ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত টাঙ্গুয়ার হাওরে অপরিকল্পিত হাউজবোট চলাচল: বেলার উদ্বেগ প্রকাশ পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা
Nagad desktop

একটি দলের হুমকিও ভয়ভীতির কারণে ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে: মাহদী আমীন

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
একটি দলের হুমকিও ভয়ভীতির কারণে ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে: মাহদী আমীন
মাহদী আমীন

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমীন অভিযোগ করেছেন, একটি দল ভোটারদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব ঘটনা না ঘটলে ভোটার উপস্থিতি আরও বেশি হতে পারত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমীন বলেন, বিএনপি ও প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের মধ্যে দৃশ্যমান পার্থক্য ঠেকাতেই গত রাত থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ভোটারদের নিরুৎসাহিত করতে বিভিন্ন স্থানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে সহিংসতায় আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি বিএনপির সমবেদনা রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা, কারচুপি ও কালো টাকার ব্যবহার হয়েছে। কোথাও আগে থেকেই সিল মারা ব্যালট পাওয়া গেছে এবং জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। অনেক ভোটার নিজ ভোট দিতে পারেননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তার দাবি, স্থানীয় ভুয়া পর্যবেক্ষক তৈরি করে এক ধরনের ‘মব’ সৃষ্টি করা হয়েছে, যার ফলে ভোটার উপস্থিতিতে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি আগে থেকেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও আরও সমন্বিত পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের মনে ভীতি তৈরির চেষ্টার অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির বিজয় অনিবার্য—এটি স্তিমিত করার অপপ্রয়াস সফল হবে না।

মাহদী আমীন জনগণকে ভোটের ফলাফল নিশ্চিত করতে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং দলের নেতা–কর্মীদের সঠিক গণনা ও ফলাফল ঘোষণায় কোনো অসংগতি না হয় তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, “ধানের শীষের জোয়ারে বিএনপির বিজয় গণতন্ত্রেরই বিজয় হবে। বাংলাদেশের বিজয় আসন্ন, ইনশাআল্লাহ।” 

চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের অনেককে মাথায় কাফনের কাপড় বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।

মিছিলটি বন্দর এলাকা থেকে শুরু হয়ে শেখ মুজিব সড়ক হয়ে আগ্রাবাদ মোড়ের দিকে অগ্রসর হয় এবং পরে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ব্যানার বহন করেন। ব্যানারে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচার এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানানো হয়।

স্থানীয় সূত্র ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম নগরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর বেশ কয়েকটি ঝটিকা কর্মসূচির পর এটি আরও একটি আলোচিত রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও পর্যালোচনা করে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রিফাত/

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম
ছবি: খবরের কাগজ

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে দফায় দফায় তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ বা সংসদীয় কমিটিতে কোনো আলোচনা ছাড়াই বাজেট ঘোষণার পূর্বে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে একটি খারাপ নজির স্থাপন করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনদুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশেরও বেশি। ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৬.৭ শতাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ টাকায় পৌঁছানোয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাজারে মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং সরু চাল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও ডালের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মাছ, মাংস, ডিম ও আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি এবং অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে কৃষিতে উৎপাদন খরচ এবং গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষি উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি খাতে স্থবিরতা সৃষ্টি করবে। এর প্রভাব হিসেবে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামাল খান প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান এলাহী, আমির হোসাইন, ড. আ ম ম মসরুর হোসাইন, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সহ-সভাপতি মকবুল আহমেদ প্রমুখ। 

এসএন/

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর গুলশানে একটি কনভেনশন হলে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

জিএম কাদের বলেন, ‘জাতি আজ এক চরম বিপদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এটি কতটুকু বুঝতে পারছে জানি না, তবে তারা সঠিকভাবে অনুমান করতে পারছে না। দেশ এখন সুস্পষ্টভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং দুই পক্ষ এখন মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে।’

জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ স্বাধীনতাবিরোধী ধ্যান-ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তারা ৭১ ও ২৪-এর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। দেশের তরুণ সমাজকে অর্থ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা কোনো অবস্থাতেই এই অপরাজনীতি সফল হতে দেব না।’

জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে জি এম কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আর কোনো সুবিধাবাদী বা আপসের রাজনীতি করবে না। ৮-১০টি সিট বা মন্ত্রী হওয়ার রাজনীতি করার দিন শেষ। এখন থেকে আমরা দেশের ৩০০ আসনেই লড়াই করার প্রস্তুতি নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে মাঠে দাঁড়াতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে নিজের এক বিশ্লেষণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। জনগণ বর্তমান সরকার বা কোনো দলের ওপরই আস্থা রাখেনি।’

জাপাকে ‘ফিনিক্স পাখি’র সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘৯১ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনের আগে বলা হয়েছে জাতীয় পার্টি শেষ। কিন্তু জাপা ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার পুনর্জন্ম নিয়ে ফিরে এসেছে। এবারও আমাদের শেষ করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু জাতীয় পার্টি শেষ হয়নি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর জাপার আহ্বায়ক এ এন এম রফিকুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, শেরীফা কাদের ও নুরুন নাহার বেগম।

জয়ন্ত/সালমান/

দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর
ছবি: খবরের কাগজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটের লড়াইয়ের বিভেদ ভুলে, পদত্যাগ করা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে  পুনর্বহাল দাবি করেছেন তার সাবেক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

প্রার্থী পহেল চাকমা ও আবুল বাশার অভিযোগ করেন, দলীয় কোন্দলের কারণেই দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই দাবি জানান পহেল চাকমা ও আবুল বাশার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে পহেল চাকমা পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আবুল বাশার গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পহেল চাকমা বলেন, ‘দীপেন দেওয়ান রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে পার্বত্য মন্ত্রী হয়েছিলেন। ওনাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা চাই সসম্মানে উনাকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হোক।’

আবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আবেদন থাকবে দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় তার মন্ত্রীত্ব ফিরিয়ে দিক। সুষম বণ্টনের মাধ্যমে পাহাড়ি-বাঙালি সবার মাঝে উন্নয়নের জোয়ার হিসেবে আমরা রাঙামাটিবাসী তাকে ফিরে পেতে চাই।’

জিয়াউর রহমান/খাদিজা রুমি/

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংর্ঘষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সাত জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদরকে ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এসময় দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মাহফুজুর/আমান