ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র খোলা ড্রামে ভোজ্যতেল: ভোক্তার অধিকার কোথায়? আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন: নৌপরিবহনমন্ত্রী গাজী গিয়াস উদ্দিনকে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান তীব্র তাপপ্রবাহে করণীয় আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করুন নিত্যপণ্যের দামে কোনো চাপ নেই, বাজেট জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭ মৃত্যু ছত্রিশ-চব্বিশের পরকীয়া নিয়ে তুলকালাম মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হারুন আল রশীদ খাল খননের পর ভরাট করে গাড়ির গ‍্যারেজ, কার গরজে?

দাবি আদায়ে রাস্তায় শিক্ষক। লাঠিচার্জ, জাতির লজ্জা

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:১৬ পিএম
দাবি আদায়ে রাস্তায় শিক্ষক। লাঠিচার্জ, জাতির লজ্জা

বাংলাদেশ এমন একটা দেশ,যেই দেশে শিক্ষকদের প্রায়ই তাদের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় আন্দোলনরত অবস্থায় দেখা যায়। শিক্ষকরা যখন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে, সেই আন্দোলনেও পুলিশ দ্বারা লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। যেই শিক্ষকদের খুশি মনে পাঠকক্ষে শিক্ষাদানরত অবস্থায় থাকার কথা, তারা ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামে। এর চেয়ে বড় লজ্জা এ জাতির জন্য আর কিছু হতে পারে না। শিক্ষকরা একটা জাতি গড়ার কারিগর, তারা দেশের মেরুদণ্ড। সেই মেরুদণ্ডের ওপর লাঠিচার্জ মানে তো দেশের মেরুদণ্ডের ওপর লাঠিচার্জ করে মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। শিক্ষকরা তো একটা জাতির আলোকবর্তিকা। সেই আলোকবর্তিকার ওপর আক্রমণ হয় কোনো সাহসে! যে জাতি শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে, সে জাতি থাকে অন্ধকারে নিমজ্জিত। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যেই লাঠির বাড়ি দেওয়া হলো শিক্ষকদের, সেই লাঠির বাড়ি শুধু শিক্ষকদের ওপর পড়েনি, পড়েছে এ দেশের জাতির ওপর। শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার কি সরকার বুঝতেছে না? নাকি বুঝেও না বোঝার ভান করছে। শিক্ষকরা চাওয়ার আগেই তাদের ন্যায্য অধিকারগুলো হাজির হওয়ার কথা, অথচ তারা আজ রাজপথে রোদে পুড়ছে, বৃষ্টিতে ভিজছে। আমরা আগেও দেখেছি যখনই শিক্ষকরা দাবিদাওয়া নিয়ে রাস্তায় নেমেছে, তাদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে। সেই একই পথে এ সরকারও হাঁটল। আন্দোলন দমনের চেষ্টা না করে, সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজাটাই শ্রেয়। কারণ যেই দেশে শিক্ষকরা অবহেলিত, সেই দেশ কখনো মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে দাঁড়াতে পারবে না।

মো. তাসনিম হক রাফি 
শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অরাজকতা দীর্ঘদিনের। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব অর্থসংকট দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায় করার কথা বলেছেন। এমন কথা শুনে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। এটা কি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একার সিদ্ধান্ত নাকি রাষ্ট্রের তাতে মত রয়েছে, তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। তবে রাষ্ট্র বিষয়টি জানতে পেরে ইতস্তত বোধ করছে। রাষ্ট্র যদি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিত তাহলে তারা এ বিষয় নিয়ে অবাক হতো না। প্রাথমিকে অনেক অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শিশু পড়ে। অনেক মা আছেন যারা বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় হাতে পাঁচ টাকা বিস্কুট খেতে পর্যন্ত দিতে পারেন না। বাচ্চাদের যেখানে স্কুলমুখী করার জন্য মিড ডে মিল চালু করা হচ্ছে, সেখানে পরীক্ষার ফি বসানোটা কতটা যৌক্তিক।

মাঝেমাঝে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কিছু অনৈতিক চিত্র প্রকাশ হতে দেখি। এখনো অনেক বিদ্যালয় রয়েছে যেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে গেলে টাকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান যদি ফলপ্রসূ করা না যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে। তখন তারা বেকারত্বের শিকার হয়ে রাষ্ট্রের বোঝা হবে। তাই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সামান্য পরীক্ষার ফি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে কলুষিত করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহিপাড়া, মুন্সিগঞ্জ
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]

মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব মন্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের অহংকার-অহমিকা এবং দম্ভ গড়ে উঠেছিল জনগণের ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাই এখনই বলে রাখা ভালো, জনগণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রীরা কখনই কথা বলবেন না আগে জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তারা কী চায়, তাদের জন্য কতটুকু করতে পারবেন সেটা বুঝিয়ে বলবেন মন্ত্রীদের একজন প্রকৃত জনদরদি নেতা, যিনি সততা, সরলতা, ভালোবাসা আদর্শ নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকারের যোগ্যতা থাকতে হবে জনস্বার্থ জনকল্যাণের প্রশ্নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে

মন্ত্রীদের সাহসী, সংগ্রামী আপসহীন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনসেবা চালিয়ে যেতে হবে কারণ মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের অনেক চাহিদা-আবদার থাকতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় মন্ত্রীরা ভোটের আগে তার এলাকায় জনগণকে যে ধরনের আশ্বাস কাজের গতির স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তা ধীরে ধীরে পালন করার চেষ্টার কোনো অবহেলা করবেন না

মনে রাখবেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু নির্বাচনের সময় হওয়া উচিত, কিন্তু বছরের বাকি সময় দলমতনির্বিশেষে সবার উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে মন্ত্রী হলেই যে আপনি দেশের অভিভাবক হয়েছেন সেটা না ভেবে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন, এতে অনেক ফল পাওয়া যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

[email protected]

 

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]

সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রতিবারের মতো এবারও সারা বিশ্ব ভুগছে বিশ্বকাপ জ্বরে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। শহর থেকে মফস্বল কিংবা গ্রাম প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছড়িয়েছে এ উন্মাদনা। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো, জার্সি কেনা আর প্রীতি ম্যাচগুলোর আয়োজনই জানিয়ে দিচ্ছে বাঙালিদের ফুটবলপ্রীতি। তবে এরই মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাগুলো চোখে পড়ছে সংবাদমাধ্যমের বদৌলতে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জুন বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল সমর্থকদের আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের সমর্থকরা। এতে প্রায় অর্ধ শত মানুষ আহত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে অতি আবেগী না হয়ে পারস্পরিক সমঝোতাই পারে এরূপ সংঘর্ষ এড়াতে। এ আসরের আটচল্লিশটি পতাকার রঙের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে যাক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে।

মারিয়া হাসান
শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]