেকে এ লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যাবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটের রূপরেখা পর্যালোচনা করে সে ধরনের কোনো কার্যকর সংস্কারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।’

তবে বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘কয়েকটি পণ্যের ওপর কর হ্রাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।’

সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এত অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনা নজিরবিহীন। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলছে।’

বাজেটে সুশাসন ও জবাবদিহিতার ঘাটতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাজেটে স্পষ্ট কোনো রূপরেখা নেই।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বড় বাজেট মানেই বড় ব্যয়ের সুযোগ; আর সেখানে জবাবদিহিতা না থাকলে দুর্নীতির ঝুঁকিও বাড়ে। বাজেটে দুর্নীতি রোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উল্লেখ নেই, যা উদ্বেগজনক।’

রিফাত/

জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ঢাকা মহানগর শাখা। 

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বাজেটের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘অসম’ বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

সমাবেশে বাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘সরকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট ঘোষণা করেছে, তা মূলত ঋণনির্ভর। বাজেটের ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা এবং সুদ বাবদ ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা সরকারের দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইএমএফের পরামর্শে জনগণের ওপর পরোক্ষ করের বোঝা বাড়ানো হয়েছে, অথচ ধনীদের স্বার্থে উৎস কর কমানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষির মতো জনকল্যাণমুখী খাতগুলো অবহেলিত রেখে সামরিকসহ অনুৎপাদনশীল খাতে বরাদ্দে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে।’

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এটিকে ‘জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি’ বা মহামারি হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান তারা।’

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধেরও দাবি জানান বাসদ নেতারা। পাশাপাশি, বিগত সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘দাসত্বের চুক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের আহ্বান জানানো হয়।

বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার ইনচার্জ নিখিল দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, নগর নেতা আহসান হাবিব বুলবুল, জাকির হোসেন ও রুখসানা আফরোজ আশা। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন নগর নেতা খালেকুজ্জামান লিপন।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/